১
সাহাবীগণের হক ও ফযীলত সম্পর্কে যথাযথ করণীয়
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আল-কুসাইর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
দশজন ব্যতীত নির্দিষ্ট কতক সাহাবীর ফযীলত:
দশজন ব্যতীত অন্যান্য সাহাবীকেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। যেমন, সাবিত ইবন কায়িস ইবন সাম্মাস, উক্কাশাহ ইবন মিহসান, আব্দুল্লাহ ইবন সালাম, হাসান ও হুসাইন এবং মুমিনদের মায়েরা। আল্লাহ তাদের সবার ওপর সন্তুষ্ট হোন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক তাদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করা তাদের জন্য অনেক বড় সৌভাগ্য, যা অন্যান্যদের ভাগ্যে হয় নি।
নির্দিষ্টভাবে তাদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়াতের একটি দলীল। কারণ, তিনি যাদের ব্যাপারে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন, তারা সবাই আজীবন দীনের প্রতিষ্ঠিত ছিলেন, তাই আল্লাহ তাদের জন্য যে মর্যাদা নির্ধারণ করেছেন স্বাভাবিকভাবে সেখানে তারা পৌঁছতে সক্ষম হয়েছে। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আত তাদের সবার জন্য জান্নাতের সাক্ষী প্রদান করে। কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে নির্দিষ্টভাবে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত কারও জন্য জান্নাত কিংবা জাহান্নামের সাক্ষী দেওয়া বিবেকের কাজ নয়, বরং সেটি সম্পূর্ণভাবে শরী‘আতের ওপর নির্ভরশীল। শরী‘আত তাদের পক্ষে জান্নাতের সাক্ষী দিয়েছে, তাই আমরাও জান্নাতের সাক্ষী দিব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে জান্নাতী বলে সাক্ষী দেন নি, আমরা তাকে জান্নাতী হিসেবে সাক্ষী দিব না। কারণ, তাহলে আল্লাহর ওপর কথা বলা হবে যা মস্তবড় অন্যায়। তবে আমরা ভালো মুসলিমের জন্য জান্নাতের আশা করি, আর অপরাধী মুসলিমের ওপর শাস্তির আশঙ্কা করি।
নির্দিষ্টভাবে তাদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ প্রদান করা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নবুওয়াতের একটি দলীল। কারণ, তিনি যাদের ব্যাপারে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন, তারা সবাই আজীবন দীনের প্রতিষ্ঠিত ছিলেন, তাই আল্লাহ তাদের জন্য যে মর্যাদা নির্ধারণ করেছেন স্বাভাবিকভাবে সেখানে তারা পৌঁছতে সক্ষম হয়েছে। আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আত তাদের সবার জন্য জান্নাতের সাক্ষী প্রদান করে। কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে নির্দিষ্টভাবে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত কারও জন্য জান্নাত কিংবা জাহান্নামের সাক্ষী দেওয়া বিবেকের কাজ নয়, বরং সেটি সম্পূর্ণভাবে শরী‘আতের ওপর নির্ভরশীল। শরী‘আত তাদের পক্ষে জান্নাতের সাক্ষী দিয়েছে, তাই আমরাও জান্নাতের সাক্ষী দিব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে জান্নাতী বলে সাক্ষী দেন নি, আমরা তাকে জান্নাতী হিসেবে সাক্ষী দিব না। কারণ, তাহলে আল্লাহর ওপর কথা বলা হবে যা মস্তবড় অন্যায়। তবে আমরা ভালো মুসলিমের জন্য জান্নাতের আশা করি, আর অপরাধী মুসলিমের ওপর শাস্তির আশঙ্কা করি।