১
ইসলামী বিধান ও আধুনিক বিজ্ঞান (প্রথম খন্ড)
লেখকঃ মুহাম্মাদ ওসমান গনি • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৯
গরম পাত্রে ফুঁক দেয়া নিষেধ কেন?
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে কেন পাত্রে ফুঁক দিতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেছেনঃ
إذا شَرِبَ أحَدُكُمْ فَلا يَتَنَفَّسْ فى الْانَاءِ ( رواه البخاري )
অর্থঃ যখন তোমাদের কেউ পান করবে তখন সে যেন পাত্রটিতে ফুঁক না দেয়। (বুখারী)।
কেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গরম খাদ্য খাওয়ার সময় অথবা পান করার সময় সেই খাদ্য অথবা পানীয় বস্ত্ততে ফুঁক দিতে নিষেধ করলেন? কি রয়েছে এই ফুৎকারে? এমনিই অযথা এবং অযৌক্তিক কি এই নিষেধাজ্ঞা? না রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদেশ অথবা নিষেধ কখনই অবান্তর বা অযৌক্তিক নয়, বরং তাঁর প্রতিটি নির্দেশ ও নিষেধে রয়েছে মানব জাতির সার্বিক কল্যাণ ও সফলতা।
অবশ্যই যে হাওয়া মানুষের শরীর থেকে বের হয় তাতে এমন পদার্থ রয়েছে যা মানব জাতির চরম ক্ষতি আনয়ন করে। বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রকাশ যে, যক্ষ্মা রোগ যে সকল মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে সেই মাধ্যমগুলোর প্রধান পন্থা বা মাধ্যম হচ্ছে কোন পাত্রে ফুঁক দেয়া। বিশেষ করে গরমের কারণে মানুষ পাত্রে ফুঁক দেয়। যক্ষ্মার জীবানুগুলো যত বেশী গরম পায় তত বৃদ্ধি পায়। আর যত গরম কম হয় তাতে এই জীবানু মরে যায়। সুদানের অধিকাংশ অধিবাসী এই যক্ষা রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসাকগণ এ ব্যাপারে পরীক্ষা নিরীক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে এটা জানতে পেরেছেন যে, সুদান অধিবাসীরা অত্যাধিক গরম পানীয় পান করে সীমালংঘন করত এবং পান করার সময় তাতে ফুঁক দিয়ে পান করত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশের বিপরীত কাজ করার কারণেই সুদানে যক্ষ্মা রোগের বিস্তার এতো বেশী।
إذا شَرِبَ أحَدُكُمْ فَلا يَتَنَفَّسْ فى الْانَاءِ ( رواه البخاري )
অর্থঃ যখন তোমাদের কেউ পান করবে তখন সে যেন পাত্রটিতে ফুঁক না দেয়। (বুখারী)।
কেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গরম খাদ্য খাওয়ার সময় অথবা পান করার সময় সেই খাদ্য অথবা পানীয় বস্ত্ততে ফুঁক দিতে নিষেধ করলেন? কি রয়েছে এই ফুৎকারে? এমনিই অযথা এবং অযৌক্তিক কি এই নিষেধাজ্ঞা? না রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদেশ অথবা নিষেধ কখনই অবান্তর বা অযৌক্তিক নয়, বরং তাঁর প্রতিটি নির্দেশ ও নিষেধে রয়েছে মানব জাতির সার্বিক কল্যাণ ও সফলতা।
অবশ্যই যে হাওয়া মানুষের শরীর থেকে বের হয় তাতে এমন পদার্থ রয়েছে যা মানব জাতির চরম ক্ষতি আনয়ন করে। বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানে প্রকাশ যে, যক্ষ্মা রোগ যে সকল মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে সেই মাধ্যমগুলোর প্রধান পন্থা বা মাধ্যম হচ্ছে কোন পাত্রে ফুঁক দেয়া। বিশেষ করে গরমের কারণে মানুষ পাত্রে ফুঁক দেয়। যক্ষ্মার জীবানুগুলো যত বেশী গরম পায় তত বৃদ্ধি পায়। আর যত গরম কম হয় তাতে এই জীবানু মরে যায়। সুদানের অধিকাংশ অধিবাসী এই যক্ষা রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসাকগণ এ ব্যাপারে পরীক্ষা নিরীক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে এটা জানতে পেরেছেন যে, সুদান অধিবাসীরা অত্যাধিক গরম পানীয় পান করে সীমালংঘন করত এবং পান করার সময় তাতে ফুঁক দিয়ে পান করত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশের বিপরীত কাজ করার কারণেই সুদানে যক্ষ্মা রোগের বিস্তার এতো বেশী।