১
সাহাবীগণের হক ও ফযীলত সম্পর্কে যথাযথ করণীয়
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আল-কুসাইর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৮
পাঁচ: ফযীলত ও মর্যাদা ক্ষেত্রে সাহাবীগণের শ্রেণিভাগ।
আহলে ইলমদের নিকট প্রমাণিত যে, সাহাবীগণ সবাই সমমর্যাদার নয়, বরং তাদের প্রত্যেকের আলাদা মর্যাদা রয়েছে। আর কতক মর্যাদা রয়েছে সামষ্টিক। যেমন, আগে ইসলাম গ্রহণ করা, দীনের জন্য হিজরত করা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আশ্রয় দেওয়া, জিহাদ ও সাহায্য করা। দীন ও নবীর স্বার্থে তারা আরও অনেক আমল আঞ্জাম দিয়েছেন।
১. হুদাইবিয়ার সন্ধির পূর্বে যেসব সাহাবী সদকা ও জিহাদে অংশ নিয়েছেন তারা হুদাইবিয়ার পর সদকা ও জিহাদে অংশগ্রহণকারী সাহাবীগণ থেকে উত্তম। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
﴿لَا يَسۡتَوِي مِنكُم مَّنۡ أَنفَقَ مِن قَبۡلِ ٱلۡفَتۡحِ وَقَٰتَلَۚ أُوْلَٰٓئِكَ أَعۡظَمُ دَرَجَةٗ مِّنَ ٱلَّذِينَ أَنفَقُواْ مِنۢ بَعۡدُ وَقَٰتَلُواْۚ وَكُلّٗا وَعَدَ ٱللَّهُ ٱلۡحُسۡنَىٰۚ وَٱللَّهُ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٞ ١٠﴾ [ الحديد : 10]
“তোমাদের ভেতর যারা মক্কা বিজয়ের পূর্বে ব্যয় ও যুদ্ধ করেছে তারা সমান নয়। তারা মর্যাদায় তাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, যারা পরে ব্যয় ও যুদ্ধ করেছে, তবে আল্লাহ প্রত্যেকের জন্যই কল্যাণের ওয়াদা করেছেন”। [সূরা আল-হাদীদ, আয়াত: ১০] তারা সবাই হলেন অগ্রবর্তী মুহাজির ও আনসার।
২. কুরআনুল কারীম প্রমাণ করে, সাধারণ নীতিতে মুহাজিরগণ আনসারদের থেকে উত্তম। যেমন, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
﴿لَّقَد تَّابَ ٱللَّهُ عَلَى ٱلنَّبِيِّ وَٱلۡمُهَٰجِرِينَ وَٱلۡأَنصَارِ ١١٧﴾ [ التوبة :117]
“নিশ্চয় আল্লাহ নবী, মুহাজির ও আনসারদের তাওবা কবুল করেছেন”। [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ১১৭]
অপর আয়াতে তিনি গণিমতের সম্পদের হকদার সম্পর্কে বলেন:
﴿وَٱلَّذِينَ تَبَوَّءُو ٱلدَّارَ وَٱلۡإِيمَٰنَ مِن قَبۡلِهِمۡ يُحِبُّونَ مَنۡ هَاجَرَ إِلَيۡهِمۡ وَلَا يَجِدُونَ فِي صُدُورِهِمۡ حَاجَةٗ مِّمَّآ أُوتُواْ وَيُؤۡثِرُونَ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمۡ وَلَوۡ كَانَ بِهِمۡ خَصَاصَةٞۚ وَمَن يُوقَ شُحَّ نَفۡسِهِۦ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُفۡلِحُونَ ٩﴾ [ الحشر : 9]
“মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে যারা মদিনাকে নিবাস হিসেবে গ্রহণ করেছিল ও ঈমান এনেছিল (তাদের জন্যও এ সম্পদে অংশ রয়েছে), আর যারা তাদের কাছে হিজরত করে এসেছে তাদেরকে ভালবাসে। মুহাজিরদেরকে যা প্রদান করা হয়েছে তার জন্য এরা তাদের অন্তরে কোনো ঈর্ষা অনুভব করে না, এবং নিজেদের অভাব থাকা সত্ত্বেও নিজেদের ওপর তাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়। যাদেরকে মনের কার্পণ্য থেকে রক্ষা করা হয়েছে তারাই সফলকাম”। [সূরা আল-হাশর, আয়াত: ৯]
