১
প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য কাজ ও কথায় নিয়্যত করা এবং ইখলাছ অবলম্বন করা
লেখকঃ আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৩
ফায়েদা:
১- সদকা দেয়ার জন্য অন্যকে দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে।
২- মাআনের পিতা ইয়াযীদের যুক্তি ছিল, নিজ সন্তানকে যাকাত দেয়া যায় না। আমি সদকা দিয়েছি কোন এক অভাবী ব্যক্তিকে দেয়ার জন্য, নিজের ছেলেকে দেয়ার জন্য নয়। কিন্তু তা আমার ছেলের হাতে এসেছে, তাই আমার সদকা সম্ভবত আদায় হয়নি। এ কারণে সে ছেলের সদকা গ্রহণে আপত্তি করেছে।
৩- সঠিক নিয়্যতে কোন কাজ করলে তা যদি নিজের অনিচ্ছায় অপাত্রে পড়ে যায় তাতে অসুবিধা হয় না। যেহেতু মাআনের পিতার নিয়্যত সঠিক ছিল, তাই তার সদকা তার ছেলের হাতে এসে যাওয়ায় কোন ক্ষতি হয়নি। সদকা আদায় হয়ে গেছে। কিন্তু তার নিয়্যত যদি এমন থাকত যে, আমার কৌশলে আমার ছেলেই আমার এ সদকাটা পেয়ে যাবে, তাহলে বিষয়টা অন্য রকম হত।
৪- যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কুরআন ও সুন্নাহর কাছে পেশ করা হল ইসলামের দাবি।
৫- সত্য অনুসন্ধান বা প্রমাণের জন্য পিতা-মাতার সাথে শিষ্টচার বজায় রেখে বাদ-বিবাদে লিপ্ত হওয়া বা শরয়ী আদালতে তাদের সম্পর্কে মুকাদ্দমা দায়ের করার বৈধতা প্রমাণ হল।
২- মাআনের পিতা ইয়াযীদের যুক্তি ছিল, নিজ সন্তানকে যাকাত দেয়া যায় না। আমি সদকা দিয়েছি কোন এক অভাবী ব্যক্তিকে দেয়ার জন্য, নিজের ছেলেকে দেয়ার জন্য নয়। কিন্তু তা আমার ছেলের হাতে এসেছে, তাই আমার সদকা সম্ভবত আদায় হয়নি। এ কারণে সে ছেলের সদকা গ্রহণে আপত্তি করেছে।
৩- সঠিক নিয়্যতে কোন কাজ করলে তা যদি নিজের অনিচ্ছায় অপাত্রে পড়ে যায় তাতে অসুবিধা হয় না। যেহেতু মাআনের পিতার নিয়্যত সঠিক ছিল, তাই তার সদকা তার ছেলের হাতে এসে যাওয়ায় কোন ক্ষতি হয়নি। সদকা আদায় হয়ে গেছে। কিন্তু তার নিয়্যত যদি এমন থাকত যে, আমার কৌশলে আমার ছেলেই আমার এ সদকাটা পেয়ে যাবে, তাহলে বিষয়টা অন্য রকম হত।
৪- যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কুরআন ও সুন্নাহর কাছে পেশ করা হল ইসলামের দাবি।
৫- সত্য অনুসন্ধান বা প্রমাণের জন্য পিতা-মাতার সাথে শিষ্টচার বজায় রেখে বাদ-বিবাদে লিপ্ত হওয়া বা শরয়ী আদালতে তাদের সম্পর্কে মুকাদ্দমা দায়ের করার বৈধতা প্রমাণ হল।