১
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মাদকাসক্তির প্রভাব ও তার সমাধান
লেখকঃ ড. মো. মুস্তাফিজুর রহমান, মো. মোশাররফ হোসাইন • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৯
পবিত্র কুরআনের পাশাপাশি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়ালামও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন।
তিনি বলেন:
সকল নেশার জিনিসই মাদক এবং সকল নেশার জিনিসই হারাম। যে ব্যক্তি মাদকে মাতাল অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল সে পরকালের পানীয় পান করতে পারবে না। [সুলাইমান ইবনু আল-আশআস, সুনানু আবি দাউদ, প্রাগুক্ত, পৃ. ৫১৮। হাদীস নং ৩৬৭৯।]
সব নেশার জিনিসই হারাম। আর যার সামান্য পরিমাণও মানুষকে নেশাগ্রস্ত করে তার পূর্ণ অঞ্জলি পরিমাণও হারাম। [সুলাইমান ইবনু আল-আশ‘আস, সুনানু আবি দাউদ, প্রাগুক্ত, পৃ. ৫১৯। হাদীস নং ৩৬৮১।]
যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মদ পান করে এবং তওবা না করে মৃত্যুবরণ করে, সে পরকালে পানীয় পান করতে পারবে না। [মুহাম্মদ ইবনু ইসমাইল, আল-বুখারী, প্রাগুক্ত, পৃ. ৮৩৬। হাদীস নং ৫৫৭৫।]
মদ সকল অপবিত্রতার মূল। [সুনান আন-নাসাঈ, হাদীস নং ৫৬৬৬; ৫৬৬৭। তবে উসমান রা. থেকে মাওকূফ হিসেবে বর্ণিত।]
অন্য বর্ণনায় আছে, মদ সব অশ্লীল কাজের মূল এবং সবচাইতে বড় গুনাহের কাজ। যে মদ খায় সে সালাত বর্জন করে, আর সে যেন তার মা, খালা ও ফুফীর সম্ভ্রম হানি করে। [দারা কুতনী, হাদীস নং ৪৬১২; দুর্বল সনদে।]
সকল নেশার জিনিসই মাদক এবং সকল নেশার জিনিসই হারাম। যে ব্যক্তি মাদকে মাতাল অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল সে পরকালের পানীয় পান করতে পারবে না। [সুলাইমান ইবনু আল-আশআস, সুনানু আবি দাউদ, প্রাগুক্ত, পৃ. ৫১৮। হাদীস নং ৩৬৭৯।]
সব নেশার জিনিসই হারাম। আর যার সামান্য পরিমাণও মানুষকে নেশাগ্রস্ত করে তার পূর্ণ অঞ্জলি পরিমাণও হারাম। [সুলাইমান ইবনু আল-আশ‘আস, সুনানু আবি দাউদ, প্রাগুক্ত, পৃ. ৫১৯। হাদীস নং ৩৬৮১।]
যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মদ পান করে এবং তওবা না করে মৃত্যুবরণ করে, সে পরকালে পানীয় পান করতে পারবে না। [মুহাম্মদ ইবনু ইসমাইল, আল-বুখারী, প্রাগুক্ত, পৃ. ৮৩৬। হাদীস নং ৫৫৭৫।]
মদ সকল অপবিত্রতার মূল। [সুনান আন-নাসাঈ, হাদীস নং ৫৬৬৬; ৫৬৬৭। তবে উসমান রা. থেকে মাওকূফ হিসেবে বর্ণিত।]
অন্য বর্ণনায় আছে, মদ সব অশ্লীল কাজের মূল এবং সবচাইতে বড় গুনাহের কাজ। যে মদ খায় সে সালাত বর্জন করে, আর সে যেন তার মা, খালা ও ফুফীর সম্ভ্রম হানি করে। [দারা কুতনী, হাদীস নং ৪৬১২; দুর্বল সনদে।]