১
কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ
লেখকঃ ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
লেখকের ভূমিকা
بِسۡمِ اللّٰهِ الرَّحۡمٰنِ الرَّحِیۡمِ
ভূপৃষ্ঠে মানুষের অস্তিত্বের প্রথম দিন থেকেই তারা প্রকৃতিকে বুঝতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে সৃষ্টি পরিকল্পনায় নিজেদের মর্যাদা এবং জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। সত্য অন্বেষণের ধারাবাহিকতায় শত শত বছরব্যাপী বিভিন্ন সভ্যতার মধ্য দিয়ে সুসংবদ্ধ ধর্ম মানবজীবনকে সুসংগঠিত এবং ইতিহাসের গতি নির্ধারণ করেছে। কিছু ধর্ম তো লিখিত পুস্তক আকারে আছে এবং অনুরাগীরা সে গুলোকে ঐশী প্রত্যাদেশ হিসেবে দাবী করে। আর কিছু ধর্ম আছে যেগুলো কেবল মাত্র মানবিক অভিজ্ঞতার ফসল।
ইসলামী বিশ্বাসের মূল উৎস হচ্ছে, আল-কোরআন। মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে এবং তা গোটা মানব জাতির জন্য হেদায়েত। কোরআন যেহেতু সকল যুগের জন্য, তাই তা সকল যুগের জন্যই সামঞ্জস্যপূণ্য। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কোরআন কি সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।
আমি এ পুস্তিকায় কোরআনের ঐশী উৎসের আলোকে প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের নিরীখে মুসলমানের ধর্মীয় বিশ্বাসের বস্তুনিষ্ঠ ব্যাখ্যা দিতে চাই।
বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে এমন এক সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন ‘অলৌকিকতা’ অথবা ‘অনুভূত অলৌকিকতা’ মানবিক যুক্তি ও কারণের উপর অগ্রগণ্য ছিল। ‘অলৌকিকতা’র সাধারণ সংজ্ঞা হল, যা স্বাভাবিক নিয়ম বহির্ভূত এবং মানুষের কাছে যার কোন ব্যাখ্যা নেই।
কোন ‘অলৌকিক’ বিষয়কে গ্রহণ করার আগে আমাদেরকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। ১৯৯৩ সনে মোম্বাই থেকে প্রকাশিত ‘The Times of India’ পত্রিকা লিখেছে, ‘বাবা পাইলট’ নামক এক ব্যক্তি পানির রিজার্ভারের নীচের অংশে একাধারে তিন–দিন ও রাত কাটানোর দাবী করে। সাংবাদিকরা সে রিজার্ভারটির তলদেশ পরীক্ষার দাবী জানালে সে তাদেরকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। তার যুক্তি ছিল, যে মা সন্তান প্রসব করে, সে মায়ের পেট কিভাবে পরীক্ষা করা যায়? এখানে ‘সাধু’ ব্যক্তিটি অবশ্যই কিছু লুকানোর চেষ্টা করেছে। সে আত্ম প্রকাশের লক্ষ্যে প্রতারণার কৌশল গ্রহণ করেছে। কোন আধুনিক ব্যক্তি কিংবা সামান্যতম যৌক্তিক চিন্তার অধিকারী লোকও এ জাতীয় ‘অলৌকিকতাকে’ গ্রহণ করতে পারেনা।
এজাতীয় মিথ্যা অলৌকিকতা যদি ঐশী পরীক্ষা হয় তাহলে, বিশ্বের যাদু কৌশল ও মিথ্যার রূপকার—প্রসিদ্ধ যাদুকরদেরকে সত্যিকার আল্লাহভক্ত মানুষ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
ঐশী গ্রন্থ অবশ্যই অলৌকিক হবে। এজাতীয় দাবী যুগের অবস্থাভেদে পরীক্ষাযোগ্য হওয়া উচিত। মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে, কোরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবতার প্রতি দয়া হিসেবে নাযিলকৃত সর্বশেষ গ্রন্থ যা সকল অলৌকিকতার সেরা। এখন আমরা এই বিশ্বাসের যথার্থতা পরীক্ষা করে দেখবো।
