১
সিয়াম ও রমজান শিক্ষা-তাৎপর্য-মাসায়েল
লেখকঃ আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৫
(১০) ইফতারি করতে বিলম্ব না করা :
সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে রাতের আগমন ঘটে ও ইফতার করার সময় হয়ে যায়। আল্লাহ তাআলা বলেছেন :—
(আরবি)
‘অতঃপর রাত পর্যন্ত সিয়াম পালন করবে।’ [সূরা বাকারা : ১৮৭]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
إذا أقبل الليل من هاهنا وأدبر النهارمن هاهنا وغربت الشمس فقد أفطر الصائم . البخاري :১৮৫৩
‘যখন এখান থেকে রাত্রির আগমন ঘটে ও ওখান থেকে দিন চলে যায় এবং সূর্য অস্ত যায় তখন সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।’ [বুখারী : ১৮৫৩]
তাই ইফতারের আদব হল সূর্যাস্ত মাত্রই দেরি না করে ইফতার করা। সময় হওয়া মাত্র ইফতার করার ব্যাপারে অনেক হাদীসে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر . البخاري : ১৮৫৬ ومسلم :১০৯৮
‘মানুষ যতদিন পর্যন্ত সময় হওয়া মাত্র ইফতার করবে ততদিন কল্যাণের সাথে থাকবে।’ [বুখারী : ১৮৫২, মুসলিম : ১০৯৮]
তিনি আরো বলেছেন :—
لا يزال الدين ظاهرا ما عجل الناس الفطر، لأن اليهود والنصارى يؤخرونه . أبو داود :২৩৫৫
‘যতদিন মানুষ সময় হওয়া মাত্র ইফতার করবে ততদিন দ্বীন বিজয়ী থাকবে। কেননা ইহুদী ও খ্রিস্টানরা ইফতারিতে দেরি করে।’ [আবু দাউদ : ২৩৫৫]
হাদীসে আরো এসেছে—
قال أبو الدرداء رضي الله عنه : ثلاث من أخلاق النبوة : تعجيل الإفطار، وتأخير السحور، ووضع اليمين على الشمال في الصلاة . مصنف عبد الرزاق :৭৬১৭
আবু দারদা রা. বলেন : ‘তিনটি বিষয় নবী চরিত্রের অংশ : সময় হওয়া মাত্র ইফতার করে ফেলা, দেরি করে সাহরী খাওয়া ও সালাতে দাঁড়িয়ে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখা।’ [মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক : ৭৬১৮]
আমর ইবনে মায়মূন আওদী বলেন:—
كان أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم أسرع الناس إفطارا وأبطأهم سحورا . عبد الرزاق :৭৫৯১
‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর সাহাবীরা সকলের চেয়ে তাড়াতাড়ি (সময় হওয়া মাত্র) ইফতার করতেন ও সকলের চেয়ে দেরিতে সাহরী খেতেন।’ [মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক : ৭৫৯১]
কোন ব্যক্তি দেখে-শুনে ধারণা করে নিল যে, সূর্য ডুবে গেছে ও সে ইফতার করে নিল অথচ সূর্য তখনও অস্ত যায়নি। এমতাবস্থায় তার সওমের কোন ক্ষতি হবে না। তবে ইফতার শুরু করার পর সে যদি বুঝতে পারে সূর্য এখনও অস্ত যায়নি তা হলে সাথে সাথে পানাহার থেকে বিরত হয়ে যাবে। তার বিষয়টা যে ভুলে পানাহার করেছে তার মতই।
(আরবি)
‘অতঃপর রাত পর্যন্ত সিয়াম পালন করবে।’ [সূরা বাকারা : ১৮৭]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
إذا أقبل الليل من هاهنا وأدبر النهارمن هاهنا وغربت الشمس فقد أفطر الصائم . البخاري :১৮৫৩
‘যখন এখান থেকে রাত্রির আগমন ঘটে ও ওখান থেকে দিন চলে যায় এবং সূর্য অস্ত যায় তখন সিয়াম পালনকারী ইফতার করবে।’ [বুখারী : ১৮৫৩]
তাই ইফতারের আদব হল সূর্যাস্ত মাত্রই দেরি না করে ইফতার করা। সময় হওয়া মাত্র ইফতার করার ব্যাপারে অনেক হাদীসে উৎসাহ দেয়া হয়েছে। যেমন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :—
لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر . البخاري : ১৮৫৬ ومسلم :১০৯৮
‘মানুষ যতদিন পর্যন্ত সময় হওয়া মাত্র ইফতার করবে ততদিন কল্যাণের সাথে থাকবে।’ [বুখারী : ১৮৫২, মুসলিম : ১০৯৮]
তিনি আরো বলেছেন :—
لا يزال الدين ظاهرا ما عجل الناس الفطر، لأن اليهود والنصارى يؤخرونه . أبو داود :২৩৫৫
‘যতদিন মানুষ সময় হওয়া মাত্র ইফতার করবে ততদিন দ্বীন বিজয়ী থাকবে। কেননা ইহুদী ও খ্রিস্টানরা ইফতারিতে দেরি করে।’ [আবু দাউদ : ২৩৫৫]
হাদীসে আরো এসেছে—
قال أبو الدرداء رضي الله عنه : ثلاث من أخلاق النبوة : تعجيل الإفطار، وتأخير السحور، ووضع اليمين على الشمال في الصلاة . مصنف عبد الرزاق :৭৬১৭
আবু দারদা রা. বলেন : ‘তিনটি বিষয় নবী চরিত্রের অংশ : সময় হওয়া মাত্র ইফতার করে ফেলা, দেরি করে সাহরী খাওয়া ও সালাতে দাঁড়িয়ে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখা।’ [মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক : ৭৬১৮]
আমর ইবনে মায়মূন আওদী বলেন:—
كان أصحاب محمد صلى الله عليه وسلم أسرع الناس إفطارا وأبطأهم سحورا . عبد الرزاق :৭৫৯১
‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম -এর সাহাবীরা সকলের চেয়ে তাড়াতাড়ি (সময় হওয়া মাত্র) ইফতার করতেন ও সকলের চেয়ে দেরিতে সাহরী খেতেন।’ [মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক : ৭৫৯১]
কোন ব্যক্তি দেখে-শুনে ধারণা করে নিল যে, সূর্য ডুবে গেছে ও সে ইফতার করে নিল অথচ সূর্য তখনও অস্ত যায়নি। এমতাবস্থায় তার সওমের কোন ক্ষতি হবে না। তবে ইফতার শুরু করার পর সে যদি বুঝতে পারে সূর্য এখনও অস্ত যায়নি তা হলে সাথে সাথে পানাহার থেকে বিরত হয়ে যাবে। তার বিষয়টা যে ভুলে পানাহার করেছে তার মতই।