১
সিয়াম ও রমজান শিক্ষা-তাৎপর্য-মাসায়েল
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫২
(৭) সাহরী খাওয়া:
সিয়াম পালনের জন্য সাহরী খাওয়া সুন্নত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
تسحروا فإن في السحور بركة . البخاري :১৯২৩, ومسلم :২৬০৩
‘তোমরা সাহরী খাও, কারণ সাহরীতে বরকত রয়েছে।’ [বুখারী : ১৯২৩, মুসলিম : ২৬০৩]
সাহরী না খেয়ে সিয়াম পালন করলে যখন সিয়াম আদায় হবে। তবে সাহরী খাবেন কেন ?
(ক) সাহরী খাওয়া সুন্নত। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহরী খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন।
(খ) ক্ষুধা-পিপাসা মোকাবিলা করার জন্য।
(গ) সাহরী খেলে সিয়াম পালনে কষ্ট কম হয় ও সিয়াম পালন সহজ হয়।
(ঘ) ইহুদী ও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধাচরণ করা। কারণ তারা সিয়াম পালন করতে সাহরী খায় না। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحور . مسلم :২৬০৪
‘আমাদের ও ইহুদী-খ্রিস্টানদের সিয়ামের মাঝে পার্থক্য হল সাহরী খাওয়া।’ [মুসলিম : ২৬০৪]
(ঙ) সাহরীর মাধ্যমে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লাইল করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
(চ) ফজরের সালাত জামাতের সাথে আদায় করা নিশ্চিত হয়।
তাই সাহরী খাওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। তবে সাহরীর খাবার হালকা হওয়া ভাল। এমন বেশি খাওয়া উচিত নয়, যাতে দিনের বেলা কাজ-কর্মে অলসতা দেখা দেয়। যে কোন হালাল খাবার সাহরীতে গ্রহণ করা যায়। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
نعم سحور المؤمن التمر . أبو داود :২৩৪৭
‘মুমিনের উত্তম সাহরী হল খেজুর।’ [আবু দাউদ : ২৩৪৭] তিনি আরো বলেন :—
السحور أكلة بركة فلا تدعوه، ولو أن يـجرع أحدكم جرعة من ماء، فإن الله وملائكته يصلون على المتسحرين . أحمد :১১৩৮৪
‘সাহরী হল একটি বরকতময় খাদ্য, তাই তা তোমরা ছেড়ে দিয়ো না। এক ঢোক পানি দ্বারা হলেও সাহরী করে নাও। কেননা আল্লাহ রাববুল আলামীন ও ফেরেশ্তাগণ সাহরীতে অংশ গ্রহণকারীদের জন্য দোয়া করে থাকেন।’ [আহমদ : ১১৩৮৪]
تسحروا فإن في السحور بركة . البخاري :১৯২৩, ومسلم :২৬০৩
‘তোমরা সাহরী খাও, কারণ সাহরীতে বরকত রয়েছে।’ [বুখারী : ১৯২৩, মুসলিম : ২৬০৩]
সাহরী না খেয়ে সিয়াম পালন করলে যখন সিয়াম আদায় হবে। তবে সাহরী খাবেন কেন ?
(ক) সাহরী খাওয়া সুন্নত। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহরী খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেছেন।
(খ) ক্ষুধা-পিপাসা মোকাবিলা করার জন্য।
(গ) সাহরী খেলে সিয়াম পালনে কষ্ট কম হয় ও সিয়াম পালন সহজ হয়।
(ঘ) ইহুদী ও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধাচরণ করা। কারণ তারা সিয়াম পালন করতে সাহরী খায় না। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
فصل ما بين صيامنا وصيام أهل الكتاب أكلة السحور . مسلم :২৬০৪
‘আমাদের ও ইহুদী-খ্রিস্টানদের সিয়ামের মাঝে পার্থক্য হল সাহরী খাওয়া।’ [মুসলিম : ২৬০৪]
(ঙ) সাহরীর মাধ্যমে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ ও কিয়ামুল লাইল করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
(চ) ফজরের সালাত জামাতের সাথে আদায় করা নিশ্চিত হয়।
তাই সাহরী খাওয়ার ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। তবে সাহরীর খাবার হালকা হওয়া ভাল। এমন বেশি খাওয়া উচিত নয়, যাতে দিনের বেলা কাজ-কর্মে অলসতা দেখা দেয়। যে কোন হালাল খাবার সাহরীতে গ্রহণ করা যায়। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
نعم سحور المؤمن التمر . أبو داود :২৩৪৭
‘মুমিনের উত্তম সাহরী হল খেজুর।’ [আবু দাউদ : ২৩৪৭] তিনি আরো বলেন :—
السحور أكلة بركة فلا تدعوه، ولو أن يـجرع أحدكم جرعة من ماء، فإن الله وملائكته يصلون على المتسحرين . أحمد :১১৩৮৪
‘সাহরী হল একটি বরকতময় খাদ্য, তাই তা তোমরা ছেড়ে দিয়ো না। এক ঢোক পানি দ্বারা হলেও সাহরী করে নাও। কেননা আল্লাহ রাববুল আলামীন ও ফেরেশ্তাগণ সাহরীতে অংশ গ্রহণকারীদের জন্য দোয়া করে থাকেন।’ [আহমদ : ১১৩৮৪]