ভূপৃষ্ঠে মানুষের অস্তিত্বের প্রথম দিন থেকেই তারা প্রকৃতিকে বুঝতে চেয়েছে, বুঝতে চেয়েছে সৃষ্টি পরিকল্পনায় নিজেদের মর্যাদা এবং জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। সত্য অন্বেষণের ধারাবাহিকতায় শত শত বছরব্যাপী বিভিন্ন সভ্যতার মধ্য দিয়ে সুসংবদ্ধ ধর্ম মানবজীবনকে সুসংগঠিত এবং ইতিহাসের গতি নির্ধারণ করেছে। কিছু ধর্ম তো লিখিত পুস্তক আকারে আছে এবং অনুরাগীরা সে গুলোকে ঐশী প্রত্যাদেশ হিসেবে দাবী করে। আর কিছু ধর্ম আছে যেগুলো কেবল মাত্র মানবিক অভিজ্ঞতার ফসল।
ইসলামী বিশ্বাসের মূল উৎস হচ্ছে, আল-কোরআন। মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে এবং তা গোটা মানব জাতির জন্য হেদায়েত। কোরআন যেহেতু সকল যুগের জন্য, তাই তা সকল যুগের জন্যই সামঞ্জস্যপূণ্য। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কোরআন কি সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।
আমি এ পুস্তিকায় কোরআনের ঐশী উৎসের আলোকে প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের নিরীখে মুসলমানের ধর্মীয় বিশ্বাসের বস্তুনিষ্ঠ ব্যাখ্যা দিতে চাই।
বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে এমন এক সময় অতিবাহিত হয়েছে যখন ‘অলৌকিকতা’ অথবা ‘অনুভূত অলৌকিকতা’ মানবিক যুক্তি ও কারণের উপর অগ্রগণ্য ছিল। ‘অলৌকিকতা’র সাধারণ সংজ্ঞা হল, যা স্বাভাবিক নিয়ম বহির্ভূত এবং মানুষের কাছে যার কোন ব্যাখ্যা নেই।
কোন ‘অলৌকিক’ বিষয়কে গ্রহণ করার আগে আমাদেরকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। ১৯৯৩ সনে মোম্বাই থেকে প্রকাশিত ‘The Times of India’ পত্রিকা লিখেছে, ‘বাবা পাইলট’ নামক এক ব্যক্তি পানির রিজার্ভারের নীচের অংশে একাধারে তিন–দিন ও রাত কাটানোর দাবী করে। সাংবাদিকরা সে রিজার্ভারটির তলদেশ পরীক্ষার দাবী জানালে সে তাদেরকে অনুমতি দিতে অস্বীকার করে। তার যুক্তি ছিল, যে মা সন্তান প্রসব করে, সে মায়ের পেট কিভাবে পরীক্ষা করা যায়? এখানে ‘সাধু’ ব্যক্তিটি অবশ্যই কিছু লুকানোর চেষ্টা করেছে। সে আত্ম প্রকাশের লক্ষ্যে প্রতারণার কৌশল গ্রহণ করেছে। কোন আধুনিক ব্যক্তি কিংবা সামান্যতম যৌক্তিক চিন্তার অধিকারী লোকও এ জাতীয় ‘অলৌকিকতাকে’ গ্রহণ করতে পারেনা।
এজাতীয় মিথ্যা অলৌকিকতা যদি ঐশী পরীক্ষা হয় তাহলে, বিশ্বের যাদু কৌশল ও মিথ্যার রূপকার—প্রসিদ্ধ যাদুকরদেরকে সত্যিকার আল্লাহভক্ত মানুষ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
ঐশী গ্রন্থ অবশ্যই অলৌকিক হবে। এজাতীয় দাবী যুগের অবস্থাভেদে পরীক্ষাযোগ্য হওয়া উচিত। মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে, কোরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে মানবতার প্রতি দয়া হিসেবে নাযিলকৃত সর্বশেষ গ্রন্থ যা সকল অলৌকিকতার সেরা। এখন আমরা এই বিশ্বাসের যথার্থতা পরীক্ষা করে দেখবো।