১
আমরা কাদের সাথে বন্ধুত্ব করব
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
যাদের সাথে বন্ধুত্ব রাখা যাবে না
ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না :
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُوْدَ وَالنَّصَارٰۤى اَوْلِيَآءَ بَعْضُهُمْ اَوْلِيَآءُ بَعْضٍؕ وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَاِنَّهٗ مِنْهُمْؕ اِنَّ اللهَ لَا يَهْدِى الْقَوْمَ الظَّالِمِيْنَ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। কেননা তারা একে অপরের বন্ধু (কিন্তু তারা উভয়েই তোমাদের শত্রু)। সুতরাং তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, সে তাদেরই একজন বলে গণ্য হবে। নিশ্চয় আল্লাহ অত্যাচারীদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন না। [সূরা মায়েদা- ৫১।]
ইসলামকে নিয়ে তামাশাকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না :
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوا الَّذِيْنَ اتَّخَذُوْا دِيْنَكُمْ هُزُوًا وَّلَعِبًا مِّنَ الَّذِيْنَ اُوْتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَالْكُفَّارَ اَوْلِيَآءَۚ وَاتَّقُوا اللهَ اِنْ كُنْتُمْ مُّؤْمِنِيْنَ﴾
হে মুমিনগণ! তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে যারা তোমাদের দ্বীনকে হাসি-তামাশা ও ক্রীড়ার বস্তু হিসেবে গ্রহণ করে তোমরা তাদেরকে ও কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। আর আল্লাহকে ভয় করো, যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাক। [সূরা মায়েদা- ৫৭।]
কাফিরদেরকে বন্ধু বানানো যাবে না :
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوا الْكَافِرِيْنَ اَوْلِيَآءَ مِنْ دُوْنِ الْمُؤْمِنِيْنَ﴾
হে মুমিনগণ! তোমরা মুমিনদের পরিবর্তে কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। [সূরা নিসা- ১৪৪।]
কাফিরদের সাথে বন্ধুত্বকারীরা মুনাফিক :
﴿بَشِّرِ الْمُنَافِقِيْنَ بِاَنَّ لَهُمْ عَذَابًا اَلِيْمًا ‐ اَلَّذِيْنَ يَتَّخِذُوْنَ الْكَافِرِيْنَ اَوْلِيَآءَ مِنْ دُوْنِ الْمُؤْمِنِيْنَؕ اَيَبْتَغُوْنَ عِنْدَهُمُ الْعِزَّةَ فَاِنَّ الْعِزَّةَ لِلّٰهِ جَمِيْعًا﴾
মুনাফিকদেরকে সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্য মর্মান্তিক শাস্তি প্রস্তুত রয়েছে। যারা মুমিনদের পরিবর্তে কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে, তারা কি তাদের নিকট সম্মান কামনা করে? নিশ্চয় সমস্ত সম্মান আল্লাহরই। [সূরা নিসা- ১৩৮, ১৩৯।]
ইসলামের দুশমন যতই ঘনিষ্ট হোক তার সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না :
﴿لَا تَجِدُ قَوْمًا يُّؤْمِنُوْنَ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ يُوَآدُّوْنَ مَنْ حَآدَّ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ وَلَوْ كَانُوْاۤ اٰبَآءَهُمْ اَوْ اَبْنَآءَهُمْ اَوْ اِخْوَانَهُمْ اَوْ عَشِيْرَتَهُمْ﴾
যারা আল্লাহর প্রতি ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তাদেরকে আপনি এমন লোকদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবেন না, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করে, যদিও তারা তাদের পিতা অথবা পুত্র অথবা ভাই কিংবা তাদের জাতি-গোষ্ঠীর কেউ হয়। [সূরা মুজাদালা- ২২।]
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوْا بِطَانَةً مِّنْ دُوْنِكُمْ لَا يَأْلُوْنَكُمْ خَبَالًاؕ وَدُّوْا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَآءُ مِنْ اَفْوَاهِهِمْۚ وَمَا تُخْفِيْ صُدُوْرُهُمْ اَكْبَرُ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْاٰيَاتِ اِنْ كُنْتُمْ تَعْقِلُوْنَ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদেরকে বাদ দিয়ে অন্যকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা তোমাদের ব্যাপারে তাই কামনা করে, যা তোমাদের জন্য কষ্টদায়ক। কোন কোন সময় তাদের মুখ থেকেই এই বিদ্বেষ প্রকাশ পেয়ে যায়। তাদের অন্তর যা লুকিয়ে রেখেছে তা আরো জঘন্য। আর আমি তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ বর্ণনা করে দিয়েছি, যাতে করে তোমরা অনুধাবন করতে পার। [সূরা আলে ইমরান- ১১৮।]
