১
শয়তান থেকে বাঁচার কৌশল
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭
ইবলিস ও আমাদের অবস্থান
ইবলিস আদম (আঃ) কে সিজদা করতে অস্বীকার করেছিল :
﴿وَاِذْ قُلْنَا لِلْمَلَآئِكَةِ اسْجُدُوْا لِاٰدَمَ فَسَجَدُوْاۤ اِلَّاۤ اِبْلِيْسَؕ اَبٰى وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِيْنَ﴾
(স্মরণ করো) যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা করো, তখন ইবলিস ব্যতীত সকলে সিজদা করেছিল। সে অস্বীকার করল ও অহংকার করল, ফলে সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল। [সূরা বাক্বারা– ৩৪।]
আল্লাহ ইবলিসকে এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন :
﴿قَالَ يَاۤ اِبْلِيْسُ مَا مَنَعَكَ اَنْ تَسْجُدَ لِمَا خَلَقْتُ بِيَدَيَّؕ اَسْتَكْبَرْتَ اَمْ كُنْتَ مِنَ الْعَالِيْنَ﴾
আল্লাহ বললেন, হে ইবলিস! আমি যাকে নিজের হাতে সৃষ্টি করেছি, তাকে সিজদা করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? তুমি অহংকার করলে, নাকি তুমি শ্রেষ্ঠ মর্যাদাশীলদের একজন? [সূরা সোয়াদু ৭৫।]
ইবলিস যুক্তি খাটিয়ে উত্তর দিল :
﴿قَالَ اَنَا خَيْرٌ مِّنْهُ خَلَقْتَنِيْ مِنْ نَّارٍ وَّخَلَقْتَهٗ مِنْ طِيْنٍ﴾
সে বলল, আমি তার চেয়ে উত্তম; তুমি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছ এবং তাকে মাটি থেকে। [সূরা আ‘রাফু ১২।]
ইবলিস যে অন্যায়গুলো করেছিল আজ আমাদের অনেকের মধ্যেও সে অন্যায়গুলো বিদ্যমান। যেমন-
১। ইবলিস আল্লাহর ১টি সিজদা অমান্য করেছিল, আর আজ মুসলিম নামধারী অনেক মানুষ দৈনিক ১৭ রাক‘আত ফরজ নামাযের ৩৪ টি ফরয সিজদা অমান্য করে যাচ্ছে।
২। ইবলিস অহংকার করে নিজেকে আদম (আঃ) এর চেয়ে উঁচু শ্রেণির ভেবেছিল, অনেক ভালো মুসলিমও অহংকার করে অন্য মানুষদের কোন না কোনভাবে খাটো করে দেখে।
৩। ইবলিস অপরাধ করা সত্ত্বেও তা স্বীকার করেনি এবং ক্ষমাও চায়নি, আমরাও প্রতিদিন কত অপরাধ করি কিন্তু সেটা স্বীকার করি না এবং ক্ষমাও চাই না।
৪। ইবলিস আল্লাহর সাথে অহংকার করেছিল, আমরা আজ মুসলিম হয়েও বিনয়ের গুণ ভুলে যাচ্ছি।
৫। ইবলিস আদম (আঃ) এর সাথে হিংসা করে নিজের ধ্বংস ডেকে এনেছিল, আমাদের মধ্যেও অনেকেই সেই হিংসার রোগে আক্রান্ত।
৬। ইবলিস আল্লাহর সৃষ্টির ক্ষতি ও অকল্যাণ কামনা করেছিল, আমরা প্রতিমুহূর্তে কত মানুষের ক্ষতি করি তার কোন হিসাব নেই।
৭। ইবলিস আল্লাহর নির্দেশের বিপক্ষে যুক্তি দেখিয়েছিল। আজ আমরাও যুক্তি দেখিয়ে আল্লাহর কত বিধান অমান্য করে যাচ্ছি।
﴿وَاِذْ قُلْنَا لِلْمَلَآئِكَةِ اسْجُدُوْا لِاٰدَمَ فَسَجَدُوْاۤ اِلَّاۤ اِبْلِيْسَؕ اَبٰى وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِيْنَ﴾
(স্মরণ করো) যখন আমি ফেরেশতাদেরকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা করো, তখন ইবলিস ব্যতীত সকলে সিজদা করেছিল। সে অস্বীকার করল ও অহংকার করল, ফলে সে কাফিরদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেল। [সূরা বাক্বারা– ৩৪।]
আল্লাহ ইবলিসকে এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন :
﴿قَالَ يَاۤ اِبْلِيْسُ مَا مَنَعَكَ اَنْ تَسْجُدَ لِمَا خَلَقْتُ بِيَدَيَّؕ اَسْتَكْبَرْتَ اَمْ كُنْتَ مِنَ الْعَالِيْنَ﴾
আল্লাহ বললেন, হে ইবলিস! আমি যাকে নিজের হাতে সৃষ্টি করেছি, তাকে সিজদা করতে তোমাকে কিসে বাধা দিল? তুমি অহংকার করলে, নাকি তুমি শ্রেষ্ঠ মর্যাদাশীলদের একজন? [সূরা সোয়াদু ৭৫।]
ইবলিস যুক্তি খাটিয়ে উত্তর দিল :
﴿قَالَ اَنَا خَيْرٌ مِّنْهُ خَلَقْتَنِيْ مِنْ نَّارٍ وَّخَلَقْتَهٗ مِنْ طِيْنٍ﴾
সে বলল, আমি তার চেয়ে উত্তম; তুমি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছ এবং তাকে মাটি থেকে। [সূরা আ‘রাফু ১২।]
ইবলিস যে অন্যায়গুলো করেছিল আজ আমাদের অনেকের মধ্যেও সে অন্যায়গুলো বিদ্যমান। যেমন-
১। ইবলিস আল্লাহর ১টি সিজদা অমান্য করেছিল, আর আজ মুসলিম নামধারী অনেক মানুষ দৈনিক ১৭ রাক‘আত ফরজ নামাযের ৩৪ টি ফরয সিজদা অমান্য করে যাচ্ছে।
২। ইবলিস অহংকার করে নিজেকে আদম (আঃ) এর চেয়ে উঁচু শ্রেণির ভেবেছিল, অনেক ভালো মুসলিমও অহংকার করে অন্য মানুষদের কোন না কোনভাবে খাটো করে দেখে।
৩। ইবলিস অপরাধ করা সত্ত্বেও তা স্বীকার করেনি এবং ক্ষমাও চায়নি, আমরাও প্রতিদিন কত অপরাধ করি কিন্তু সেটা স্বীকার করি না এবং ক্ষমাও চাই না।
৪। ইবলিস আল্লাহর সাথে অহংকার করেছিল, আমরা আজ মুসলিম হয়েও বিনয়ের গুণ ভুলে যাচ্ছি।
৫। ইবলিস আদম (আঃ) এর সাথে হিংসা করে নিজের ধ্বংস ডেকে এনেছিল, আমাদের মধ্যেও অনেকেই সেই হিংসার রোগে আক্রান্ত।
৬। ইবলিস আল্লাহর সৃষ্টির ক্ষতি ও অকল্যাণ কামনা করেছিল, আমরা প্রতিমুহূর্তে কত মানুষের ক্ষতি করি তার কোন হিসাব নেই।
৭। ইবলিস আল্লাহর নির্দেশের বিপক্ষে যুক্তি দেখিয়েছিল। আজ আমরাও যুক্তি দেখিয়ে আল্লাহর কত বিধান অমান্য করে যাচ্ছি।