১
চিনে নাও তুমি তোমার নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
লেখকঃ ড. আদেল আশ-শিদ্দী, ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
আল্লাহ তা‘আলা কর্তৃক নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জাহেলিয়্যাতের কালিমা থেকে সুরক্ষা:
আর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ছোট বেলা থেকেই তাঁকে রক্ষা করেছেন এবং জাহেলিয়্যাতের কলঙ্ক ও যাবতীয় দোষ-ত্রুটি থেকে তাঁকে পবিত্র করেছেন, আর তাঁকে দান করেছেন সুন্দর চরিত্র, শেষ পর্যন্ত তিনি তাঁর জাতি ও সম্প্রদায়ের মাঝে ‘আল-আমীন’ (বিশ্বস্ত) বলে প্রসিদ্ধ ও সুপরিচিত হয়ে উঠেছিলেন। যখন তারা তাঁর পবিত্রতা, সততা ও আমানতদারীতার বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেছিল; এমনকি তাঁর ৩৫ বছর বয়সে যখন কুরাইশগণ কা‘বা ঘরের অবকাঠামো সংস্কারের ইচ্ছা করল এবং এক পর্যায়ে তারা ‘হাজরে আসওয়াদ’ নামক পাথরের অবস্থান স্থল পর্যন্ত পৌঁছল, তখন তাদের মাঝে মতবিরোধ সৃষ্টি হলো এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিষয়ে, যে বা যারা পাথরটিকে তার জায়গায় রাখবে এবং প্রত্যেক গোত্র বলতে লাগল: আমরা তাকে তার জায়গায় রাখব। অতঃপর তারা এক পর্যায়ে এ বিষয়ে ঐক্যমত হলো যে, তাদের মাঝে সর্বপ্রথম যিনি উপস্থিত হবেন, তিনিই পাথরটিকে তার জায়গায় রাখবেন। অতঃপর প্রথম আগমনকারী ব্যক্তি হয়ে গেলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম, তখন তারা বলে উঠল: এসে গেছে আল-আমীন এবং তারা তাঁকে মেনে নিল। অতঃপর তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একটি কাপড় নিয়ে আসার জন্য বললেন, তারপর তিনি পাথরটিকে তার মাঝখানে রাখলেন এবং প্রত্যেক গোত্রকে নির্দেশ দিলেন কাপড়ের এক পাশ ধরে উপরে উঠানোর জন্য, অতঃপর তিনি কাপড়ের মাঝখান থেকে পাথরটিকে নিয়ে তার জায়গায় রেখে দিলেন। -(আহমাদ ও হাকেম এবং তিনি তাকে সহীহ বলেছেন)।