১
চিনে নাও তুমি তোমার নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে
লেখকঃ ড. আদেল আশ-শিদ্দী, ড. আহমাদ আল-মাযইয়াদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম:
রবিউল আওয়াল মাসের সোমবারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম জন্মগ্রহণ করেছেন। কেউ কেউ বলেন, তিনি রবিউল আওয়াল মাসের ২ তারিখ জন্মগ্রহণ করেছেন। আবার কেউ কেউ বলেন, রবিউল আওয়াল মাসের ৮ তারিখ জন্মগ্রহণ করেছেন। কেউ কেউ বলেন, দশম তারিখে জন্মগ্রহণ করেছেন। কেউ বলেন, ১২ তারিখ জন্মগ্রহণ করেছেন। ইবন কাসীর রহ. বলেন, বিশুদ্ধ কথা হলো তিনি হস্তির বর্ষে জন্মগ্রহণ করেছেন। (অর্থাৎ যে বছর আবরাহা বাদশাহ হাতি নিয়ে মক্কা আক্রমণ করতে এসেছিল সে বছর) ঐক্যবদ্ধভাবে এ তথ্য পেশ করেছেন ইমাম বুখারী রহ.-এর ওস্তাদ ইবরাহীম ইবন মুনযির আল-হাযেমী ও খলিফা ইবন খাইয়াত প্রমুখ।
* ঐতিহাসিকগণ বলেন: যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাতা আমেনার গর্ভে তখন তিনি (আমেনা) বলেন, আমি তাঁর কারণে কোনো কষ্ট অনুভব করি নি। অতঃপর যখন সে জন্ম লাভ করে, তখন তাঁর সাথে এমন এক আলো বের হয়ে আসে, যা পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত গোটা দুনিয়া আলোকিত করে দেয়।
* আর ‘ইরবাদ ইবন সারিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে আছে, তিনি বলেন,
«سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : «إِنِّي عَبْدُ اللَّهِ فِي أُمِّ الْكِتَابِ لَخَاتَمُ النَّبِيِّينَ، وَإِنَّ آدَمَ لَمُنْجَدِلٌ فِي طِينَتِهِ، وَسَأُنَبِّئُكُمْ بِتَأْوِيلِ ذَلِكَ : دَعْوَةِ أَبِي إِبْرَاهِيمَ، وَبِشَارَةِ عِيسَى قَوْمَهُ ، وَرُؤْيَا أُمِّي الَّتِي رَأَتْ ، أَنَّهُ خَرَجَ مِنْهَا نُورٌ أَضَاءَتْ لَهُ قُصُورُ الشَّامِ» .
“আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: ‘আমি আসমানী কিতাবের মধ্যে আল্লাহর বান্দা সর্বশেষ নবী হিসেবে স্বীকৃত, তখনও আদম আলাইহিস সালাম তাঁর মাটির মধ্যে মিশে আছেন। আমি তোমাদেরকে অবশ্যই এর ব্যাখ্যা দেব: ইবরাহীম আলাইহিস সালামের দো‘আ, ‘ঈসা আলাইহিস সালাম কর্তৃক তাঁর কাওমের কাছে দেওয়া (আমার) সুসংবাদ এবং আমার মায়ের দেখা স্বপ্ন -তিনি দেখেন যে, তার থেকে এমন এক আলো বের হয়েছে, যার কারণে শাম দেশের প্রাসাদসমূহ আলোকিত হয়ে গেছে।” [আহমাদ ও ত্বাবরানী।]
* ঐতিহাসিকগণ বলেন: যখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাতা আমেনার গর্ভে তখন তিনি (আমেনা) বলেন, আমি তাঁর কারণে কোনো কষ্ট অনুভব করি নি। অতঃপর যখন সে জন্ম লাভ করে, তখন তাঁর সাথে এমন এক আলো বের হয়ে আসে, যা পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত গোটা দুনিয়া আলোকিত করে দেয়।
* আর ‘ইরবাদ ইবন সারিয়া রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত হাদীসে আছে, তিনি বলেন,
«سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ : «إِنِّي عَبْدُ اللَّهِ فِي أُمِّ الْكِتَابِ لَخَاتَمُ النَّبِيِّينَ، وَإِنَّ آدَمَ لَمُنْجَدِلٌ فِي طِينَتِهِ، وَسَأُنَبِّئُكُمْ بِتَأْوِيلِ ذَلِكَ : دَعْوَةِ أَبِي إِبْرَاهِيمَ، وَبِشَارَةِ عِيسَى قَوْمَهُ ، وَرُؤْيَا أُمِّي الَّتِي رَأَتْ ، أَنَّهُ خَرَجَ مِنْهَا نُورٌ أَضَاءَتْ لَهُ قُصُورُ الشَّامِ» .
“আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি: ‘আমি আসমানী কিতাবের মধ্যে আল্লাহর বান্দা সর্বশেষ নবী হিসেবে স্বীকৃত, তখনও আদম আলাইহিস সালাম তাঁর মাটির মধ্যে মিশে আছেন। আমি তোমাদেরকে অবশ্যই এর ব্যাখ্যা দেব: ইবরাহীম আলাইহিস সালামের দো‘আ, ‘ঈসা আলাইহিস সালাম কর্তৃক তাঁর কাওমের কাছে দেওয়া (আমার) সুসংবাদ এবং আমার মায়ের দেখা স্বপ্ন -তিনি দেখেন যে, তার থেকে এমন এক আলো বের হয়েছে, যার কারণে শাম দেশের প্রাসাদসমূহ আলোকিত হয়ে গেছে।” [আহমাদ ও ত্বাবরানী।]