১
কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ
লেখকঃ ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৬
লিঙ্গ নির্ধারণ
ভ্রূণের লিঙ্গ শুক্রের আকৃতি দ্বারা নির্ধারিত হয়, ডিম দ্বারা নয়। শিশু পুরুষ লিঙ্গ বা স্ত্রী লিঙ্গ যাই হোক না কেন তা নির্ভর করে XX অথবা XY জাতীয় ৩৩ জোড়া ক্রমোজমের উপর।
প্রথম পর্যায়ে লিঙ্গ নির্ণয় হয় নিষিক্তকরণের সময় এবং তা নির্ভর করে ডিম নিষিক্তকারী শুক্রের লিঙ্গ ক্রমোজমের উপর। যদি X বহনকারী শুক্র ডিমকে নিষিক্ত করে, তাহলে, ভ্রূণ হবে স্ত্রীলিঙ্গ এবং যদি তা Y বহণকারী শুক্র হয়, তাহলে ভ্রূণ হবে পুংলিঙ্গ। এ মর্মে আল্লাহ বলেনঃ
وَ اَنَّہٗ خَلَقَ الزَّوۡجَیۡنِ الذَّکَرَ وَ الۡاُنۡثٰی . مِنۡ نُّطۡفَۃٍ اِذَا تُمۡنٰی
‘এবং তিনিই সৃষ্টি করেন যুগল পুরুষ ও নারী। এক বিন্দু বীর্য থেকে যখন স্খলিত করা হয়।’ -সূরা নাজম-৪৫-৪৬
এখানেও ‘নোতফা’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ হল, সামান্য পরিমাণ তরল পদার্থ। আর عنى মানে, স্খলিত বা নিক্ষিপ্ত। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে যে, ‘নোতফা’ দ্বারা শুক্রকেই বুঝানো হয়েছে। কেননা, শুক্রই স্খলিত বা নিক্ষিপ্ত হয়। আল্লাহ আরো বলেনঃ
اَلَمۡ یَکُ نُطۡفَۃً مِّنۡ مَّنِیٍّ یُّمۡنٰی . ثُمَّ کَانَ عَلَقَۃً فَخَلَقَ فَسَوّٰی . فَجَعَلَ مِنۡہُ الزَّوۡجَیۡنِ الذَّکَرَ وَ الۡاُنۡثٰی
“সে কি স্খলিত বীর্য ছিলনা? অতঃপর সে ছিল রক্তপিণ্ড, অতঃপর আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং সুবিন্যস্ত করেছেন। অতঃপর তা থেকে সৃষ্টি করেছেন যুগল নর ও নারী।”-সূরা কেয়ামাহ-৩৭-৩৯
এখানে পুনরায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এক ফোটা শুক্র যা ( نُطۡفَۃً مِّنۡ مَّنِیٍّ یُّمۡنٰی ) পুরুষ থেকে নির্গত ও নিক্ষিপ্ত হয় সেটাই ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ করে।
পাক ভারত উপমহাদেশের শ্বাশুড়ীরা প্রায়ই নাতী ছেলে কামনা করে এবং নাতিন কন্যা হলে সে জন্য বৌ মাকে দোষারূপ করে। আফসুস! তারা যদি জানত যে, লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য পুরুষের শুক্রই দায়ী, নারীর ডিম নয়। যদি তারা দোষারূপ করতেই চায়, তাহলে, তাদের ছেলেদেরকেই দোষারূপ করা উচিত, বৌ মাদেরকে নয়। কেননা, কোরআন এবং বিজ্ঞান উভয়েই লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য পুরুষের শুক্রকেই দায়ী করে।
প্রথম পর্যায়ে লিঙ্গ নির্ণয় হয় নিষিক্তকরণের সময় এবং তা নির্ভর করে ডিম নিষিক্তকারী শুক্রের লিঙ্গ ক্রমোজমের উপর। যদি X বহনকারী শুক্র ডিমকে নিষিক্ত করে, তাহলে, ভ্রূণ হবে স্ত্রীলিঙ্গ এবং যদি তা Y বহণকারী শুক্র হয়, তাহলে ভ্রূণ হবে পুংলিঙ্গ। এ মর্মে আল্লাহ বলেনঃ
وَ اَنَّہٗ خَلَقَ الزَّوۡجَیۡنِ الذَّکَرَ وَ الۡاُنۡثٰی . مِنۡ نُّطۡفَۃٍ اِذَا تُمۡنٰی
‘এবং তিনিই সৃষ্টি করেন যুগল পুরুষ ও নারী। এক বিন্দু বীর্য থেকে যখন স্খলিত করা হয়।’ -সূরা নাজম-৪৫-৪৬
এখানেও ‘নোতফা’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ হল, সামান্য পরিমাণ তরল পদার্থ। আর عنى মানে, স্খলিত বা নিক্ষিপ্ত। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে যে, ‘নোতফা’ দ্বারা শুক্রকেই বুঝানো হয়েছে। কেননা, শুক্রই স্খলিত বা নিক্ষিপ্ত হয়। আল্লাহ আরো বলেনঃ
اَلَمۡ یَکُ نُطۡفَۃً مِّنۡ مَّنِیٍّ یُّمۡنٰی . ثُمَّ کَانَ عَلَقَۃً فَخَلَقَ فَسَوّٰی . فَجَعَلَ مِنۡہُ الزَّوۡجَیۡنِ الذَّکَرَ وَ الۡاُنۡثٰی
“সে কি স্খলিত বীর্য ছিলনা? অতঃপর সে ছিল রক্তপিণ্ড, অতঃপর আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং সুবিন্যস্ত করেছেন। অতঃপর তা থেকে সৃষ্টি করেছেন যুগল নর ও নারী।”-সূরা কেয়ামাহ-৩৭-৩৯
এখানে পুনরায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এক ফোটা শুক্র যা ( نُطۡفَۃً مِّنۡ مَّنِیٍّ یُّمۡنٰی ) পুরুষ থেকে নির্গত ও নিক্ষিপ্ত হয় সেটাই ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ করে।
পাক ভারত উপমহাদেশের শ্বাশুড়ীরা প্রায়ই নাতী ছেলে কামনা করে এবং নাতিন কন্যা হলে সে জন্য বৌ মাকে দোষারূপ করে। আফসুস! তারা যদি জানত যে, লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য পুরুষের শুক্রই দায়ী, নারীর ডিম নয়। যদি তারা দোষারূপ করতেই চায়, তাহলে, তাদের ছেলেদেরকেই দোষারূপ করা উচিত, বৌ মাদেরকে নয়। কেননা, কোরআন এবং বিজ্ঞান উভয়েই লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য পুরুষের শুক্রকেই দায়ী করে।