১
সুন্নতের প্রতি যত্নবান হওয়ার আদেশ ও তার আদব
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
হাদীসটি থেকে শিক্ষা ও মাসায়েলঃ
এক. আল্লাহ তাআলা বলেছেনঃ
وَمَا آَتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا ( الحشر : ৭)
রাসূল তোমাদের কাছে যা নিয়ে এসেছে তার ধারণ করো আর যা থেকে নিষেধ করে তা থেকে বিরত থাকো। (সূরা আল হাশর, আয়াত ৭) আল্লাহ তাআলার এ নির্দেশকে আলোচ্য হাদীসটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়।
দুই. এ হাদীসটির একটি শানে উরুদ বা প্রেক্ষাপট আছে। তা হল: একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভাষণে বললেন, হে মানব সকল! তোমাদের উপর হজ ফরজ করে দেয়া হয়েছে। তোমরা হজ করো। তখন সাহাবী আকরা ইবনে হাবেছ রা. প্রশ্ন করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এটা প্রতি বছর কি হজ করা ফরজ? প্রশ্নের উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ থাকলেন। কিন্তু সে বার বার প্রশ্ন করে যাচ্ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদীসটি এরশাদ করেন।
তিন. অনেক লোক আছেন যারা জানার জন্য নয়, বিতর্ক জুড়ে দেয়ার জন্য বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। এটা আরো নিন্দনীয়।
চার. এ হাদীস আমাদের আরো শিক্ষা দিচ্ছে, ইসলাম আমাদের যা দিয়েছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা একান্ত কর্তব্য। এর চেয়ে বাড়িয়ে বলা বা করা উচিত নয়। যদি কেহ এ রকম করে তবে সে এ হাদীস মোতাবেক আমল করল না। এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহর প্রতি যত্নবান ও তা সংরক্ষণেরও দাবী।
বেশী প্রশ্ন ও সহজ বিষয় ঘাটাঘাটি করতে আল্লাহ তাআলা নিষেধ করেছেন। তিনি বলেনঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا لَا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِنْ تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ وَإِنْ تَسْأَلُوا عَنْهَا حِينَ يُنَزَّلُ الْقُرْآَنُ تُبْدَ لَكُمْ عَفَا اللَّهُ عَنْهَا وَاللَّهُ غَفُورٌ حَلِيمٌ ﴿101﴾ قَدْ سَأَلَهَا قَوْمٌ مِنْ قَبْلِكُمْ ثُمَّ أَصْبَحُوا بِهَا كَافِرِينَ ﴿102﴾ ( سورة المائدة )
হে মুমিনগণ, তোমরা এমন বিষয়াবলী সম্পর্কে প্রশ্ন করো না যা তোমাদের কাছে প্রকাশ করা হলে তা তোমাদেরকে পীড়া দেবে। আর কুরআন অবতরণকালে যদি তোমরা সে সম্পর্কে প্রশ্ন কর তাহলে তা তোমাদের জন্য প্রকাশ করা হবে। আল্লাহ তা ক্ষমা করেছেন। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম সহনশীল। তোমাদের পূর্বে একটি জাতি এরূপ প্রশ্ন করেছিল; তারপর তারা এর কারণে কাফির হয়ে গেল। (সূরা আল মায়েদা , আয়াত ১০১-১০২
وَمَا آَتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانْتَهُوا ( الحشر : ৭)
রাসূল তোমাদের কাছে যা নিয়ে এসেছে তার ধারণ করো আর যা থেকে নিষেধ করে তা থেকে বিরত থাকো। (সূরা আল হাশর, আয়াত ৭) আল্লাহ তাআলার এ নির্দেশকে আলোচ্য হাদীসটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়।
দুই. এ হাদীসটির একটি শানে উরুদ বা প্রেক্ষাপট আছে। তা হল: একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভাষণে বললেন, হে মানব সকল! তোমাদের উপর হজ ফরজ করে দেয়া হয়েছে। তোমরা হজ করো। তখন সাহাবী আকরা ইবনে হাবেছ রা. প্রশ্ন করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এটা প্রতি বছর কি হজ করা ফরজ? প্রশ্নের উত্তরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চুপ থাকলেন। কিন্তু সে বার বার প্রশ্ন করে যাচ্ছিল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদীসটি এরশাদ করেন।
তিন. অনেক লোক আছেন যারা জানার জন্য নয়, বিতর্ক জুড়ে দেয়ার জন্য বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। এটা আরো নিন্দনীয়।
চার. এ হাদীস আমাদের আরো শিক্ষা দিচ্ছে, ইসলাম আমাদের যা দিয়েছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা একান্ত কর্তব্য। এর চেয়ে বাড়িয়ে বলা বা করা উচিত নয়। যদি কেহ এ রকম করে তবে সে এ হাদীস মোতাবেক আমল করল না। এটা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহর প্রতি যত্নবান ও তা সংরক্ষণেরও দাবী।
বেশী প্রশ্ন ও সহজ বিষয় ঘাটাঘাটি করতে আল্লাহ তাআলা নিষেধ করেছেন। তিনি বলেনঃ
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آَمَنُوا لَا تَسْأَلُوا عَنْ أَشْيَاءَ إِنْ تُبْدَ لَكُمْ تَسُؤْكُمْ وَإِنْ تَسْأَلُوا عَنْهَا حِينَ يُنَزَّلُ الْقُرْآَنُ تُبْدَ لَكُمْ عَفَا اللَّهُ عَنْهَا وَاللَّهُ غَفُورٌ حَلِيمٌ ﴿101﴾ قَدْ سَأَلَهَا قَوْمٌ مِنْ قَبْلِكُمْ ثُمَّ أَصْبَحُوا بِهَا كَافِرِينَ ﴿102﴾ ( سورة المائدة )
হে মুমিনগণ, তোমরা এমন বিষয়াবলী সম্পর্কে প্রশ্ন করো না যা তোমাদের কাছে প্রকাশ করা হলে তা তোমাদেরকে পীড়া দেবে। আর কুরআন অবতরণকালে যদি তোমরা সে সম্পর্কে প্রশ্ন কর তাহলে তা তোমাদের জন্য প্রকাশ করা হবে। আল্লাহ তা ক্ষমা করেছেন। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম সহনশীল। তোমাদের পূর্বে একটি জাতি এরূপ প্রশ্ন করেছিল; তারপর তারা এর কারণে কাফির হয়ে গেল। (সূরা আল মায়েদা , আয়াত ১০১-১০২