১
প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য কাজ ও কথায় নিয়্যত করা এবং ইখলাছ অবলম্বন করা
লেখকঃ আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৯
ফায়েদা :
১- পবিত্র মক্কা নগরী যখন কাফেরদের দখলে ছিল তখন সেখান থেকে হিজরত করে যাওয়ার নির্দেশ ছিল। যখন মক্কা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক বিজিত হল তখন সেখান থেকে আর কখনো হিজরত করতে হবে না।
২- এ হাদীসে সাধারণ ভাবে হিজরতকে রহিত করা হয়নি। বরং শুধু মক্কা থেকে হিজরতকে রহিত করা হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজন হলে যে কোন সময় যে কোন স্থান থেকে হিজরত করতে হবে। যেমন এক হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
لاَ تَنْقَطِعُ الهِجْرَةُ حَتَّى تَنْقَطِعَ التَّوْبَةُ وَلا تَنْقَطِعُ التَّوبَةُ حَتَّى تَخْرُجُ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِها .
‘‘হিজরত কখনো বন্ধ হবে না যতক্ষণ না তাওবার দরজা বন্ধ হয়। আর তাওবার দরজা বন্ধ হবে না যতক্ষণ না সূর্য পশ্চিম দিক দিয়ে উদিত হয়।’’ বর্ণনায় : আবু দাউদ-২৪৭৯ ও আহমদ-৯৯/৪
অর্থাৎ হিজরতের নির্দেশ কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে। যখন ইসলাম অনুসরণ করার কারণে নিজ দেশে জীবন ও সম্পদ হুমকির সম্মুখীন হয় তখন ইসলামের স্বার্থে দেশ ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যাওয়ার নাম হল হিজরত।
৩- জিহাদ কখনো বন্ধ হবে না। কখনো রহিত হবে না জিহাদের নির্দেশ।
৪- হিজরত ও জিহাদ বর্তমান না থাকলেও তাতে অংশ গ্রহণের নিয়্যত সর্বদা পোষণ করতে হবে। বিষয় শিরোনামের সাথে হাদীসটির সম্পর্ক এখানেই।
৪- যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে যখনই জিহাদের আহবান আসবে তখনই জিহাদে বের হয়ে যেতে হবে। এটা ইসলামের কঠোর নির্দেশ।
৫- কেয়ামতের চূড়ান্ত আলামত হল সূর্য পশ্চিম দিক দিয়ে উদিত হওয়া। যখন এটা প্রকাশ পাবে, তখন কোন তাওবা কবুল হবে না।
২- এ হাদীসে সাধারণ ভাবে হিজরতকে রহিত করা হয়নি। বরং শুধু মক্কা থেকে হিজরতকে রহিত করা হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজন হলে যে কোন সময় যে কোন স্থান থেকে হিজরত করতে হবে। যেমন এক হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
لاَ تَنْقَطِعُ الهِجْرَةُ حَتَّى تَنْقَطِعَ التَّوْبَةُ وَلا تَنْقَطِعُ التَّوبَةُ حَتَّى تَخْرُجُ الشَّمْسُ مِنْ مَغْرِبِها .
‘‘হিজরত কখনো বন্ধ হবে না যতক্ষণ না তাওবার দরজা বন্ধ হয়। আর তাওবার দরজা বন্ধ হবে না যতক্ষণ না সূর্য পশ্চিম দিক দিয়ে উদিত হয়।’’ বর্ণনায় : আবু দাউদ-২৪৭৯ ও আহমদ-৯৯/৪
অর্থাৎ হিজরতের নির্দেশ কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে। যখন ইসলাম অনুসরণ করার কারণে নিজ দেশে জীবন ও সম্পদ হুমকির সম্মুখীন হয় তখন ইসলামের স্বার্থে দেশ ত্যাগ করে অন্যত্র চলে যাওয়ার নাম হল হিজরত।
৩- জিহাদ কখনো বন্ধ হবে না। কখনো রহিত হবে না জিহাদের নির্দেশ।
৪- হিজরত ও জিহাদ বর্তমান না থাকলেও তাতে অংশ গ্রহণের নিয়্যত সর্বদা পোষণ করতে হবে। বিষয় শিরোনামের সাথে হাদীসটির সম্পর্ক এখানেই।
৪- যথাযথ কর্তৃপক্ষ থেকে যখনই জিহাদের আহবান আসবে তখনই জিহাদে বের হয়ে যেতে হবে। এটা ইসলামের কঠোর নির্দেশ।
৫- কেয়ামতের চূড়ান্ত আলামত হল সূর্য পশ্চিম দিক দিয়ে উদিত হওয়া। যখন এটা প্রকাশ পাবে, তখন কোন তাওবা কবুল হবে না।