১
মৃত্যু ও কবর সম্পর্কে করণীয় ও বর্জনীয়
লেখকঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৮
৯) মসজিদের মধ্যে কবর থাকলে তাতে সালাত আদায় করার বিধান:
যদি কোন মসজিদের মধ্যে কবর পাওয়া যায়। তবে দেখতে হবে কোনটি প্রথম নির্মিত হয়েছে। যদি মসজিদই সর্ব প্রথম নির্মিত হয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে মসজিদের মধ্যে মৃতকে দাফন করা হয় তবে ঐ কবর খুঁড়ে সেখান থেকে লাশ বা লাশের অবশিষ্ট হাড়-হাড্ডিগুলো বের করে মুসলমানদের কবরস্থানে পুনরায় দাফন করা অপরিহার্য। যারা এভাবে দাফন করেছিল এটি তাদের দায়িত্ব। তারা না করলে মুসলিম সরকারের জন্য তা করা অপরিহার্য। যত দিন কবর খুঁড়ে লাশ বা হাড়-হাড্ডি বাইরে বের করা না হবে ততদিন মসজিদ কর্তৃপক্ষ গুনাহগার হতে থাকবে। তবে এই মসজিদে মুসল্লীদের সালাত আদায় করা বৈধ হবে এই শর্তে যে, তারা সালাতের সময় যেন কবরকে সরাসরি সামনে না রাখে। কেননা, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কবরে দিকে মুখ করে সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন।
পক্ষান্তরে যদি কবরই পূর্বে থেকে থাকে; পরবর্তীতে তার উপর মসজিদ নির্মিত হয় তবে মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা আবশ্যক হবে মসজিদ নির্মানকারীর উপর অন্যথায় মুসলিম সরকার সেটা বাস্তবায়ন করবে। এ ধরণের কবরওয়ালা মসজিদ পরিত্যাগ করা আবশ্যক এবং তাতে সালাত আদায় করা জায়েয নয়। কেননা, হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,
لَمَّا نَزَلَ بِرَسُولِ اللَّهِ طَفِقَ يَطْرَحُ خَمِيصَةً لَهُ عَلَى وَجْهِهِ، فَإِذَا اغْتَمَّ بِهَا كَشَفَهَا عَنْ وَجْهِهِ، فَقَالَ : " وَهُوَ كَذَلِكَ، لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ يُحَذِّرُ مَا صَنَعُوا
আয়েশা (রা:) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন (মৃত্যু শয্যায়) অসুস্থ ছিলেন, তখন তিনি একটি চাদর স্বীয় চেহারা মুবারকে রাখতেন,অসুবিধা বোধ করলে তা সরিয়ে নিতেন। এমতাবস্থায় তিনি বললেন, “ইহুদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত। কেননা তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করেছে।” তিনি স্বীয় উম্মতকে সেই ইহুদী-নাসারাদের কর্ম হতে সতর্ক করার জন্যই তা বলেছেন। [বুখারী ও মুসলিম] অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে ঐ সমস্ত লোকদের কৃতকর্ম হতে তাঁর উম্মতকে সতর্ক করেছেন। কারণ তিনি জানতে পেরেছিলেন যে, অচিরেই তিনি মৃত্যু বরণ করবেন এবং দূর ভবিষ্যতে হলেও এ ধরণের কাজ সংঘটিত হবে।
তাঁকে ঘরে দাফন করার পিছনে একটি কারণ হল, তিনি নিজেই হাদীছ শুনিয়েছিলেন যে,
إِنَّ النَّبِيَّ لا يُحَوَّلُ مِنْ مَكَانِهِ ، يُدْفَنُ حَيْثُ يَمُوتُ
“নবীকে তাঁর মৃত্যুর স্থান থেকে স্থানান্তর করা যাবে না। বরং যেখানে তিনি মৃত্যু বরণ করবেন সেখানেই তাঁকে দাফন করা হবে।” অত:পর
فَنَحَّوْا فِرَاشَهُ ، وَحَفَرُوا لَهُ فِي مَوْضِعِ فِرَاشِهِ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তিকালের পর সাহাবীগণ তার বিছানা সরিয়ে সেখানেই কবর খনন করলেন।” [ইবনে আবী শায়বা-আবু বকর সিদ্দীক রা. হতে বর্ণিত]
পক্ষান্তরে যদি কবরই পূর্বে থেকে থাকে; পরবর্তীতে তার উপর মসজিদ নির্মিত হয় তবে মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা আবশ্যক হবে মসজিদ নির্মানকারীর উপর অন্যথায় মুসলিম সরকার সেটা বাস্তবায়ন করবে। এ ধরণের কবরওয়ালা মসজিদ পরিত্যাগ করা আবশ্যক এবং তাতে সালাত আদায় করা জায়েয নয়। কেননা, হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,
لَمَّا نَزَلَ بِرَسُولِ اللَّهِ طَفِقَ يَطْرَحُ خَمِيصَةً لَهُ عَلَى وَجْهِهِ، فَإِذَا اغْتَمَّ بِهَا كَشَفَهَا عَنْ وَجْهِهِ، فَقَالَ : " وَهُوَ كَذَلِكَ، لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ يُحَذِّرُ مَا صَنَعُوا
আয়েশা (রা:) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন (মৃত্যু শয্যায়) অসুস্থ ছিলেন, তখন তিনি একটি চাদর স্বীয় চেহারা মুবারকে রাখতেন,অসুবিধা বোধ করলে তা সরিয়ে নিতেন। এমতাবস্থায় তিনি বললেন, “ইহুদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত। কেননা তারা তাদের নবীদের কবরগুলোকে মসজিদ হিসেবে গ্রহণ করেছে।” তিনি স্বীয় উম্মতকে সেই ইহুদী-নাসারাদের কর্ম হতে সতর্ক করার জন্যই তা বলেছেন। [বুখারী ও মুসলিম] অর্থাৎ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে ঐ সমস্ত লোকদের কৃতকর্ম হতে তাঁর উম্মতকে সতর্ক করেছেন। কারণ তিনি জানতে পেরেছিলেন যে, অচিরেই তিনি মৃত্যু বরণ করবেন এবং দূর ভবিষ্যতে হলেও এ ধরণের কাজ সংঘটিত হবে।
তাঁকে ঘরে দাফন করার পিছনে একটি কারণ হল, তিনি নিজেই হাদীছ শুনিয়েছিলেন যে,
إِنَّ النَّبِيَّ لا يُحَوَّلُ مِنْ مَكَانِهِ ، يُدْفَنُ حَيْثُ يَمُوتُ
“নবীকে তাঁর মৃত্যুর স্থান থেকে স্থানান্তর করা যাবে না। বরং যেখানে তিনি মৃত্যু বরণ করবেন সেখানেই তাঁকে দাফন করা হবে।” অত:পর
فَنَحَّوْا فِرَاشَهُ ، وَحَفَرُوا لَهُ فِي مَوْضِعِ فِرَاشِهِ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইন্তিকালের পর সাহাবীগণ তার বিছানা সরিয়ে সেখানেই কবর খনন করলেন।” [ইবনে আবী শায়বা-আবু বকর সিদ্দীক রা. হতে বর্ণিত]