১
মৃত্যু ও কবর সম্পর্কে করণীয় ও বর্জনীয়
লেখকঃ আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
কবর, মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কিত কতিপয় বিদয়াত
এখানে যে সব বিদয়াত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে:
১) মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা
২) কুলখানি বা চল্লিশা পালন করা
৩) নির্দিষ্ট কোন দিনে কবর যিয়ারতের জন্য একত্রিত হওয়া এবং হাফেযদের দিয়ে কুরআন খতম করিয়ে পারিশ্রমিক দেয়া
৪) সবীনা পাঠ করা
৫) রূহের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে ফাতিহা পাঠের বিদ’আতঃ
৬) কবরে মান্নত পেশ,পশু যবেহ এবং খতমে কুরআন
৭) কবরে ফাতিহা খানী করা
৮) পথের ধারে বা মাযারে কুরআন পাঠ
৯) মৃতকে গোসল দেয়ার স্থানে আগরবাতী, মোমবাতি ইত্যাদি জ্বালানো
১০) দাফনের পর কবরের চার পাশে দাঁড়িয়ে হাত তুলে সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করা
১১) মৃত্যু শয্যায় শায়িত ব্যক্তির পাশে বসে বা মৃত ব্যক্তির রূহের উদ্দেশ্যে কুরআন খতম করা
১২) কবর পাকা করা, কবরের উপর বিল্ডিং তৈরী করা ও কবরে চুনকাম করা । এছাড়াও প্রচলিত আরও কিছু কুসংস্কার ও গর্হিত কাজ আলোচিত হয়েছে।
কবর,মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কিত কতিপয় বিদয়াত:
ঘন কালো মেঘের আড়ালে অনেক সময় সূর্য্যের কিরণ ঢাকা পড়ে যায়। মনে হয় হয়ত আর সূর্য্যের মুখ দেখা যাবে না। কিন্তু সময়ের ব্যাবধানে নিকশ কালো মেঘের বুক চিরে আলো ঝলমল সূর্য্য বের হয়ে আসে। ঠিক তেমনি বর্তমানে আমাদের সমাজের দিকে তাকালে দেখা যাবে বিদয়াতের কালিমা ইসলামের স্বচ্ছ আকাশকে ঘিরে ফেলেছে। যার কারণে কোন কাজটা সুন্নাত আর কোন কাজটা বিদয়াত তা পার্থক্য করাটাই অনেক মানুষের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। তাই যত বেশী কুরআন-সুন্নাহর প্রচার প্রসার হবে তত দ্রুত এই বিদয়াতের অন্ধকার বিদূরিত হবে। আমরা চাই, কুরআন-সুন্নাহর বর্ণিল আলোয় আলোকিত হয়ে উঠুক সমাজের প্রতিটি গৃহকোন। বিদূরিত হোক শিরক, বিদয়াত আর মূর্খতার ঘোর আমানিশা।
যা হোক শত রকমের বিদয়াতের মধ্য থেকে এখানে শুধু কবর,মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কিত কয়েকটি প্রসিদ্ধ বিদয়াত তুলে ধরা হল। যদিও এ সম্পর্ক আরও অনেক বিদয়াত আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। যদি এতে আমাদের সমাজের বিবেকবান মানুষের চেতনার দুয়ারে সামান্য আঘাত হানে তবেই এ প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
১) মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা
২) কুলখানি বা চল্লিশা পালন করা
৩) নির্দিষ্ট কোন দিনে কবর যিয়ারতের জন্য একত্রিত হওয়া এবং হাফেযদের দিয়ে কুরআন খতম করিয়ে পারিশ্রমিক দেয়া
৪) সবীনা পাঠ করা
৫) রূহের মাগফিরাতের উদ্দেশ্যে ফাতিহা পাঠের বিদ’আতঃ
৬) কবরে মান্নত পেশ,পশু যবেহ এবং খতমে কুরআন
৭) কবরে ফাতিহা খানী করা
৮) পথের ধারে বা মাযারে কুরআন পাঠ
৯) মৃতকে গোসল দেয়ার স্থানে আগরবাতী, মোমবাতি ইত্যাদি জ্বালানো
১০) দাফনের পর কবরের চার পাশে দাঁড়িয়ে হাত তুলে সম্মিলিতভাবে মুনাজাত করা
১১) মৃত্যু শয্যায় শায়িত ব্যক্তির পাশে বসে বা মৃত ব্যক্তির রূহের উদ্দেশ্যে কুরআন খতম করা
১২) কবর পাকা করা, কবরের উপর বিল্ডিং তৈরী করা ও কবরে চুনকাম করা । এছাড়াও প্রচলিত আরও কিছু কুসংস্কার ও গর্হিত কাজ আলোচিত হয়েছে।
কবর,মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কিত কতিপয় বিদয়াত:
ঘন কালো মেঘের আড়ালে অনেক সময় সূর্য্যের কিরণ ঢাকা পড়ে যায়। মনে হয় হয়ত আর সূর্য্যের মুখ দেখা যাবে না। কিন্তু সময়ের ব্যাবধানে নিকশ কালো মেঘের বুক চিরে আলো ঝলমল সূর্য্য বের হয়ে আসে। ঠিক তেমনি বর্তমানে আমাদের সমাজের দিকে তাকালে দেখা যাবে বিদয়াতের কালিমা ইসলামের স্বচ্ছ আকাশকে ঘিরে ফেলেছে। যার কারণে কোন কাজটা সুন্নাত আর কোন কাজটা বিদয়াত তা পার্থক্য করাটাই অনেক মানুষের জন্য কঠিন হয়ে গেছে। তাই যত বেশী কুরআন-সুন্নাহর প্রচার প্রসার হবে তত দ্রুত এই বিদয়াতের অন্ধকার বিদূরিত হবে। আমরা চাই, কুরআন-সুন্নাহর বর্ণিল আলোয় আলোকিত হয়ে উঠুক সমাজের প্রতিটি গৃহকোন। বিদূরিত হোক শিরক, বিদয়াত আর মূর্খতার ঘোর আমানিশা।
যা হোক শত রকমের বিদয়াতের মধ্য থেকে এখানে শুধু কবর,মাযার ও মৃত্যু সম্পর্কিত কয়েকটি প্রসিদ্ধ বিদয়াত তুলে ধরা হল। যদিও এ সম্পর্ক আরও অনেক বিদয়াত আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে। যদি এতে আমাদের সমাজের বিবেকবান মানুষের চেতনার দুয়ারে সামান্য আঘাত হানে তবেই এ প্রচেষ্টা সার্থক হবে।