১
সুন্নতের প্রতি যত্নবান হওয়ার আদেশ ও তার আদব
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
হাদীস - ৫
5 - عنْ أَبِي عبدِ اللَّه النُّعْمَانِ بْنِ بَشيِرٍ رضي اللَّه عنهما، قال : سمِعْتُ رسولَ اللَّه صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يقولُ : « لَتُسَوُّنَّ صُفُوفَكُمْ أَوْ لَيُخَالِفَنَّ اللَّه بَيْنَ وُجُوهِكمْ » متفقٌ عليه
وفي روايةٍ لِمْسلمٍ : كان رسولُ اللُّه صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يُسَوِّي صُفُوفَنَآ حَتَّى كأَنَّمَا يُسَوي بِهَا الْقِداحَ حَتَّى إِذَا رأَى أَنَّا قَدْ عَقَلْنَا عَنْهُ ثُمَّ خَرَجَ يَوماً ، فقامَ حتَّى كَادَ أَنْ يكبِّرَ ، فَرأَى رجُلا بادِياً صدْرُهُ فقالَ : « عِبادَ اللَّه لَتُسوُّنَّ صُفوفَكُمْ أَوْ لَيُخَالِفَنَّ اللَّه بيْن وُجُوهِكُمْ » .
আবু আব্দুল্লাহ আন নুমান ইবনে বাশীর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ ‘‘তোমরা নামাজের কাতারগুলো অবশ্যই সোজা করবে, নয়তো আল্লাহ তাআলা তোমাদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে দেবেন। (বুখারী ও মুসলিম)
তবে মুসলিমের অপর একটি বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাতারগুলো সোজা করে দিতেন। মনে হত তিনি যেন এর মাধ্যমে তীর সোজা করছেন। এভাবে সোজা করতে থাকতেন যতক্ষণ তিনি দেখতেন, আমরা বিষয়টি রপ্ত করে ফেলেছি। একদিন তিনি বের হলেন এবং নামাজে দাড়িয়ে তাকবীর দেবেন এমন সময় একজন লোককে দেখলেন, তার বুক কাতারের থেকে আগে চলে গেছে। তিনি বললেনঃ ‘‘হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা অবশ্যই তোমাদের কাতারগুলো সোজা করবে অথবা আল্লাহ তোমাদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে দেবেন।
وفي روايةٍ لِمْسلمٍ : كان رسولُ اللُّه صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وسَلَّم يُسَوِّي صُفُوفَنَآ حَتَّى كأَنَّمَا يُسَوي بِهَا الْقِداحَ حَتَّى إِذَا رأَى أَنَّا قَدْ عَقَلْنَا عَنْهُ ثُمَّ خَرَجَ يَوماً ، فقامَ حتَّى كَادَ أَنْ يكبِّرَ ، فَرأَى رجُلا بادِياً صدْرُهُ فقالَ : « عِبادَ اللَّه لَتُسوُّنَّ صُفوفَكُمْ أَوْ لَيُخَالِفَنَّ اللَّه بيْن وُجُوهِكُمْ » .
আবু আব্দুল্লাহ আন নুমান ইবনে বাশীর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ ‘‘তোমরা নামাজের কাতারগুলো অবশ্যই সোজা করবে, নয়তো আল্লাহ তাআলা তোমাদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে দেবেন। (বুখারী ও মুসলিম)
তবে মুসলিমের অপর একটি বর্ণনায় এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের কাতারগুলো সোজা করে দিতেন। মনে হত তিনি যেন এর মাধ্যমে তীর সোজা করছেন। এভাবে সোজা করতে থাকতেন যতক্ষণ তিনি দেখতেন, আমরা বিষয়টি রপ্ত করে ফেলেছি। একদিন তিনি বের হলেন এবং নামাজে দাড়িয়ে তাকবীর দেবেন এমন সময় একজন লোককে দেখলেন, তার বুক কাতারের থেকে আগে চলে গেছে। তিনি বললেনঃ ‘‘হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা অবশ্যই তোমাদের কাতারগুলো সোজা করবে অথবা আল্লাহ তোমাদের পরস্পরের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করে দেবেন।