১
তাক্বওয়া অর্জনের উপায়
লেখকঃ মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন কামরুল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
তাক্বওয়ার ফলাফল
ইহকালীন ও পরকালীন জীবনে তাক্বওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এটি উভয় জগতে ব্যাপক কল্যাণ বয়ে আনে। কুরআন মাজীদে এসেছে,
﴿وَمَنْ يَّتَّقِ اللهَ يُكَفِّرْ عَنْهُ سَيِّئَاتِهٖ وَيُعْظِمْ لَهٗۤ اَجْرًا﴾
যে আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার পাপ মোচন করবেন এবং তাকে মহাপুরস্কারে ভূষিত করবেন। (সূরা তালাক্ব- ৫)
﴿اِنَّ الْعَاقِبَةَ لِلْمُتَّقِيْنَ﴾
নিশ্চয় শুভ পরিণাম মুত্তাক্বীদের জন্য। (সূরা হুদ- ৪৯)
﴿وَمَنْ يُّطِعِ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ وَيَخْشَ اللهَ وَيَتَّقْهِ فَاُولٰٓئِكَ هُمُ الْفَآئِزُوْنَ﴾
যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে ও তাঁর অবাধ্যতা হতে সাবধান থাকে তারাই সফলকাম। (সূরা নূর- ৫২)
হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ لِلنَّبِيِّ فَقَالَ يَا رَسُولَ الله أَوْصِنِي قَالَ عَلَيْكَ بِتَقْوَى اللهِ فَإِنَّهٗ جِمَاعُ كُلِّ خَيْرٍ
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি নবী ﷺ এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে উপদেশ দিন। তখন তিনি বললেন, তোমার উপর আবশ্যক হচ্ছে তুমি তাক্বওয়া অবলম্বন করবে। কেননা এটিই হচ্ছে সকল কল্যাণের সমাবেশকারী। [সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৮৬৯।]
অপর হাদীসে এসেছে,
أُوصِيكَ بِتَقْوَى اللّٰهِ فَإِنَّهٗ رَأْسُ كُلِّ شَيْءٍ
আমি তোমাকে তাক্বওয়া অর্জন করার উপদেশ দিচ্ছি। কেননা এটা হচ্ছে সকল কিছুর মূল। [সিলসিলা সহীহাহ হা/৫৫৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/১১৭৯১; মাযমাউয যাওয়াইদ, হা/৭১১১।]
অপর হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَنْ يَزَالَ بِخَيْرٍ مَا اتَّقَى اللهَ
নিশ্চয় তোমাদের কেউ ততক্ষণ কল্যাণের মধ্যে থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত সে তাক্বওয়াবান থাকবে। [সহীহ বুখারী, হা/২৯৬৪।]
যেহেতু তাক্বওয়ার মধ্যেই সকল কল্যাণের সমাবেশ ঘটেছে, সুতরাং এর ফলাফলও ব্যাপক। তবে সার্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে সেগুলোকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ক) পার্থিব ফলাফল এবং খ) পরকালীন ফলাফল। নিম্নে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো :
﴿وَمَنْ يَّتَّقِ اللهَ يُكَفِّرْ عَنْهُ سَيِّئَاتِهٖ وَيُعْظِمْ لَهٗۤ اَجْرًا﴾
যে আল্লাহকে ভয় করে তিনি তার পাপ মোচন করবেন এবং তাকে মহাপুরস্কারে ভূষিত করবেন। (সূরা তালাক্ব- ৫)
﴿اِنَّ الْعَاقِبَةَ لِلْمُتَّقِيْنَ﴾
নিশ্চয় শুভ পরিণাম মুত্তাক্বীদের জন্য। (সূরা হুদ- ৪৯)
﴿وَمَنْ يُّطِعِ اللهَ وَرَسُوْلَهٗ وَيَخْشَ اللهَ وَيَتَّقْهِ فَاُولٰٓئِكَ هُمُ الْفَآئِزُوْنَ﴾
যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, আল্লাহকে ভয় করে ও তাঁর অবাধ্যতা হতে সাবধান থাকে তারাই সফলকাম। (সূরা নূর- ৫২)
হাদীসে এসেছে,
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ لِلنَّبِيِّ فَقَالَ يَا رَسُولَ الله أَوْصِنِي قَالَ عَلَيْكَ بِتَقْوَى اللهِ فَإِنَّهٗ جِمَاعُ كُلِّ خَيْرٍ
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি নবী ﷺ এর নিকট এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে উপদেশ দিন। তখন তিনি বললেন, তোমার উপর আবশ্যক হচ্ছে তুমি তাক্বওয়া অবলম্বন করবে। কেননা এটিই হচ্ছে সকল কল্যাণের সমাবেশকারী। [সহীহ তারগীব ওয়াত তারহীব, হা/২৮৬৯।]
অপর হাদীসে এসেছে,
أُوصِيكَ بِتَقْوَى اللّٰهِ فَإِنَّهٗ رَأْسُ كُلِّ شَيْءٍ
আমি তোমাকে তাক্বওয়া অর্জন করার উপদেশ দিচ্ছি। কেননা এটা হচ্ছে সকল কিছুর মূল। [সিলসিলা সহীহাহ হা/৫৫৫; মুসনাদে আহমাদ, হা/১১৭৯১; মাযমাউয যাওয়াইদ, হা/৭১১১।]
অপর হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,
وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَنْ يَزَالَ بِخَيْرٍ مَا اتَّقَى اللهَ
নিশ্চয় তোমাদের কেউ ততক্ষণ কল্যাণের মধ্যে থাকবে, যতক্ষণ পর্যন্ত সে তাক্বওয়াবান থাকবে। [সহীহ বুখারী, হা/২৯৬৪।]
যেহেতু তাক্বওয়ার মধ্যেই সকল কল্যাণের সমাবেশ ঘটেছে, সুতরাং এর ফলাফলও ব্যাপক। তবে সার্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে সেগুলোকে দু’ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ক) পার্থিব ফলাফল এবং খ) পরকালীন ফলাফল। নিম্নে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো :