১
শয়তান থেকে বাঁচার কৌশল
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৬
শয়তানের লক্ষ্য
শয়তানের লক্ষ্য হলো, মানুষকে আল্লাহর স্মরণ থেকে দূরে রাখা। তাই শয়তান ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি ও সংঘাত সৃষ্টি করে। রক্তপাত শয়তান খুব পছন্দ করে। মানুষের রক্ত পান করে সে পুষ্ট হয়। এভাবে মানুষের মাধ্যমে শয়তান তার কর্মসূচী বাস্তবায়িত করে।
শয়তান সবসময় মানুষের সাথে লেগে থাকে। মানুষ যতই নিজেকে একা ভাবুক না কেন, সে আসলে একা নয়। মানুষের সাথে শয়তান আছেই। শয়তান আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছে যেন সে মানুষের অজান্তে তার মধ্যে বাস করে নিজের লক্ষ্য বাস্তবায়িত করতে পারে।
মানুষের মধ্যে একটি দিক হচ্ছে আল্লাহর আর অপর দিকটি হচ্ছে শয়তানের। মানুষ আল্লাহকে স্মরণ করলে সে আল্লাহর দিকে ধাবিত হয় আর আল্লাহকে ভুলে গেলে শয়তানের দিকে ধাবিত হয়। মানুষের সাধনা হচ্ছে শয়তান থেকে মুক্ত হওয়ার সাধনা।
শয়তান জান্নাতে ছিল, সুতরাং সে জানে জান্নাত কেমন। সে এটাও জানে জাহান্নামের শাস্তি কেমন। তাই কোন মানুষ জান্নাতের সুখ-শান্তি ভোগ করবে আর সে জাহান্নামের আগুনে জ্বলবে এটা সে কোনভাবেই মেনে নিতে পারে না। এজন্য সে মানুষকে তার আগুনের সঙ্গী বানানোর জন্য সমস্ত শক্তি ব্যয় করে। তাই আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদেরকে সতর্ক করে বলেন,
﴿ اِنَّمَا يُرِيْدُ الشَّيْطَانُ اَنْ يُّوْقِعَ بَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَآءَ فِى الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ وَيَصُدَّكُمْ عَنْ ذِكْرِ اللهِ وَعَنِ الصَّلَاةِ فَهَلْ اَنْتُمْ مُّنْتَهُوْنَ ﴾
নিশ্চয় শয়তান মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে বিদ্বেষ ঘটাতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ও সালাত আদায় করা থেকে দূরে রাখতে চায়। তবুও কি তোমরা (এসব অন্যায় হতে) বিরত থাকবে না? [সূরা মায়েদা- ৯১।]
শয়তান সবসময় মানুষের সাথে লেগে থাকে। মানুষ যতই নিজেকে একা ভাবুক না কেন, সে আসলে একা নয়। মানুষের সাথে শয়তান আছেই। শয়তান আল্লাহর কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছে যেন সে মানুষের অজান্তে তার মধ্যে বাস করে নিজের লক্ষ্য বাস্তবায়িত করতে পারে।
মানুষের মধ্যে একটি দিক হচ্ছে আল্লাহর আর অপর দিকটি হচ্ছে শয়তানের। মানুষ আল্লাহকে স্মরণ করলে সে আল্লাহর দিকে ধাবিত হয় আর আল্লাহকে ভুলে গেলে শয়তানের দিকে ধাবিত হয়। মানুষের সাধনা হচ্ছে শয়তান থেকে মুক্ত হওয়ার সাধনা।
শয়তান জান্নাতে ছিল, সুতরাং সে জানে জান্নাত কেমন। সে এটাও জানে জাহান্নামের শাস্তি কেমন। তাই কোন মানুষ জান্নাতের সুখ-শান্তি ভোগ করবে আর সে জাহান্নামের আগুনে জ্বলবে এটা সে কোনভাবেই মেনে নিতে পারে না। এজন্য সে মানুষকে তার আগুনের সঙ্গী বানানোর জন্য সমস্ত শক্তি ব্যয় করে। তাই আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদেরকে সতর্ক করে বলেন,
﴿ اِنَّمَا يُرِيْدُ الشَّيْطَانُ اَنْ يُّوْقِعَ بَيْنَكُمُ الْعَدَاوَةَ وَالْبَغْضَآءَ فِى الْخَمْرِ وَالْمَيْسِرِ وَيَصُدَّكُمْ عَنْ ذِكْرِ اللهِ وَعَنِ الصَّلَاةِ فَهَلْ اَنْتُمْ مُّنْتَهُوْنَ ﴾
নিশ্চয় শয়তান মদ ও জুয়া দ্বারা তোমাদের মধ্যে বিদ্বেষ ঘটাতে চায় এবং তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণ ও সালাত আদায় করা থেকে দূরে রাখতে চায়। তবুও কি তোমরা (এসব অন্যায় হতে) বিরত থাকবে না? [সূরা মায়েদা- ৯১।]