১
আমরা কাদের সাথে বন্ধুত্ব করব
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
ভূমিকা
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ وَالصَّلَاةُ وَ السَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِهٖ مُحَمَّدٍ وَعَلٰى اٰلِهٖ وَصَحْبِهٖ اَجْمَعِيْنَ
‘আমরা কাদের সাথে বন্ধুত্ব করব’ বইটি বের করতে পেরে মহান আল্লাহর অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। দরূদ ও সালাম পেশ করছি বিশ্বনবী মুহাম্মাদ ﷺ এর উপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবায়ে কেরামের উপর।
বন্ধুত্ব এবং শত্রুতা ঈমানের একটি মৌলিক বিষয়। এজন্য একজন মুমিন কার সাথে বন্ধুত্ব করতে পারবে এবং কার সাথে বন্ধুত্ব করতে পারবে না- এ বিষয়টি জানা তার একটি মৌলিক দায়িত্ব। প্রত্যেক মানুষেরই কমবেশি অন্য মানুষের সাথে বন্ধুত্ব থাকে। কিন্তু মুমিন ব্যক্তি যে কারো সাথে বন্ধুত্ব করতে পারে না। কেননা মানুষ বন্ধুর চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়। সে যদি কোন অসৎ ব্যক্তিকে বন্ধু বানায়, তাহলে তার দ্বীন ও ঈমান নষ্ট হতে পারে। এমনকি অসৎ বন্ধুত্বের কারণে মানুষ জাহান্নামেও যেতে পারে। হাদীসে ইরশাদ হয়েছে,
عَنْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ اَنَّ النَّبِىَّ قَالَ : اَلرَّجُلُ عَلٰى دِيْنِ خَلِيْلِهٖ فَلْيَنْظُرْ اَحَدُكُمْ مَنْ يُخَالِلُ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, একজন ব্যক্তি তার বন্ধুর দ্বীন বা আদর্শ অনুযায়ী হয়ে থাকে। সুতরাং তোমরা কাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করছো, তা দেখে নাও।
(আবু দাউদ, হা/৪৮৩৫; তিরমিযী, হা/২৩৭৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৩৯৮)
এজন্য পরকালে জাহান্নাম থেকে বাঁচতে হলে মুমিনকে অবশ্যই বুঝে-শুনে বন্ধু নির্বাচন করতে হবে। যে ব্যক্তি আল্লাহর দুশমন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর দুশমন, ইসলামের দুশমন, ইসলামী ব্যক্তিত্বের দুশমন, ইসলামী জামা‘আতের দুশমন এমন ব্যক্তিকে একজন মুমিন কোনভাবেই বন্ধু হিসেবে নির্বাচন করতে পারে না।
ইসলামে বন্ধুত্ব এবং শত্রুতার গুরুত্ব, মুমিনের বন্ধু কারা এবং শত্রু কারা, সৎ বন্ধুত্ব এবং অসৎ বন্ধুত্বের পরিণাম কী- এসব বিষয় নিয়ে এ বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি, এ বইটি পাঠ করে মুসলিম ভাই ও বোনেরা যথেষ্ট উপকৃত হবেন। ইনশাআল্লাহ
বইটি প্রকাশনা কাজে যারা যেভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং দু‘আ করছি আল্লাহ যেন সবাইকে জাযায়ে খাইর দান করেন এবং আমাদের এ শ্রম ও খেদমতকে কবুল করে সকলের নাজাতের ওসীলা বানিয়ে দেন। আমীন!
মা‘আস্সালাম
শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী
‘আমরা কাদের সাথে বন্ধুত্ব করব’ বইটি বের করতে পেরে মহান আল্লাহর অগণিত শুকরিয়া আদায় করছি। দরূদ ও সালাম পেশ করছি বিশ্বনবী মুহাম্মাদ ﷺ এর উপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সকল সাহাবায়ে কেরামের উপর।
বন্ধুত্ব এবং শত্রুতা ঈমানের একটি মৌলিক বিষয়। এজন্য একজন মুমিন কার সাথে বন্ধুত্ব করতে পারবে এবং কার সাথে বন্ধুত্ব করতে পারবে না- এ বিষয়টি জানা তার একটি মৌলিক দায়িত্ব। প্রত্যেক মানুষেরই কমবেশি অন্য মানুষের সাথে বন্ধুত্ব থাকে। কিন্তু মুমিন ব্যক্তি যে কারো সাথে বন্ধুত্ব করতে পারে না। কেননা মানুষ বন্ধুর চরিত্র দ্বারা প্রভাবিত হয়। সে যদি কোন অসৎ ব্যক্তিকে বন্ধু বানায়, তাহলে তার দ্বীন ও ঈমান নষ্ট হতে পারে। এমনকি অসৎ বন্ধুত্বের কারণে মানুষ জাহান্নামেও যেতে পারে। হাদীসে ইরশাদ হয়েছে,
عَنْ اَبِىْ هُرَيْرَةَ اَنَّ النَّبِىَّ قَالَ : اَلرَّجُلُ عَلٰى دِيْنِ خَلِيْلِهٖ فَلْيَنْظُرْ اَحَدُكُمْ مَنْ يُخَالِلُ
আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, একজন ব্যক্তি তার বন্ধুর দ্বীন বা আদর্শ অনুযায়ী হয়ে থাকে। সুতরাং তোমরা কাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করছো, তা দেখে নাও।
(আবু দাউদ, হা/৪৮৩৫; তিরমিযী, হা/২৩৭৮; মুসনাদে আহমাদ, হা/৮৩৯৮)
এজন্য পরকালে জাহান্নাম থেকে বাঁচতে হলে মুমিনকে অবশ্যই বুঝে-শুনে বন্ধু নির্বাচন করতে হবে। যে ব্যক্তি আল্লাহর দুশমন, রাসূলুল্লাহ ﷺ এর দুশমন, ইসলামের দুশমন, ইসলামী ব্যক্তিত্বের দুশমন, ইসলামী জামা‘আতের দুশমন এমন ব্যক্তিকে একজন মুমিন কোনভাবেই বন্ধু হিসেবে নির্বাচন করতে পারে না।
ইসলামে বন্ধুত্ব এবং শত্রুতার গুরুত্ব, মুমিনের বন্ধু কারা এবং শত্রু কারা, সৎ বন্ধুত্ব এবং অসৎ বন্ধুত্বের পরিণাম কী- এসব বিষয় নিয়ে এ বইটিতে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি, এ বইটি পাঠ করে মুসলিম ভাই ও বোনেরা যথেষ্ট উপকৃত হবেন। ইনশাআল্লাহ
বইটি প্রকাশনা কাজে যারা যেভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং দু‘আ করছি আল্লাহ যেন সবাইকে জাযায়ে খাইর দান করেন এবং আমাদের এ শ্রম ও খেদমতকে কবুল করে সকলের নাজাতের ওসীলা বানিয়ে দেন। আমীন!
মা‘আস্সালাম
শাইখ আবদুর রহমান বিন মুবারক আলী