hadith book logo

সাহাবাদের ব্যাপারে আহলে সুন্নত ওয়াল-জামাতের আকিদা

লেখকঃ মুহাম্মদ বিন আব্দুল্লাহ আল-অহাইবি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১

পরিচ্ছেদঃ ১১

চতুর্থ: কিছু সংখ্যক সাহাবীকে এমন মন্দ বলা যা ধর্মীয় বিষয়ে অপবাদজনক নয়ঃ

নি:সন্দেহে ওসব লোক শাস্তির উপযোগী। তবে আমি যতটুকু কিতাব পত্র অধ্যয়ন করেছি তাতে এ ধরনের মন্দের উপর কাফের বলতে কাউকে দেখিনি। এবং উচ্চ মর্যাদা ও নিম্ন মর্যাদার মাঝে কোন প্রভেদ দেখিনি।

শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়াহ রহ. বলেন সাহাবীদিগকে যদি কেউ এমন মন্দ বলে যা তার নিরপেক্ষতা ও ধার্মিকতায় আঘাত হানে না। যেমন কোন সাহাবীর ব্যাপারে মন্তব্য করল যে তিনি কৃপণ বা ভীত ছিলেন বা তার ইলম কম ছিল কিংবা তিনি দুনিয়া ত্যাগী ছিলেন না। এ ধরনের মন্তব্যকারী শাস্তির সম্মুখীন হবে, কিন্তু শুধু এ কারণে তাকে কাফের বলা হবে না। যেসব আলেমগণ সাহাবীদেরকে মন্দ বলা কুফরী মনে করেন না, তাদের মন্তব্যের ব্যাখ্যাও এটাই। [ الصارم السلول ص : ৫৮৬] আল্লামা আবু ইয়ালা রহ. বলেন কোন সাহাবীর ব্যাপারে এ মন্তব্য করা যে তিনি রাজনীতি বিষয়ে অনভিজ্ঞ ছিলেন, এটাও সাহাবীদের সে সব মন্দালোচনার অন্তর্ভুক্ত যা তাদের নৈতিকতা ও ধার্মিকতার উপর আঘাত হানে না। [ الصارم السلول ص : ৫৭১] কোন সাহাবীর নির্ভুল লক্ষ্য অর্জনে দুর্বলতা ও ব্যক্তিত্বহীনতা এবং দুনিয়ার প্রতি আকর্ষণ ও অলসতা ইত্যাদিও বর্ণিত মন্দালোচনার মতই। আর এ প্রকারের সমালোচনা দ্বারা ইতিহাসের কিতাবাবলি প্লাবিত।

এমনিভাবে আহলে সুন্নত নামে পরিচিত অনেকেই এ সকল কিতাব সমকালীন বিষয় ভিত্তিক শিক্ষা নীতি ও শিক্ষা কারিকুলামে চালু করেছে। আর প্রাচ্যবিদগণ এ বিষয়কে তাদের শিক্ষা পদ্ধতিতে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখে থাকে।