১
সাহাবীগণের হক ও ফযীলত সম্পর্কে যথাযথ করণীয়
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আল-কুসাইর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
হিদায়াতের ওপর পরিচালিত খলিফাদের ফযীলত ও সিরিয়াল:
আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত একমত যে, পরিপূর্ণ হিদায়াতের ওপর পরিচালিত খলিফা চারজন, তারা সবাই শ্রেষ্ঠ মুহাজির ছিলেন। উম্মতের ভেতর নবীর পর তারাই অধিক মর্যাদার অধিকারী। তারা সবাই বিবাহ সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আত্মীয়। তাদের প্রত্যেকের এমন কতক ফযীলত রয়েছে, যে স্তরে উম্মত থেকে অন্য কেউ পৌঁছতে পারে নি। আল্লাহ তাদের সবার ওপর সন্তুষ্ট হোন।
আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ও অন্যান্য সাহাবীর বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে আহলুস সুন্নাহ একমত যে, নবীর পর সর্বশ্রেষ্ঠ আবু বকর, অতঃপর উমার, তবে উসমান ও আলীর ব্যাপারে দ্বিমত রয়েছে কে উত্তম? কেউ উসমানকে অগ্রগামী করে চুপ থেকেছেন এবং চার নাম্বারে আলীর কথা বলেছেন। কেউ আলীকে অগ্রগামী করেছেন, আর একদল নীরবতা অবলম্বন করেছেন। শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়াহ রহ. প্রথম সিদ্ধান্তকে, অর্থাৎ উসমানকে আলীর ওপর প্রাধান্য দেওয়ার মতকে কয়েকটি কারণে সুপ্রযুক্ত বলেছেন। যেমন,
১. উসমান সম্পর্কে ফযীলতের হাদীসসমূহ।
২. সাহাবীগণ আলীর আগে উসমানকে খলিফা হিসেবে নির্বাচন করেছেন। এ সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে তাদের নিকট উসমান আলী থেকে উত্তম ছিলেন। ইমাম বুখারী রহ. ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন:
«كنا نخير بين الناس في زمن النبي صلى الله عليه وسلم فنخير» .
“আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে মানুষের ভেতর প্রাধান্য দিতাম কে উত্তম, তাই প্রাধান্য দিতাম”।
আবু দাউদের বর্ণনায় এসেছে: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবিত অবস্থায় বলতাম:
«أفضل أمة النبي صلى الله عليه وسلم أبو بكر ثم عمر بن الخطاب ثم عثمان» .
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের ভেতর সর্বোত্তম আবু বকর, অতঃপর উমার ইবনুল খাত্তাব, অতঃপর উসমান”।
৩. আহলুস সুন্নাহর নিকট সার্বিক বিবেচনায় আলী থেকে উসমান অগ্রগামী, সাহাবীগণ যেভাবে তাকে বাই‘আতের ক্ষেত্রে অগ্রগামী করেছেন। আব্দুর রহমান ইবন আউফ বলেন, “আমি মানুষের মতামত যাচাই করেছি, তারা কাউকে উসমানের সমান জানে না”। একাধিক সালাফ (আদর্শ পুরুষ) বলেছেন: “যে উসমানকে আলীর ওপর প্রাধান্য দিল না, সে মুহাজির ও আনসারদের সিদ্ধান্তকে অবজ্ঞা করল”। এসব কথা প্রমাণ করে আলি থেকে উসমান শ্রেষ্ঠ ও উত্তম। কারণ, সাহাবীগণ পরামর্শ করার পরেই তাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আলি নিজেও তার হাতে বাই‘আত করেছেন। উসমান তার সামনে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করতেন।
উসমানকে আলীর ওপর প্রাধান্য দেওয়ার ঐকমত্য প্রমাণ করে উসমানের পর আলীই সর্বোত্তম ও খিলাফতের অধিক হকদার। কারণ, আলীর যুগে আলীই ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ। আবার খলিফা হয়েছেনও তিনি। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি দু’জাহানের রব।
