১
কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান সামঞ্জস্যপূর্ণ না অসামঞ্জস্যপূর্ণ
লেখকঃ ডঃ জাকির আবদুল করিম নায়েক • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
পৃথিবীর আকার গোল
প্রথম যুগে মানুষ বিশ্বাস করত যে, পৃথিবী চেপ্টা ছিল। বহু শতাব্দী ব্যাপী মানুষ দূরে সরে যেতে ভয় পেত কি জানি পৃথিবীর কিনারা থেকে পড়ে যায় কিনা। স্যার ফ্রান্কিস ড্র্যাক প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী গোলাকার। তিনি ১৫৯৭ সনে পৃথিবীর চারপাশে নৌভ্রমন করেন।
আমরা দিবা রাত্রির আবর্তনের ব্যাপারে কোরআনের নিম্নোক্ত আয়াতটি বিবেচনা করতে পারি।
اَلَمۡ تَرَ اَنَّ اللّٰہَ یُوۡلِجُ الَّیۡلَ فِی النَّہَارِ وَ یُوۡلِجُ النَّہَارَ فِی الَّیۡلِ
“আপনি কি দেখেন না, আল্লাহ রাতকে দিনের মধ্যে এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান?” -সূরা লোকমান-২৯
অর্থাৎ রাত আস্তে আস্তে এবং ক্রমান্বয়ে দিনে রূপান্তরিত হয়, অনুরূপভাবে দিনও আস্তে আস্তে এবং ক্রমান্বয়ে রাতে পরিবর্তিত হয়। পৃথিবী গোলাকৃতির হলেই কেবল এ ঘটনা ঘটতে পারে।
নিম্নের আয়াত দ্বারাও পৃথিবী যে গোলাকার তা বুঝা যায়। আল্লাহ বলেনঃ
خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ بِالۡحَقِّ ۚ یُکَوِّرُ الَّیۡلَ عَلَی النَّہَارِ
“তিনি আসমান ও যমীনকে সৃষ্টি করেছেন যথার্থভাবে। তিনি রাতকে দিন দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিনকে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত করেন।” “সূরা যোমার-৫
আয়াতে ব্যবহৃত يکور শব্দের অর্থ হল কুন্ডলী পাকানো বা কোন জিনিসকে প্যাঁচানো। যেমন করে মাথায় পাগড়ী প্যাঁচানো হয়। রাত ও দিনের আবর্তন তখনই সম্ভব যখন পৃথিবী গোলাকার হয়।
পৃথিবী বলের মত গোলাকার নয়, বরং মেরুকেন্দ্রিক চেপ্টা। নিম্নের আয়াতে পৃথিবীর আকৃতির বর্ণনা দেয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন وَ الۡاَرۡضَ بَعۡدَ ذٰلِکَ دَحٰىہَا “তিনি পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।” –সূরা নাযিআত-৩০
আরবী শব্দ دحاها এর দু’টো অর্থ আছে। একটি অর্থ হল ‘উটপাখীর ডিম। উটপাখীর ডিমের আকৃতির মতই পৃথিবীর আকৃতি মেরুকেন্দ্রিক চেপ্টা। অন্য অর্থ হল সম্প্রসারিত করা। উভয় অর্থই বিশুদ্ধ।
কোরআন এভাবেই পৃথিবীর আকৃতি বিশুদ্ধভাবে বর্ণনা করেছে। অথচ, যখন কোরআন নাযিল হয় তখন প্রচলিত ধারণা ছিল পৃথিবী হচ্ছে চেপ্টা।
আমরা দিবা রাত্রির আবর্তনের ব্যাপারে কোরআনের নিম্নোক্ত আয়াতটি বিবেচনা করতে পারি।
اَلَمۡ تَرَ اَنَّ اللّٰہَ یُوۡلِجُ الَّیۡلَ فِی النَّہَارِ وَ یُوۡلِجُ النَّہَارَ فِی الَّیۡلِ
“আপনি কি দেখেন না, আল্লাহ রাতকে দিনের মধ্যে এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবেশ করান?” -সূরা লোকমান-২৯
অর্থাৎ রাত আস্তে আস্তে এবং ক্রমান্বয়ে দিনে রূপান্তরিত হয়, অনুরূপভাবে দিনও আস্তে আস্তে এবং ক্রমান্বয়ে রাতে পরিবর্তিত হয়। পৃথিবী গোলাকৃতির হলেই কেবল এ ঘটনা ঘটতে পারে।
নিম্নের আয়াত দ্বারাও পৃথিবী যে গোলাকার তা বুঝা যায়। আল্লাহ বলেনঃ
خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضَ بِالۡحَقِّ ۚ یُکَوِّرُ الَّیۡلَ عَلَی النَّہَارِ
“তিনি আসমান ও যমীনকে সৃষ্টি করেছেন যথার্থভাবে। তিনি রাতকে দিন দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিনকে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত করেন।” “সূরা যোমার-৫
আয়াতে ব্যবহৃত يکور শব্দের অর্থ হল কুন্ডলী পাকানো বা কোন জিনিসকে প্যাঁচানো। যেমন করে মাথায় পাগড়ী প্যাঁচানো হয়। রাত ও দিনের আবর্তন তখনই সম্ভব যখন পৃথিবী গোলাকার হয়।
পৃথিবী বলের মত গোলাকার নয়, বরং মেরুকেন্দ্রিক চেপ্টা। নিম্নের আয়াতে পৃথিবীর আকৃতির বর্ণনা দেয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন وَ الۡاَرۡضَ بَعۡدَ ذٰلِکَ دَحٰىہَا “তিনি পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।” –সূরা নাযিআত-৩০
আরবী শব্দ دحاها এর দু’টো অর্থ আছে। একটি অর্থ হল ‘উটপাখীর ডিম। উটপাখীর ডিমের আকৃতির মতই পৃথিবীর আকৃতি মেরুকেন্দ্রিক চেপ্টা। অন্য অর্থ হল সম্প্রসারিত করা। উভয় অর্থই বিশুদ্ধ।
কোরআন এভাবেই পৃথিবীর আকৃতি বিশুদ্ধভাবে বর্ণনা করেছে। অথচ, যখন কোরআন নাযিল হয় তখন প্রচলিত ধারণা ছিল পৃথিবী হচ্ছে চেপ্টা।