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُوْدَ وَالنَّصَارٰۤى اَوْلِيَآءَ بَعْضُهُمْ اَوْلِيَآءُ بَعْضٍؕ وَمَنْ يَّتَوَلَّهُمْ مِّنْكُمْ فَاِنَّهٗ مِنْهُمْؕ اِنَّ اللهَ لَا يَهْدِى الْقَوْمَ الظَّالِمِيْنَ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা ইয়াহুদি ও খ্রিস্টানদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। কেননা তারা একে অপরের বন্ধু (কিন্তু তারা উভয়েই তোমাদের শত্রু)। সুতরাং তোমাদের মধ্য থেকে যে কেউ তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে, সে তাদেরই একজন বলে গণ্য হবে। নিশ্চয় আল্লাহ অত্যাচারীদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন না। [সূরা মায়েদা- ৫১।]
ইসলামকে নিয়ে তামাশাকারীদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না :
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوا الَّذِيْنَ اتَّخَذُوْا دِيْنَكُمْ هُزُوًا وَّلَعِبًا مِّنَ الَّذِيْنَ اُوْتُوا الْكِتَابَ مِنْ قَبْلِكُمْ وَالْكُفَّارَ اَوْلِيَآءَۚ وَاتَّقُوا اللهَ اِنْ كُنْتُمْ مُّؤْمِنِيْنَ﴾
হে মুমিনগণ! তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে যারা তোমাদের দ্বীনকে হাসি-তামাশা ও ক্রীড়ার বস্তু হিসেবে গ্রহণ করে তোমরা তাদেরকে ও কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। আর আল্লাহকে ভয় করো, যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাক। [সূরা মায়েদা- ৫৭।]
কাফিরদেরকে বন্ধু বানানো যাবে না :
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوا الْكَافِرِيْنَ اَوْلِيَآءَ مِنْ دُوْنِ الْمُؤْمِنِيْنَ﴾
হে মুমিনগণ! তোমরা মুমিনদের পরিবর্তে কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। [সূরা নিসা- ১৪৪।]
কাফিরদের সাথে বন্ধুত্বকারীরা মুনাফিক :
﴿بَشِّرِ الْمُنَافِقِيْنَ بِاَنَّ لَهُمْ عَذَابًا اَلِيْمًا ‐ اَلَّذِيْنَ يَتَّخِذُوْنَ الْكَافِرِيْنَ اَوْلِيَآءَ مِنْ دُوْنِ الْمُؤْمِنِيْنَؕ اَيَبْتَغُوْنَ عِنْدَهُمُ الْعِزَّةَ فَاِنَّ الْعِزَّةَ لِلّٰهِ جَمِيْعًا﴾
মুনাফিকদেরকে সুসংবাদ দাও যে, তাদের জন্য মর্মান্তিক শাস্তি প্রস্তুত রয়েছে। যারা মুমিনদের পরিবর্তে কাফিরদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে, তারা কি তাদের নিকট সম্মান কামনা করে? নিশ্চয় সমস্ত সম্মান আল্লাহরই। [সূরা নিসা- ১৩৮, ১৩৯।]
ইসলামের দুশমন যতই ঘনিষ্ট হোক তার সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না :
﴿لَا تَجِدُ قَوْمًا يُّؤْمِنُوْنَ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْاٰخِرِ يُوَآدُّوْنَ مَنْ حَآدَّ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ وَلَوْ كَانُوْاۤ اٰبَآءَهُمْ اَوْ اَبْنَآءَهُمْ اَوْ اِخْوَانَهُمْ اَوْ عَشِيْرَتَهُمْ﴾
যারা আল্লাহর প্রতি ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে, তাদেরকে আপনি এমন লোকদের সাথে বন্ধুত্ব করতে দেখবেন না, যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরোধিতা করে, যদিও তারা তাদের পিতা অথবা পুত্র অথবা ভাই কিংবা তাদের জাতি-গোষ্ঠীর কেউ হয়। [সূরা মুজাদালা- ২২।]
﴿يَاۤ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَتَّخِذُوْا بِطَانَةً مِّنْ دُوْنِكُمْ لَا يَأْلُوْنَكُمْ خَبَالًاؕ وَدُّوْا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَآءُ مِنْ اَفْوَاهِهِمْۚ وَمَا تُخْفِيْ صُدُوْرُهُمْ اَكْبَرُ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْاٰيَاتِ اِنْ كُنْتُمْ تَعْقِلُوْنَ﴾
হে ঈমানদারগণ! তোমরা নিজেদেরকে বাদ দিয়ে অন্যকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করো না। তারা তোমাদের ব্যাপারে তাই কামনা করে, যা তোমাদের জন্য কষ্টদায়ক। কোন কোন সময় তাদের মুখ থেকেই এই বিদ্বেষ প্রকাশ পেয়ে যায়। তাদের অন্তর যা লুকিয়ে রেখেছে তা আরো জঘন্য। আর আমি তোমাদের জন্য আয়াতসমূহ বর্ণনা করে দিয়েছি, যাতে করে তোমরা অনুধাবন করতে পার। [সূরা আলে ইমরান- ১১৮।]