hadith book logo

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাদকাসক্তির প্রভাব ও তার সমাধান

লেখকঃ ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, মো. মোশাররফ হোসাইন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১৭

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে জাতিসংঘের ভূমিকা

(ক) ১৯৪৬-এর প্রটোকল, (খ) ১৯৪৮-এর প্রটোকল (গ) ১৯৫৩-এর প্রটোকল: যা ১৯৬৩ সালের ৮ মার্চ কার্যকর হয়। (ঘ) মাদকদ্রব্য বিষয়ক একক কনভেনশন, ১৯৬১ (ঙ) একক কনভেনশন সংশোধন করে ১৯৭২-এর প্রটোকল। (চ) মানসিক অবস্থান পরিবর্তন সৃষ্টিকারী দ্রব্যাদি বিষয়ক কনভেনশন, ১৯৭১। (ছ) আন্তর্জাতিক মাদকদ্রব্য অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা ১৯৮১। (জ) মাদকদ্রব্য চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য অপব্যবহার নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক ১৯৮৪ সালের ঘোষণা। (ঝ) মাদকদ্রব্য অপব্যবহার ও চোরাচালান সংক্রান্ত ১৯৮৭ সালের আন্তর্জাতিক সম্মেলন। (ঞ) নেশাকারী মাদকদ্রব্যের চোরাচালানের বিরুদ্ধ জাতিসংঘ কনভেনশন। [প্রাগুক্ত, পৃ. ৮৩-৯৫।]

বাংলাদেশ: (ক) ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধ নীতি, (খ) ১৯৮৪ সালে আফিম এবং মদের বিকল্প হিসাবে বহুল ব্যবহৃত মৃত সঞ্জীবনী সূরা নিষিদ্ধকরণ; (গ) ১৯৮৭ সালে গাঁজার চাষ বন্ধ করা এবং ১৯৮৯ সালে সমস্ত গাঁজার দোকান তুলে দেয়া। (ঘ) ‘‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯০’’ প্রণয়ন। [. প্রাগুক্ত, পৃ. ২১।]

রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করে উপর্যুক্ত আইন ও বিভিন্ন শাস্তির বিধান করে মাদকাসক্তি নির্মূল করাতো দূরের কথা বরং তার গতিকে একটুও কমানো যায় নি। কিন্তু আল-কুরআনের দেয়া বিজ্ঞানিক ফর্মূলা এমন এক জাতিকে মাদকমুক্ত করেছিল যে জাতি ছিল ১০০% মাদকাসক্ত। মাদকাসক্ত করণে আল-কুরআনের কৌশল পত্রটি নিম্নরূপ: