১
কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ
লেখকঃ ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
চাঁদের আলো হচ্ছে প্রতিফলিত আলো
আগের সভ্যতাগুলোর ধারণা ছিল, চাদের নিজস্ব আলো আছে। কিন্তু বিজ্ঞান বর্তমানে আমাদেরকে বলে যে, চাঁদের আলো হচ্ছে প্রতিফলিত আলো। এ সত্যটি কোরআন আমাদেরকে আজ থেকে ১৪শ বছর আগে বলেছে। আল্লাহ বলেনঃ
تَبٰرَکَ الَّذِیۡ جَعَلَ فِی السَّمَآءِ بُرُوۡجًا وَّ جَعَلَ فِیۡہَا سِرٰجًا وَّ قَمَرًا مُّنِیۡرًا
কল্যাণময় তিনি, যিনি নভোমণ্ডলকে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে রেখেছেন সূর্য ও দীপ্তিময় চন্দ্র।” -সূরা ফুরকান-৬১
আরবীতে সূর্যকে شمس বলে। কোরআনে سراج শব্দ দ্বারাও সূর্য বুঝানো হয়েছে। এর অর্থ হল, বাতি বা মশাল। অন্য জায়গায়, সূর্যকে سراجا وهاجا উল্লেখ করা হয়েছে। এর অর্থ হল জ্বলন্ত কিরণোজ্জল বাতি বা মশাল।’ অন্য আরেক জায়গায়, একই অর্থ বুঝানোর জন্য ضياء শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর অর্থ হল ‘কিরণোজ্জল সুর্য’। এই তিনটি বর্ণনাই সূর্যের উপযোগী। কেননা, সূর্য নিজ দহনক্রিয়ায় ব্যাপক তাপ ও আলো উৎপাদন করে।
চাঁদের আরবী প্রতিশব্দ হল اقمر কোরআন চাঁদকে منير বলেছে। এর অর্থ হল ‘স্নিগ্ধ আলোদানকারী।’ অর্থাৎ প্রতিফলিত আলো দেয়। কোরআনের বর্ণনা চাদের আসল প্রকৃতির সাথে খাপ খায়। চাঁদ নিজ থেকে আলো দেয় না। বরং তা এমন এক নিষ্ক্রীয় জিনিস যার উপর সূর্যের আলোর প্রতিবিম্ব ঘটে। কোরআনে কখনও চাদকে وهاخ ،سراج কিংবা ضياء বলা হয়নি এবং সূর্যকেও نور কিংবা منير বলা হয়নি।
এর দ্বারা বুঝা যায় যে, কোরআন সূর্য ও চাদের আলোর মধ্যকার পার্থক্যকে স্বীকার করে।
নিম্নের আয়াত, চাঁদ ও সূর্যের আলোর প্রকৃতি উল্লেখ করেছে। আল্লাহ বলেনঃ
ہُوَ الَّذِیۡ جَعَلَ الشَّمۡسَ ضِیَآءً وَّ الۡقَمَرَ نُوۡرًا
“তিনিই সে সত্তা যিনি সূর্যকে কিরণোজ্জল এবং চাঁদকে স্নিগ্ধ আলোয় আলোকিত করেছেন।” -সূরা ইউনুস-৫
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরো বলেনঃ
اَلَمۡ تَرَوۡا کَیۡفَ خَلَقَ اللّٰہُ سَبۡعَ سَمٰوٰتٍ طِبَاقًا . وَّ جَعَلَ الۡقَمَرَ فِیۡہِنَّ نُوۡرًا وَّ جَعَلَ الشَّمۡسَ سِرَاجًا
“তোমরা কি লক্ষ্য করনা যে, আল্লাহ কিভাবে সাত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন, সেখানে চাঁদকে রেখেছেন স্নিগ্ধ আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে?” -সূরা নূহ-১৫-১৬
মহান কোরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞান চাঁদ ও সূর্যের আলোর ব্যবধানের ব্যাপারে অভিজ্ঞ কথা বলে।
تَبٰرَکَ الَّذِیۡ جَعَلَ فِی السَّمَآءِ بُرُوۡجًا وَّ جَعَلَ فِیۡہَا سِرٰجًا وَّ قَمَرًا مُّنِیۡرًا
কল্যাণময় তিনি, যিনি নভোমণ্ডলকে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে রেখেছেন সূর্য ও দীপ্তিময় চন্দ্র।” -সূরা ফুরকান-৬১
আরবীতে সূর্যকে شمس বলে। কোরআনে سراج শব্দ দ্বারাও সূর্য বুঝানো হয়েছে। এর অর্থ হল, বাতি বা মশাল। অন্য জায়গায়, সূর্যকে سراجا وهاجا উল্লেখ করা হয়েছে। এর অর্থ হল জ্বলন্ত কিরণোজ্জল বাতি বা মশাল।’ অন্য আরেক জায়গায়, একই অর্থ বুঝানোর জন্য ضياء শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর অর্থ হল ‘কিরণোজ্জল সুর্য’। এই তিনটি বর্ণনাই সূর্যের উপযোগী। কেননা, সূর্য নিজ দহনক্রিয়ায় ব্যাপক তাপ ও আলো উৎপাদন করে।
চাঁদের আরবী প্রতিশব্দ হল اقمر কোরআন চাঁদকে منير বলেছে। এর অর্থ হল ‘স্নিগ্ধ আলোদানকারী।’ অর্থাৎ প্রতিফলিত আলো দেয়। কোরআনের বর্ণনা চাদের আসল প্রকৃতির সাথে খাপ খায়। চাঁদ নিজ থেকে আলো দেয় না। বরং তা এমন এক নিষ্ক্রীয় জিনিস যার উপর সূর্যের আলোর প্রতিবিম্ব ঘটে। কোরআনে কখনও চাদকে وهاخ ،سراج কিংবা ضياء বলা হয়নি এবং সূর্যকেও نور কিংবা منير বলা হয়নি।
এর দ্বারা বুঝা যায় যে, কোরআন সূর্য ও চাদের আলোর মধ্যকার পার্থক্যকে স্বীকার করে।
নিম্নের আয়াত, চাঁদ ও সূর্যের আলোর প্রকৃতি উল্লেখ করেছে। আল্লাহ বলেনঃ
ہُوَ الَّذِیۡ جَعَلَ الشَّمۡسَ ضِیَآءً وَّ الۡقَمَرَ نُوۡرًا
“তিনিই সে সত্তা যিনি সূর্যকে কিরণোজ্জল এবং চাঁদকে স্নিগ্ধ আলোয় আলোকিত করেছেন।” -সূরা ইউনুস-৫
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরো বলেনঃ
اَلَمۡ تَرَوۡا کَیۡفَ خَلَقَ اللّٰہُ سَبۡعَ سَمٰوٰتٍ طِبَاقًا . وَّ جَعَلَ الۡقَمَرَ فِیۡہِنَّ نُوۡرًا وَّ جَعَلَ الشَّمۡسَ سِرَاجًا
“তোমরা কি লক্ষ্য করনা যে, আল্লাহ কিভাবে সাত আকাশ স্তরে স্তরে সৃষ্টি করেছেন, সেখানে চাঁদকে রেখেছেন স্নিগ্ধ আলোরূপে এবং সূর্যকে রেখেছেন প্রদীপরূপে?” -সূরা নূহ-১৫-১৬
মহান কোরআন এবং আধুনিক বিজ্ঞান চাঁদ ও সূর্যের আলোর ব্যবধানের ব্যাপারে অভিজ্ঞ কথা বলে।