১
শয়তান থেকে বাঁচার কৌশল
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
শয়তানের পরিচয়
شَيْطَانٌ (শাইত্বান) শব্দটি একবচন, এর বহুবচন হলো شَيَاطِيْنٌ । বাংলা ভাষায় এর অর্থ হচ্ছে- সীমালঙ্ঘনকারী, দাম্ভিক, স্বৈরাচারী, বিদ্রোহী, অবাধ্যতাকারী ইত্যাদি। এসব বৈশিষ্ট্যের জিন এবং মানুষ উভয়ের জন্যই শয়তান শব্দ ব্যবহার করা হয়। শয়তান শব্দটি প্রাচীনকাল থেকেই সকল ধর্মের লোকদের কাছে একটি সুপরিচিত শব্দ। শয়তান জিনের মধ্যেও রয়েছে আবার মানুষের মধ্যেও রয়েছে।
ইসলামের বিরুদ্ধাচারী নেতাদেরকে কুরআনে শয়তান বলা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
﴿ وَاِذَا خَلَوْا اِلٰى شَيَاطِيْنِهِمْ قَالُوْاۤ اِنَّا مَعَكُمْ اِنَّمَا نَحْنُ مُسْتَهْزِئُوْنَ ﴾
আর যখন তারা (মুনাফিকরা) নিজেদের শয়তানদের (নেতাদের) সাথে মিলিত হয় তখন বলে, আমরা তো তোমাদের সঙ্গেই আছি; আমরা তো শুধু (তাদের সাথে) ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে থাকি। [সূরা বাক্বারা- ১৪।]
শয়তানের কাজ হলো একজনের বিরুদ্ধে অন্যজনকে ক্ষেপিয়ে তোলা, ঝগড়া লাগানো, অসৎ কাজের দিকে ধাবিত করা। বিশেষ করে যেখানেই আল্লাহর নৈকট্য লাভের কাজ হয় সেখানেই শয়তান বাধা দেয়।
এ পৃথিবীতে যত প্রকার পাপকাজ সম্পাদিত হচ্ছে, তার পেছনে প্রবঞ্চনা দানকারী হচ্ছে ইবলিস শয়তান। শয়তান এবং তার অনুসারীরা সবাই মিলে তাদের অভিশপ্ত কার্যকলাপের দ্বারা প্রতিদিন অনেক বান্দাকে ধোঁকা ও প্রতারণার মাধ্যমে সত্য পথ হতে বিচ্যুত করার চরম চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
শয়তান আল্লাহর অবাধ্য। সে আল্লাহ তা‘আলার আদেশ অমান্য করেছে, যার ফলে আল্লাহ তাকে জান্নাত থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। এজন্য সে সর্বদা মানুষের সাথে শত্রুতা পোষণ করে থাকে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
اِنَّ الشَّيْطَانَ كَانَ لِلرَّحْمٰنِ عَصِيًّا﴾ ﴿
নিশ্চয় শয়তান পরম দয়ালু আল্লাহর অবাধ্য। [সূরা মারইয়াম- ৪৪।]
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ اِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوْهُ عَدُوًّا﴾
নিশ্চয় শয়তান তোমাদের শত্রু, সুতরাং তোমরা তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ করো। [সূরা ফাতির- ৬।]
ইসলামের বিরুদ্ধাচারী নেতাদেরকে কুরআনে শয়তান বলা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন-
﴿ وَاِذَا خَلَوْا اِلٰى شَيَاطِيْنِهِمْ قَالُوْاۤ اِنَّا مَعَكُمْ اِنَّمَا نَحْنُ مُسْتَهْزِئُوْنَ ﴾
আর যখন তারা (মুনাফিকরা) নিজেদের শয়তানদের (নেতাদের) সাথে মিলিত হয় তখন বলে, আমরা তো তোমাদের সঙ্গেই আছি; আমরা তো শুধু (তাদের সাথে) ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে থাকি। [সূরা বাক্বারা- ১৪।]
শয়তানের কাজ হলো একজনের বিরুদ্ধে অন্যজনকে ক্ষেপিয়ে তোলা, ঝগড়া লাগানো, অসৎ কাজের দিকে ধাবিত করা। বিশেষ করে যেখানেই আল্লাহর নৈকট্য লাভের কাজ হয় সেখানেই শয়তান বাধা দেয়।
এ পৃথিবীতে যত প্রকার পাপকাজ সম্পাদিত হচ্ছে, তার পেছনে প্রবঞ্চনা দানকারী হচ্ছে ইবলিস শয়তান। শয়তান এবং তার অনুসারীরা সবাই মিলে তাদের অভিশপ্ত কার্যকলাপের দ্বারা প্রতিদিন অনেক বান্দাকে ধোঁকা ও প্রতারণার মাধ্যমে সত্য পথ হতে বিচ্যুত করার চরম চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
শয়তান আল্লাহর অবাধ্য। সে আল্লাহ তা‘আলার আদেশ অমান্য করেছে, যার ফলে আল্লাহ তাকে জান্নাত থেকে তাড়িয়ে দিয়েছেন। এজন্য সে সর্বদা মানুষের সাথে শত্রুতা পোষণ করে থাকে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
اِنَّ الشَّيْطَانَ كَانَ لِلرَّحْمٰنِ عَصِيًّا﴾ ﴿
নিশ্চয় শয়তান পরম দয়ালু আল্লাহর অবাধ্য। [সূরা মারইয়াম- ৪৪।]
অন্য আয়াতে আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ اِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوْهُ عَدُوًّا﴾
নিশ্চয় শয়তান তোমাদের শত্রু, সুতরাং তোমরা তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ করো। [সূরা ফাতির- ৬।]