১
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাদকাসক্তির প্রভাব ও তার সমাধান
লেখকঃ ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, মো. মোশাররফ হোসাইন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
কালো টাকার আধিক্য ও মুদ্রাস্ফীতি:
অবৈধ মাদকদ্রব্যের ব্যবসা বা চোরাচালান বর্তমান সময়ে দ্রুত ধনী হওয়ার সহজতম পথ। মাদকদ্রব্য পাচারের বদৌলতে এ ব্যবসায়ে নিযুক্ত কোটি ডলারের মালিক হয়েছে অনেকেই। [মুহাম্মদ সামাদ, প্রাগুক্ত, পৃ. ১৫০।] এ অবৈধ অর্থ ভাণ্ডারের দুর্নীতিময় প্রভাব সমাজের সকল স্তরে লক্ষ্য করা যায়। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায় থেকে উচ্চতর পর্যায়ে এই প্রভাব যথেষ্ট লক্ষণীয়। যেহেতু প্রধান মাদকদ্রব্য পাচারকারীদের হাতে মাত্রাহীন অর্থ মজুদ থাকে, সরকারী কর্মকর্তাদের ঘুষ প্রদানের ব্যয়কে তারা তাই সঠিক ক্ষেত্রে অর্থলগ্নি হিসেবেই গণ্য করে থাকে। তাদের কর্মকাণ্ড কেবল এখানেই সীমিত থাকে না। ভোটকে প্রভাবিত করতে, আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা, বিচারক অথবা আইন প্রয়োগকারীদের ‘ক্রয়’ করতে, আন্তর্জাতিক চুক্তিসমূহের কার্যকারিতাকে প্রভাবান্বিত করতে মাদকদ্রব্য পাচারকারীর অবাধে মাদক ডলার ব্যয় করতে থাকে। [কাজী আলী রেজা, প্রাগুক্ত, পৃ. ৪১-৪২।] এভাবে এরা দেশের আইন-শৃঙ্খলাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে জাতীয় অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার উন্নয়নশীল দেশসমূহে সামরিক বেসামরিক আমলাতন্ত্রের সহায়তার ‘কালো টাকা’র মালিকরা প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও সন্ত্রাস সৃষ্টি, ভোটকে প্রভাবিত করা তথা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করার পেছনে মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। [প্রাগুক্ত।] মাদক পাচারে কোটি কোটি টাকা লভ্যাংশ পাওয়ার ফলে অনেক সময় প্রশাসনিক দুর্নীতি লক্ষ্য করা যায়। এর ফলে মাদকের সাথে সাথে অন্যান্য ক্ষেত্রে চোরাচালান বৃদ্ধি পায়। আবার এর মাধ্যমে অনেকে কালো টাকার মালিক হয়ে টাকার অপব্যবহার করে। [মোঃ রেজাউল ইসলাম, প্রাগুক্ত, পৃ. ১৮৮।] সমাজের দুষ্ট কিছু লোক মাদকের অবৈধ পাচার ও ব্যবসার মাধ্যমে টাকার পাহাড় গড়ে তুলে। কিছু হাতে টাকা কুক্ষিগত হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের ভাবমুর্তি নষ্ট হয়।
এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার উন্নয়নশীল দেশসমূহে সামরিক বেসামরিক আমলাতন্ত্রের সহায়তার ‘কালো টাকা’র মালিকরা প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও সন্ত্রাস সৃষ্টি, ভোটকে প্রভাবিত করা তথা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বিপন্ন করার পেছনে মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। [প্রাগুক্ত।] মাদক পাচারে কোটি কোটি টাকা লভ্যাংশ পাওয়ার ফলে অনেক সময় প্রশাসনিক দুর্নীতি লক্ষ্য করা যায়। এর ফলে মাদকের সাথে সাথে অন্যান্য ক্ষেত্রে চোরাচালান বৃদ্ধি পায়। আবার এর মাধ্যমে অনেকে কালো টাকার মালিক হয়ে টাকার অপব্যবহার করে। [মোঃ রেজাউল ইসলাম, প্রাগুক্ত, পৃ. ১৮৮।] সমাজের দুষ্ট কিছু লোক মাদকের অবৈধ পাচার ও ব্যবসার মাধ্যমে টাকার পাহাড় গড়ে তুলে। কিছু হাতে টাকা কুক্ষিগত হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে দেশের ভাবমুর্তি নষ্ট হয়।