১
প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য কাজ ও কথায় নিয়্যত করা এবং ইখলাছ অবলম্বন করা
লেখকঃ আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২২
হাদীস-১০.
১০ - عن أبي هريرة رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : صَلاةُ الرَّجُلِ فِي جَمَاعَةٍ تَزِيْدُ عَلى صَلاتِه فِي بَيْتِه وصَلاتِه فِي سُوقِه بِضْعاَ وَعِشْرِيْنَ دَرَجَة، وَذَلِكَ أنَّ أحَدَهُمْ إذَا تَوَضّأ فأحْسَنَ الْوَضُوءَ، ثُمَّ أتَى الْمَسْجِدَ لا يُريْدُ إلا الصلاةُ، ولا يَنْهَزُه إلا الصلاةُ، لَمْ يَخطُ خَطْوَةً إلا رُفِعَ لَه بِهاَ دَرَجَةً وَحُطَّ عَنْهُ بِها خَطِيئةٌ حَتَّى يَدْخُلَ المَسْجِدَ، فإذا دَخَلَ المَسْجِدَ كَانَ فِي الصَلاَةِ ما كانَتِ الصَلاةُ هِيَ تَحْبسُهُ، وَالمَلائِكَةُ يُصَلُّونَ على أحَدِكُمْ ما دامَ فِي مَجْلِسِه الذِي صَلى فِيه، يَقُولُونَ : اللّهُمَّ ارْحَمْهُ، أللّهُمَّ اغْفِرلَه، أللَّهُمَّ تُبْ عَلَيْه، ما لَم يُؤذِ فِيه، ما لَم يُحدِثْ فِيه . متفق عليه، وهذا لفظ مسلم
হাদীস- ১০. আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : ‘‘পুরুষের জামাতের সাথে নামাজ আদায় করার সওয়াব তার বাজার বা ঘরে নামাজ আদায়ের চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি। যখন কোন ব্যক্তি ভালভাবে অজু করে, অতঃপর মসজিদে আসে শুধু নামাজ আদায়ের জন্য। এবং নামাজ আদায় ব্যতীত অন্য কোন নিয়্যত তাকে উদ্বুদ্ধ করেনি। সে মসজিদে প্রবেশ করা পর্যন্ত তার প্রতিটি পদক্ষেপে তার এক একটি মর্যাদা বৃদ্ধি পায় ও একেকটি করে গুনাহ মাফ হয়ে যায়। এরপর সে যখন মসজিদে প্রবেশ করে তখন থেকে যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে নামাজ আটকে রাখবে ততক্ষণ সে নামাজ আদায়ে লিপ্ত বলে গণ্য হবে। তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যখন নামাজের মজলিসে বসে থাকে তখন ফেরেশতাগন তার জন্য দুআ করে বলতে থাকে, ‘হে আল্লাহ! তার প্রতি দয়া করুন! তাকে ক্ষমা করুন! তার তাওবা কবুল করুন!’ এ অবস্থা অব্যাহত থাকে যতক্ষণ না সে কাউকে কষ্ট দেয় বা অজু ভেঙে যায়।’’
বর্ণনায় : বুখারী ও মুসলিম
হাদীস- ১০. আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : ‘‘পুরুষের জামাতের সাথে নামাজ আদায় করার সওয়াব তার বাজার বা ঘরে নামাজ আদায়ের চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি। যখন কোন ব্যক্তি ভালভাবে অজু করে, অতঃপর মসজিদে আসে শুধু নামাজ আদায়ের জন্য। এবং নামাজ আদায় ব্যতীত অন্য কোন নিয়্যত তাকে উদ্বুদ্ধ করেনি। সে মসজিদে প্রবেশ করা পর্যন্ত তার প্রতিটি পদক্ষেপে তার এক একটি মর্যাদা বৃদ্ধি পায় ও একেকটি করে গুনাহ মাফ হয়ে যায়। এরপর সে যখন মসজিদে প্রবেশ করে তখন থেকে যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে নামাজ আটকে রাখবে ততক্ষণ সে নামাজ আদায়ে লিপ্ত বলে গণ্য হবে। তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি যখন নামাজের মজলিসে বসে থাকে তখন ফেরেশতাগন তার জন্য দুআ করে বলতে থাকে, ‘হে আল্লাহ! তার প্রতি দয়া করুন! তাকে ক্ষমা করুন! তার তাওবা কবুল করুন!’ এ অবস্থা অব্যাহত থাকে যতক্ষণ না সে কাউকে কষ্ট দেয় বা অজু ভেঙে যায়।’’
বর্ণনায় : বুখারী ও মুসলিম