সাধারণভাবে সকল সাহাবীর শ্রেষ্ঠত্ব ও ফযীলত স্বীকার করার পর আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আত সবাই একমত যে, সাহাবীগণের ভেতর সর্বোত্তম হলেন আবু বকর সিদ্দিক, অতঃপর উমার ফারুক, অতঃপর উসমান যিন-নূরাইন, অতঃপর আলী মুরতাযা। অতঃপর জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত অবশিষ্ট দশজন সাহাবী, অতঃপর বদরে অংশগ্রহণকারী সাহাবীগণ, অতঃপর বাই‘আতে রিদওয়ানে উপস্থিত সাহাবীগণ, অতঃপর অন্যান্য সাহাবী যারা ফাতহে মক্কার আগে ইসলাম গ্রহণ করেছেন, অতঃপর যারা ফাতহে মক্কার পর ইসলাম গ্রহণ করেছেন ও জিহাদে অংশ নিয়েছেন।
আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু ও অন্যান্য সাহাবীর বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে আহলুস সুন্নাহ একমত যে, নবীর পর সর্বশ্রেষ্ঠ আবু বকর, অতঃপর উমার, তবে উসমান ও আলীর ব্যাপারে দ্বিমত রয়েছে কে উত্তম? কেউ উসমানকে অগ্রগামী করে চুপ থেকেছেন এবং চার নাম্বারে আলীর কথা বলেছেন। কেউ আলীকে অগ্রগামী করেছেন, আর একদল নীরবতা অবলম্বন করেছেন। শাইখুল ইসলাম ইবন তাইমিয়াহ রহ. প্রথম সিদ্ধান্তকে, অর্থাৎ উসমানকে আলীর ওপর প্রাধান্য দেওয়ার মতকে কয়েকটি কারণে সুপ্রযুক্ত বলেছেন। যেমন,
১. উসমান সম্পর্কে ফযীলতের হাদীসসমূহ।
২. সাহাবীগণ আলীর আগে উসমানকে খলিফা হিসেবে নির্বাচন করেছেন। এ সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে তাদের নিকট উসমান আলী থেকে উত্তম ছিলেন। ইমাম বুখারী রহ. ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণনা করেন:
«كنا نخير بين الناس في زمن النبي صلى الله عليه وسلم فنخير» .
“আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে মানুষের ভেতর প্রাধান্য দিতাম কে উত্তম, তাই প্রাধান্য দিতাম”।
আবু দাউদের বর্ণনায় এসেছে: আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবিত অবস্থায় বলতাম:
«أفضل أمة النبي صلى الله عليه وسلم أبو بكر ثم عمر بن الخطاب ثم عثمان» .
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের ভেতর সর্বোত্তম আবু বকর, অতঃপর উমার ইবনুল খাত্তাব, অতঃপর উসমান”।
৩. আহলুস সুন্নাহর নিকট সার্বিক বিবেচনায় আলী থেকে উসমান অগ্রগামী, সাহাবীগণ যেভাবে তাকে বাই‘আতের ক্ষেত্রে অগ্রগামী করেছেন। আব্দুর রহমান ইবন আউফ বলেন, “আমি মানুষের মতামত যাচাই করেছি, তারা কাউকে উসমানের সমান জানে না”। একাধিক সালাফ (আদর্শ পুরুষ) বলেছেন: “যে উসমানকে আলীর ওপর প্রাধান্য দিল না, সে মুহাজির ও আনসারদের সিদ্ধান্তকে অবজ্ঞা করল”। এসব কথা প্রমাণ করে আলি থেকে উসমান শ্রেষ্ঠ ও উত্তম। কারণ, সাহাবীগণ পরামর্শ করার পরেই তাকে প্রাধান্য দিয়েছেন। আলি নিজেও তার হাতে বাই‘আত করেছেন। উসমান তার সামনে আল্লাহর বিধান বাস্তবায়ন করতেন।
উসমানকে আলীর ওপর প্রাধান্য দেওয়ার ঐকমত্য প্রমাণ করে উসমানের পর আলীই সর্বোত্তম ও খিলাফতের অধিক হকদার। কারণ, আলীর যুগে আলীই ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ। আবার খলিফা হয়েছেনও তিনি। সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি দু’জাহানের রব।
সাধারণভাবে সকল সাহাবীর শ্রেষ্ঠত্ব ও ফযীলত স্বীকার করার পর আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আত সবাই একমত যে, সাহাবীগণের ভেতর সর্বোত্তম হলেন আবু বকর সিদ্দিক, অতঃপর উমার ফারুক, অতঃপর উসমান যিন-নূরাইন, অতঃপর আলী মুরতাযা। অতঃপর জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত অবশিষ্ট দশজন সাহাবী, অতঃপর বদরে অংশগ্রহণকারী সাহাবীগণ, অতঃপর বাই‘আতে রিদওয়ানে উপস্থিত সাহাবীগণ, অতঃপর অন্যান্য সাহাবী যারা ফাতহে মক্কার আগে ইসলাম গ্রহণ করেছেন, অতঃপর যারা ফাতহে মক্কার পর ইসলাম গ্রহণ করেছেন ও জিহাদে অংশ নিয়েছেন।