১
কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ
লেখকঃ ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৪০
শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তির অনুভূতি
বিকাশমান মানবিক ভ্রূণের মধ্যে প্রথম যে অনুভূতিটি সৃষ্টি হয় সেটি হল, শ্রবণ শক্তির অনুভূতি। ২৪ সপ্তাহ পর ভ্রূণ, শব্দ শুনতে পায়। তারপর দৃষ্টিশক্তি সৃষ্টি হয় এবং ২৮ সপ্তাহ পরে রেটিনা বা অক্ষিপট আলোর প্রতি সংবেদনশীল হয়। আল্লাহ কোরআন মজীদে বলেনঃ
وَ جَعَلَ لَکُمُ السَّمۡعَ وَ الۡاَبۡصَارَ وَ الۡاَفۡـِٕدَۃَ
“এবং তোমাদেরকে দেন কান চোখ ও অন্তর।” –সূরা সাজদাহ-৯
আল্লাহ আরো বলেনঃ
اِنَّا خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ مِنۡ نُّطۡفَۃٍ اَمۡشَاجٍ ٭ۖ نَّبۡتَلِیۡہِ فَجَعَلۡنٰہُ سَمِیۡعًۢا بَصِیۡرًا
“আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্রবিন্দু থেকে– এভাবে তাকে পরীক্ষা করবো। অতঃপর তাকে দিয়েছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি।” –সূরা দাহর-২
আল্লাহ আরো বলেনঃ
وَ ہُوَ الَّذِیۡۤ اَنۡشَاَ لَکُمُ السَّمۡعَ وَ الۡاَبۡصَارَ وَ الۡاَفۡـِٕدَۃَ ؕ قَلِیۡلًا مَّا تَشۡکُرُوۡنَ
“তিনি তোমাদের কান, চোখ অন্তঃকরণ সৃষ্টি করেছেন, তোমরা খুবই অল্প কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে থাক।” -সূরা- আল-মোমেনুন-৭৮
উপরোক্ত আয়াতসমূহে দৃষ্টিশক্তির আগে শ্রবণ শক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বুঝা যায় যে, আধুনিক ভ্রূণ বিজ্ঞানের সাথে কোরআনের বর্ণনা পরিপূর্ণ ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ
وَ جَعَلَ لَکُمُ السَّمۡعَ وَ الۡاَبۡصَارَ وَ الۡاَفۡـِٕدَۃَ
“এবং তোমাদেরকে দেন কান চোখ ও অন্তর।” –সূরা সাজদাহ-৯
আল্লাহ আরো বলেনঃ
اِنَّا خَلَقۡنَا الۡاِنۡسَانَ مِنۡ نُّطۡفَۃٍ اَمۡشَاجٍ ٭ۖ نَّبۡتَلِیۡہِ فَجَعَلۡنٰہُ سَمِیۡعًۢا بَصِیۡرًا
“আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি মিশ্র শুক্রবিন্দু থেকে– এভাবে তাকে পরীক্ষা করবো। অতঃপর তাকে দিয়েছি শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি।” –সূরা দাহর-২
আল্লাহ আরো বলেনঃ
وَ ہُوَ الَّذِیۡۤ اَنۡشَاَ لَکُمُ السَّمۡعَ وَ الۡاَبۡصَارَ وَ الۡاَفۡـِٕدَۃَ ؕ قَلِیۡلًا مَّا تَشۡکُرُوۡنَ
“তিনি তোমাদের কান, চোখ অন্তঃকরণ সৃষ্টি করেছেন, তোমরা খুবই অল্প কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে থাক।” -সূরা- আল-মোমেনুন-৭৮
উপরোক্ত আয়াতসমূহে দৃষ্টিশক্তির আগে শ্রবণ শক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বুঝা যায় যে, আধুনিক ভ্রূণ বিজ্ঞানের সাথে কোরআনের বর্ণনা পরিপূর্ণ ভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