১
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাদকাসক্তির প্রভাব ও তার সমাধান
লেখকঃ ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, মো. মোশাররফ হোসাইন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
দারিদ্র্য বিমোচনে অধিক ব্যয়ঃ
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছে তখনই বলা হয় যখন দেশের জনগণের মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধি পায়। জিডিপি তখনই বৃদ্ধি পায় যখন দেশের প্রত্যেকটি মানুষ উন্নয়নের ক্ষেত্রে কিছু না কিছু অবদান রাখে। মাদকাসক্তির ফলে জনগণের একটি বিরাট অংশ অর্থনীতিকে এগিয়ে নেবার বদলে পিছনের দিকে টেনে ধরছে। দারিদ্র্যের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। মাদকাসক্তের উপার্জন ক্ষমতা হ্রাস পায় বা কখনও কখনও উপার্জনক্ষমতাহীন হয়ে পড়ে বলে তার পক্ষে পরিবারের মৌল মানসিক ও অন্যান্য চাহিদা পূরণে সমস্যা হয়। মাদকাসক্ত পরিবার চরম অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্বিক সমস্যার নিপতিত হতে পারে। [মোঃ রেজাউল ইসলাম, প্রাগুক্ত, পৃ. ১৮৬।]
মদ্যপায়ীর সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ তার আর্থিক দিক। অব্যাহতভাবে মদ্যপান করতে’ প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। এর ফলে সংসার জীবনে আসে দুঃখ দুর্দশা। বেড়ে যায় ঋণের বোঝা। [মোঃ শামছুল আলম ও মোঃ জহিরুল ইসলাম, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ইসলামের ভূমিকা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন পত্রিকা, ৪৫ বর্ষ, ৩য় সংখ্যা, জানুয়ারী-মার্চ ২০০৬, পৃ. ৯৬।] মদপান করা ক্রয় ব্যতিরেকে সম্ভব নয়। জীবনের সকল আয়-রোযগার, পরিশেষে দোকানপাট বিক্রি করে ও কৃষিসম্পদ হারিয়ে ফেলে। সকল বিষয় সম্পত্তি বিক্রি করে সম্পদ হারায় ও দরিদ্রতা ডেকে আনে। [ড. ফখরী আহমদ ওকাজ, ফালসাফাতুল ওকুবাত, জেদ্দাহ: মাকাতাবাতু ওকাজ, ১৮০২ হি. পৃ. ১০১।] সহায়-সম্বল হারিয়ে ব্যক্তি ও পরিবার হয়ে পড়ে অসহায়। এ সব দরিদ্রদের জন্য সরকারকে খরচ কতে হয় বাড়তি টাকা। বাৎসরিক বাজেটে দারিদ্র্য বিমোচন ও অনুন্নয়ন ব্যয় মিলে বরাদ্দ নিতে হয় হাজার হাজার কোটি টাকা। ২০০৮-০৯ সালে বাজেটে এ খাতে উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন ব্যয় মিলে বরাদ্দ ছিল মোট জিডিপির ৯.৫ শতাংশ। [দৈনিক যুগান্তর, ১০ জুন, ২০০৮ (অর্থ উপদেষ্টার বাজেট বক্তৃতার পূর্ণ বিবরণী), পৃ. ৫।] অর্থাৎ প্রায় ৫০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এদের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনায় সরকারকে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয় এবং শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, পুর্নবাসন প্রভৃতি ক্ষেত্রে সরকারকে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয় এবং শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, পুনর্বাসন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।
মদ্যপায়ীর সবচেয়ে বেশি ক্ষতির কারণ তার আর্থিক দিক। অব্যাহতভাবে মদ্যপান করতে’ প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। এর ফলে সংসার জীবনে আসে দুঃখ দুর্দশা। বেড়ে যায় ঋণের বোঝা। [মোঃ শামছুল আলম ও মোঃ জহিরুল ইসলাম, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ইসলামের ভূমিকা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন পত্রিকা, ৪৫ বর্ষ, ৩য় সংখ্যা, জানুয়ারী-মার্চ ২০০৬, পৃ. ৯৬।] মদপান করা ক্রয় ব্যতিরেকে সম্ভব নয়। জীবনের সকল আয়-রোযগার, পরিশেষে দোকানপাট বিক্রি করে ও কৃষিসম্পদ হারিয়ে ফেলে। সকল বিষয় সম্পত্তি বিক্রি করে সম্পদ হারায় ও দরিদ্রতা ডেকে আনে। [ড. ফখরী আহমদ ওকাজ, ফালসাফাতুল ওকুবাত, জেদ্দাহ: মাকাতাবাতু ওকাজ, ১৮০২ হি. পৃ. ১০১।] সহায়-সম্বল হারিয়ে ব্যক্তি ও পরিবার হয়ে পড়ে অসহায়। এ সব দরিদ্রদের জন্য সরকারকে খরচ কতে হয় বাড়তি টাকা। বাৎসরিক বাজেটে দারিদ্র্য বিমোচন ও অনুন্নয়ন ব্যয় মিলে বরাদ্দ নিতে হয় হাজার হাজার কোটি টাকা। ২০০৮-০৯ সালে বাজেটে এ খাতে উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন ব্যয় মিলে বরাদ্দ ছিল মোট জিডিপির ৯.৫ শতাংশ। [দৈনিক যুগান্তর, ১০ জুন, ২০০৮ (অর্থ উপদেষ্টার বাজেট বক্তৃতার পূর্ণ বিবরণী), পৃ. ৫।] অর্থাৎ প্রায় ৫০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এদের নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনায় সরকারকে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয় এবং শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, পুর্নবাসন প্রভৃতি ক্ষেত্রে সরকারকে বৃহৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হয় এবং শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান, পুনর্বাসন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়।