১
কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ
লেখকঃ ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৬
মৌমাছি ও এর দক্ষতা
মহান আল্লাহ বলেনঃ
وَ اَوۡحٰی رَبُّکَ اِلَی النَّحۡلِ اَنِ اتَّخِذِیۡ مِنَ الۡجِبَالِ بُیُوۡتًا وَّ مِنَ الشَّجَرِ وَ مِمَّا یَعۡرِشُوۡنَ . ثُمَّ کُلِیۡ مِنۡ کُلِّ الثَّمَرٰتِ فَاسۡلُکِیۡ سُبُلَ رَبِّکِ ذُلُلًا
“আপনার প্রতিপালক মৌমাছিকে আদেশ দিলেনঃ পাহাড়-পর্বতের গায়ে, গাছে এবং উঁচু চালে ঘর তৈরি কর। এরপর সকল প্রকার ফল থেকে খাও এবং আপন পালনকর্তার উন্মুক্ত পথ সমূহে চল।” –সূরা আন নহল-৬৮-৬৯
১৯৭৩ সালে, Von Frisch, মৌমাছির আচরণ ও যোগাযোগের উপর গবেষণার জন্য নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন। মৌমাছি কোন নতুন ফুলের বাগানের সন্ধান পেলে মৌচাকে ফিরে আসে এবং মৌমাছির নাচ’ নামক আচরণ দ্বারা অন্যান্য সাথীদেরকে সে বাগানের হবুহু দিক ও মানচিত্র বলে দেয়। অন্যান্য শ্রমিক মৌমাছিকে তথ্য দেয়ার লক্ষ্যে এ আচরণের বিষয়টি ক্যামেরার সাহায্যে ছবি গ্রহণ সহ অন্যান্য পদ্ধতির মাধ্যমে বৈজ্ঞানিকভাবে আবিষ্কৃত সত্য। উপরোক্ত আয়াতে, পবিত্র কোরআন মৌমাছি কিভাবে নিজ দক্ষতার মাধ্যমে নিজ প্রভূর প্রশস্ত পথের সন্ধান পায় তা তুলে ধরা হয়েছে।
অধিকন্তু, উপরোক্ত আয়াতে উল্লেখিত ক্রিয়াপদে স্ত্রীলিঙ্গ ব্যবহৃত হয়েছে। (অর্থাৎ کلى এবং فاسلکى চল ও খাও) এর দ্বারা ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, খাদ্যের অন্বেষণে বাসা ত্যাগকারী মৌমাছি হল স্ত্রী মৌমাছি। অন্যকথায়, সৈনিক বা কর্মী মৌমাছি হল স্ত্রী জাতীয়।
মূলতঃ শেক্সপিয়ারের ‘Henry the fourth’ নাটকের কিছু চরিত্রে মৌমাছি সম্পর্কে আলোচনা এসেছে। সেখানে মৌমাছিকে সৈনিক উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে তাদের একজন রাজা আছে। শেক্সপিয়ারের যুগে মানুষ এরকমই চিন্তা করত। তাদের ধারণা যে, শ্রমিক মৌমাছিরা পুরুষ। তারা ঘরে ফিরে রাজা মৌমাছির কাছে জবাবদিহী করে। যাই হোক এটা সত্য নয়। শ্রমিক মৌমাছিরা স্ত্রী জাতীয় এবং তারা রাজার কাছে নয়, বরং রাণীর কাছে জবাবদিহী করে। আজ থেকে ৩শ বছর আগে আধুনিক গবেষণায় তা আবিষ্কৃত হয়েছে। অথচ, কোরআন তা ১৪শ বছর আগে বলেছে।
وَ اَوۡحٰی رَبُّکَ اِلَی النَّحۡلِ اَنِ اتَّخِذِیۡ مِنَ الۡجِبَالِ بُیُوۡتًا وَّ مِنَ الشَّجَرِ وَ مِمَّا یَعۡرِشُوۡنَ . ثُمَّ کُلِیۡ مِنۡ کُلِّ الثَّمَرٰتِ فَاسۡلُکِیۡ سُبُلَ رَبِّکِ ذُلُلًا
“আপনার প্রতিপালক মৌমাছিকে আদেশ দিলেনঃ পাহাড়-পর্বতের গায়ে, গাছে এবং উঁচু চালে ঘর তৈরি কর। এরপর সকল প্রকার ফল থেকে খাও এবং আপন পালনকর্তার উন্মুক্ত পথ সমূহে চল।” –সূরা আন নহল-৬৮-৬৯
১৯৭৩ সালে, Von Frisch, মৌমাছির আচরণ ও যোগাযোগের উপর গবেষণার জন্য নোবেল পুরষ্কার পেয়েছেন। মৌমাছি কোন নতুন ফুলের বাগানের সন্ধান পেলে মৌচাকে ফিরে আসে এবং মৌমাছির নাচ’ নামক আচরণ দ্বারা অন্যান্য সাথীদেরকে সে বাগানের হবুহু দিক ও মানচিত্র বলে দেয়। অন্যান্য শ্রমিক মৌমাছিকে তথ্য দেয়ার লক্ষ্যে এ আচরণের বিষয়টি ক্যামেরার সাহায্যে ছবি গ্রহণ সহ অন্যান্য পদ্ধতির মাধ্যমে বৈজ্ঞানিকভাবে আবিষ্কৃত সত্য। উপরোক্ত আয়াতে, পবিত্র কোরআন মৌমাছি কিভাবে নিজ দক্ষতার মাধ্যমে নিজ প্রভূর প্রশস্ত পথের সন্ধান পায় তা তুলে ধরা হয়েছে।
অধিকন্তু, উপরোক্ত আয়াতে উল্লেখিত ক্রিয়াপদে স্ত্রীলিঙ্গ ব্যবহৃত হয়েছে। (অর্থাৎ کلى এবং فاسلکى চল ও খাও) এর দ্বারা ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, খাদ্যের অন্বেষণে বাসা ত্যাগকারী মৌমাছি হল স্ত্রী মৌমাছি। অন্যকথায়, সৈনিক বা কর্মী মৌমাছি হল স্ত্রী জাতীয়।
মূলতঃ শেক্সপিয়ারের ‘Henry the fourth’ নাটকের কিছু চরিত্রে মৌমাছি সম্পর্কে আলোচনা এসেছে। সেখানে মৌমাছিকে সৈনিক উল্লেখ করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে তাদের একজন রাজা আছে। শেক্সপিয়ারের যুগে মানুষ এরকমই চিন্তা করত। তাদের ধারণা যে, শ্রমিক মৌমাছিরা পুরুষ। তারা ঘরে ফিরে রাজা মৌমাছির কাছে জবাবদিহী করে। যাই হোক এটা সত্য নয়। শ্রমিক মৌমাছিরা স্ত্রী জাতীয় এবং তারা রাজার কাছে নয়, বরং রাণীর কাছে জবাবদিহী করে। আজ থেকে ৩শ বছর আগে আধুনিক গবেষণায় তা আবিষ্কৃত হয়েছে। অথচ, কোরআন তা ১৪শ বছর আগে বলেছে।