এসব আয়াতে আল্লাহ সকল সাহাবীর প্রশংসা করেছেন, তবে আনসারদের পূর্বে মুহাজিরদের উল্লেখ করা প্রমাণ করে তাদের মর্যাদা ও ফযীলত বেশি। আল্লাহ তাদের সবার ওপর সন্তুষ্ট হোন। মুহাজিরগণ নিজেদের মাতৃভূমি, সম্পদ, পরিবার ও সন্তান ছেড়ে আল্লাহ ও তার রাসূলকে সাহায্য করা, তার রাস্তায় জিহাদ ও তার কালেমাকে বুলন্দ করার উদ্দেশ্যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নিকট হিজরত করেছেন।
১. হুদাইবিয়ার সন্ধির পূর্বে যেসব সাহাবী সদকা ও জিহাদে অংশ নিয়েছেন তারা হুদাইবিয়ার পর সদকা ও জিহাদে অংশগ্রহণকারী সাহাবীগণ থেকে উত্তম। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
﴿لَا يَسۡتَوِي مِنكُم مَّنۡ أَنفَقَ مِن قَبۡلِ ٱلۡفَتۡحِ وَقَٰتَلَۚ أُوْلَٰٓئِكَ أَعۡظَمُ دَرَجَةٗ مِّنَ ٱلَّذِينَ أَنفَقُواْ مِنۢ بَعۡدُ وَقَٰتَلُواْۚ وَكُلّٗا وَعَدَ ٱللَّهُ ٱلۡحُسۡنَىٰۚ وَٱللَّهُ بِمَا تَعۡمَلُونَ خَبِيرٞ ١٠﴾ [ الحديد : 10]
“তোমাদের ভেতর যারা মক্কা বিজয়ের পূর্বে ব্যয় ও যুদ্ধ করেছে তারা সমান নয়। তারা মর্যাদায় তাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, যারা পরে ব্যয় ও যুদ্ধ করেছে, তবে আল্লাহ প্রত্যেকের জন্যই কল্যাণের ওয়াদা করেছেন”। [সূরা আল-হাদীদ, আয়াত: ১০] তারা সবাই হলেন অগ্রবর্তী মুহাজির ও আনসার।
২. কুরআনুল কারীম প্রমাণ করে, সাধারণ নীতিতে মুহাজিরগণ আনসারদের থেকে উত্তম। যেমন, আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন:
﴿لَّقَد تَّابَ ٱللَّهُ عَلَى ٱلنَّبِيِّ وَٱلۡمُهَٰجِرِينَ وَٱلۡأَنصَارِ ١١٧﴾ [ التوبة :117]
“নিশ্চয় আল্লাহ নবী, মুহাজির ও আনসারদের তাওবা কবুল করেছেন”। [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ১১৭]
অপর আয়াতে তিনি গণিমতের সম্পদের হকদার সম্পর্কে বলেন:
﴿وَٱلَّذِينَ تَبَوَّءُو ٱلدَّارَ وَٱلۡإِيمَٰنَ مِن قَبۡلِهِمۡ يُحِبُّونَ مَنۡ هَاجَرَ إِلَيۡهِمۡ وَلَا يَجِدُونَ فِي صُدُورِهِمۡ حَاجَةٗ مِّمَّآ أُوتُواْ وَيُؤۡثِرُونَ عَلَىٰٓ أَنفُسِهِمۡ وَلَوۡ كَانَ بِهِمۡ خَصَاصَةٞۚ وَمَن يُوقَ شُحَّ نَفۡسِهِۦ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡمُفۡلِحُونَ ٩﴾ [ الحشر : 9]
“মুহাজিরদের আগমনের পূর্বে যারা মদিনাকে নিবাস হিসেবে গ্রহণ করেছিল ও ঈমান এনেছিল (তাদের জন্যও এ সম্পদে অংশ রয়েছে), আর যারা তাদের কাছে হিজরত করে এসেছে তাদেরকে ভালবাসে। মুহাজিরদেরকে যা প্রদান করা হয়েছে তার জন্য এরা তাদের অন্তরে কোনো ঈর্ষা অনুভব করে না, এবং নিজেদের অভাব থাকা সত্ত্বেও নিজেদের ওপর তাদেরকে অগ্রাধিকার দেয়। যাদেরকে মনের কার্পণ্য থেকে রক্ষা করা হয়েছে তারাই সফলকাম”। [সূরা আল-হাশর, আয়াত: ৯]
এসব আয়াতে আল্লাহ সকল সাহাবীর প্রশংসা করেছেন, তবে আনসারদের পূর্বে মুহাজিরদের উল্লেখ করা প্রমাণ করে তাদের মর্যাদা ও ফযীলত বেশি। আল্লাহ তাদের সবার ওপর সন্তুষ্ট হোন। মুহাজিরগণ নিজেদের মাতৃভূমি, সম্পদ, পরিবার ও সন্তান ছেড়ে আল্লাহ ও তার রাসূলকে সাহায্য করা, তার রাস্তায় জিহাদ ও তার কালেমাকে বুলন্দ করার উদ্দেশ্যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নিকট হিজরত করেছেন।