১- অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখার জন্য যাওয়ার গুরুত্ব। অসুস্থ ব্যক্তিকে সেবা করার লক্ষ্যে দেখতে যাওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেমন উম্মাতকে নির্দেশ দিয়েছেন তেমনি তিনি নিজেও সর্বদা আমল করেছেন। এটি মুসলমানদের একটি কর্তব্যও বটে। কোন মুসলমান অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত হয়ে পড়লে সে অন্য মুসলমান থেকে সেবা পাওয়ার অধিকার রাখে।
২- আল্লাহর পথে সম্পদ ব্যয় করতে সাহাবায়ে কেরামের গভীর আগ্রহ।
৩- মৃত্যুকালে এক তৃতীয়াংশের বেশি সম্পদ দান বা দানের অসীয়ত করা যাবে না। যদি কেহ করে তবে তা শুধু এক তৃতীয়াংশের মধ্যে কার্যকর হবে।
৪- নিজের সম্পদ থেকে উত্তরাধিকারীদের কোনভাবে বঞ্চিত করা ঠিক নয়।
৫- নিজের সন্তান যেন সচ্ছলভাবে জীবন যাপন করতে পারে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করার প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উৎসাহ প্রদান।
৬- পরিবার পরিজনের জন্য যাবতীয় খরচা যদি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়্যতে করা হয় তবে তাতেও সওয়াব অর্জিত হয়।
৭- সকল প্রকার খরচ বা সম্পদ ব্যয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের দিক লক্ষ্য রাখতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দিক-নির্দেশনা।
৮- মক্কা থেকে হিজরত করার পর আবার মক্কায় বসবাস করে সেখানে
মৃত্যু বরণ করাকে
সাহাবায়ে কেরাম অপছন্দ করেছেন।
৯- আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য যে কোন সৎকর্ম সম্পাদন করা হলে তাতে সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
১০- যে কোন বিষয় ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় দৃষ্টি ভংগি নিয়ে বিবেচনা করা দরকার। এমনিভাবে কেহ পরামর্শ চাইলে উভয় দিকে বিবেচনা করে পরামর্শ দেয়া উচিত।
১১- সাহাবায়ে কেরামের দৃঢ়তার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুআ করেছেন।
১২- কারো অনাকাঙ্ক্ষিত কোন বিষয় ঘটে গেলে তার জন্য সমবেদনা প্রকাশ করা একটি মহৎ চরিত্র।
১৩- হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবী সাআদ বিন আবি ওয়াক্কাস রা. সে যাত্রায় সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি সতের জন ছেলে ও বার জন মেয়ের পিতা হয়েছিলেন। তিনি মুআবিয়া রা. এর খেলাফতকাল পর্যন্ত জীবিত ছিলেন। তিনি বহু অভিযানে সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।