১
সাহাবীগণের হক ও ফযীলত সম্পর্কে যথাযথ করণীয়
লেখকঃ আব্দুল্লাহ ইবন সালিহ আল-কুসাইর • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫
দুই: সাহাবীগণের ফযীলত ও জীবন চরিত আলোচনা করার উদ্দেশ্য এবং তাদের সম্পর্কে আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামা‘আতের আকিদা।
উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর মৃত্যুর পর খারেজী, রাফেযী ও নাসেবীদের বিদ‘আত প্রকাশ পায়। খারেজীরা আলী, মুয়াবিয়া ও আমর ইবনুল আস রাদিয়াল্লাহু আনহুমকে কাফির বলে। কারণ, তারা আবু মুসা আশআরি ও আমর ইবনুল আসকে বিচারক নির্বাচন করেছিল। এ দিকে রাফেজিরা আলি, আলির পরিবার ও কয়েকজন সাহাবীর ক্ষেত্রে অতিভক্তি, সীমালঙ্ঘন ও বাড়াবাড়িতে লিপ্ত হয়। তাদেরকে ছাড়া সকল সাহাবীকে কাফির বলে এবং তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয়। আবার খারেজী, রাফেযী ও অন্যান্য কতক শ্রেণি থেকে আরেকটি ভ্রান্তদল আত্মপ্রকাশ করে, তাদেরকে বলা হয় নাসেবী। নাসেবীরা সকল সাহাবীকে নিন্দা ও গাল-মন্দ করে, তাদের ইসলামকে অপবাদ দেয় ও তাদের দীনদারি সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করে, যে দীন তাদেরকে শিখিয়েছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এভাবে তারা সাহাবীগণের ফযীলত অস্বীকার করে, উল্টো দাবি করে সাহাবীগণ দীনের বিপরীত ও দীনকে ধ্বংসকারী কাজে লিপ্ত হয়েছেন। এ অজুহাতে তারা সাহাবীগণের কাফির ঘোষণা দিয়ে তাদের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হয় এবং তাদের রক্ত ও সম্পদকে হালাল মনে করে। আহলুস সুন্নাহ এসব ফিতনার মোকাবিলা করেন দু’ভাবে:
১. কুরআন ও হাদীসের দৃষ্টিতে সাহাবীগণের ফজিলত, দীনের ভেতর তাদের মর্যাদা ও উম্মতের ভেতর তাদের শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেন। খারেজী, রাফেযী ও অন্যান্য বিদ‘আতীরা যেসব অপবাদ তাদের ওপর আরোপ করেছিল, তার থেকে তাদেরকে মুক্ত, পবিত্র ও নিরাপদ প্রমাণ করেন।
২. সাহাবীগণের মাঝে সৃষ্ট যুদ্ধ-বিগ্রহ সম্পর্কে কী করণীয় সেটি তারা বলেন ও বিদ‘আতীদের প্রতিবাদ করেন।
১. কুরআন ও হাদীসের দৃষ্টিতে সাহাবীগণের ফজিলত, দীনের ভেতর তাদের মর্যাদা ও উম্মতের ভেতর তাদের শ্রেষ্ঠত্ব বর্ণনা করেন। খারেজী, রাফেযী ও অন্যান্য বিদ‘আতীরা যেসব অপবাদ তাদের ওপর আরোপ করেছিল, তার থেকে তাদেরকে মুক্ত, পবিত্র ও নিরাপদ প্রমাণ করেন।
২. সাহাবীগণের মাঝে সৃষ্ট যুদ্ধ-বিগ্রহ সম্পর্কে কী করণীয় সেটি তারা বলেন ও বিদ‘আতীদের প্রতিবাদ করেন।