১
তাক্বওয়া অর্জনের উপায়
লেখকঃ মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন কামরুল • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২
প্রথম কথা
اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ وَالصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ عَلٰى رَسُوْلِه مُحَمَّدٍ وَّعَلٰى اٰلِه وَصَحْبِه اَجْمَعِيْنَ
সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক বিশ্বনবী মুহাম্মাদ ﷺ এর উপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) এর উপর।
তাক্বওয়া মুমিনের জীবনে অতি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। তাক্বওয়া এত মূল্যবান জিনিস যে, এর ফলে যে কল্যাণ ও উপকার পাওয়া যায় অন্য কিছুর দ্বারা তা পাওয়া যায় না। যেমন কুরআন থেকে হেদায়াত লাভে ধন্য হয় মুত্তাকীরা। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿هُدًىْ لِّلْمُتَّقِيْنَ﴾
যাদের তাক্বওয়া আছে তারাই এর থেকে হেদায়াত পায়। (সূরা বাকারা- ২)
চিরস্থায়ী সুখ ও শান্তির ঠিকানা হলো জান্নাত। সেই জান্নাতে মুত্তাকীরাই যাবে। যত নেক আমল রয়েছে এর বাহ্যিক কাঠামো আল্লাহর কাছে পৌঁছে না; বরং তাক্বওয়াই তাঁর কাছে পৌঁছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿لَنْ يَّنَالَ اللهَ لُحُوْمُهَا وَلَا دِمَآؤُهَا وَلٰكِنْ يَّنَالُهُ التَّقْوٰى مِنْكُمْ﴾
তোমাদের কুরবানীর পশুর রক্ত এবং গোশত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না; বরং তাক্বওয়াই আল্লাহর কাছে পৌঁছে। (সূরা হাজ্জ- ৩৭)
এ বইটিতে তাক্বওয়ার সংজ্ঞা, তাক্বওয়ার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য, তাক্বওয়ার পার্থিব ফলাফল, তাক্বওয়ার পরকালীন পুরস্কার, তাক্বওয়া অর্জন না করার পরিণাম ও মুত্তাক্বীদের বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটি মুসলিম ভাই-বোনদের অনেক উপকারে আসবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে মুত্তাকী হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন!
বইটি প্রকাশনার কাজে যাদের সহযোগিতা রয়েছে আল্লাহ তা‘আলা যেন সবাইকে উত্তম বিনিময় দান করেন এবং এ প্রচেষ্টাকে পরকালের মুক্তির ওসীলা বানিয়ে দেন। আমীন
মা‘আস্সালাম
মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন কামরুল
সকল প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার জন্য। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক বিশ্বনবী মুহাম্মাদ ﷺ এর উপর এবং তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) এর উপর।
তাক্বওয়া মুমিনের জীবনে অতি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। তাক্বওয়া এত মূল্যবান জিনিস যে, এর ফলে যে কল্যাণ ও উপকার পাওয়া যায় অন্য কিছুর দ্বারা তা পাওয়া যায় না। যেমন কুরআন থেকে হেদায়াত লাভে ধন্য হয় মুত্তাকীরা। আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন,
﴿هُدًىْ لِّلْمُتَّقِيْنَ﴾
যাদের তাক্বওয়া আছে তারাই এর থেকে হেদায়াত পায়। (সূরা বাকারা- ২)
চিরস্থায়ী সুখ ও শান্তির ঠিকানা হলো জান্নাত। সেই জান্নাতে মুত্তাকীরাই যাবে। যত নেক আমল রয়েছে এর বাহ্যিক কাঠামো আল্লাহর কাছে পৌঁছে না; বরং তাক্বওয়াই তাঁর কাছে পৌঁছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿لَنْ يَّنَالَ اللهَ لُحُوْمُهَا وَلَا دِمَآؤُهَا وَلٰكِنْ يَّنَالُهُ التَّقْوٰى مِنْكُمْ﴾
তোমাদের কুরবানীর পশুর রক্ত এবং গোশত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না; বরং তাক্বওয়াই আল্লাহর কাছে পৌঁছে। (সূরা হাজ্জ- ৩৭)
এ বইটিতে তাক্বওয়ার সংজ্ঞা, তাক্বওয়ার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য, তাক্বওয়ার পার্থিব ফলাফল, তাক্বওয়ার পরকালীন পুরস্কার, তাক্বওয়া অর্জন না করার পরিণাম ও মুত্তাক্বীদের বৈশিষ্ট্য ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটি মুসলিম ভাই-বোনদের অনেক উপকারে আসবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সবাইকে মুত্তাকী হওয়ার তাওফীক দান করুন। আমীন!
বইটি প্রকাশনার কাজে যাদের সহযোগিতা রয়েছে আল্লাহ তা‘আলা যেন সবাইকে উত্তম বিনিময় দান করেন এবং এ প্রচেষ্টাকে পরকালের মুক্তির ওসীলা বানিয়ে দেন। আমীন
মা‘আস্সালাম
মোহাম্মদ ইমাম হোসাইন কামরুল