১
প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য কাজ ও কথায় নিয়্যত করা এবং ইখলাছ অবলম্বন করা
লেখকঃ আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
ফায়েদা:
১- জামাতের নামাজ আদায়ের ফজিলত
২- যথাযথ সওয়াব পেতে হলে নিয়্যতের পরিশুদ্ধতা ও একনিষ্ঠতা অনুসরণ প্রয়োজন। যেমন হাদীসটিতে বলা হয়েছে ‘নামাজ ব্যতীত অন্য কোন কিছুর নিয়্যত তাকে উদ্বুদ্ধ করেনি।’
৩- নামাজ আদায়ে অপেক্ষমাণদের ফজিলত ও তাদের জন্য ফেরেশতাদের দুআ।
৪- নামাজ আদায়ের পর নামাজের স্থানে অবস্থান একটি সওয়াবের কাজ।
৫-মসজিদে অজু ভঙ্গ করে বা অন্যকে কষ্ট দেয় এমন কিছু না করার প্রতি গুরুত্ব প্রদান।
৬- নামাজের দিকে আসার পদক্ষেপগুলির বিনিময়ে সওয়াব ও মর্যাদা লাভ।
৭- ফেরেশতাগন আল্লাহর ইচ্ছায় মুমিনদের জন্য দুআ করে। যেমন আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন :
الَّذِينَ يَحْمِلُونَ الْعَرْشَ وَمَنْ حَوْلَهُ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيُؤْمِنُونَ بِهِ وَيَسْتَغْفِرُونَ لِلَّذِينَ آَمَنُوا رَبَّنَا وَسِعْتَ كُلَّ شَيْءٍ رَحْمَةً وَعِلْمًا فَاغْفِرْ لِلَّذِينَ تَابُوا وَاتَّبَعُوا سَبِيلَكَ وَقِهِمْ عَذَابَ الْجَحِيمِ . ( الغافر : 7)
‘‘যারা আরশ ধারণ করে আছে এবং যারা এর চতুস্পার্শে ঘিরে আছে, তারা তাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে প্রশংসার সাথে এবং তাতে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং মুমিনদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে বলে: ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার দয়া ও জ্ঞান সর্বব্যাপী, অতএব যারা তাওবা করে ও আপনার পথ অবলম্বন করে আপনি তাদের ক্ষমা করুন এবং তাদের জাহান্নামের শাস্তি হতে রক্ষা করুন।’’
(সূরা আল-মুমিন : ৭)
২- যথাযথ সওয়াব পেতে হলে নিয়্যতের পরিশুদ্ধতা ও একনিষ্ঠতা অনুসরণ প্রয়োজন। যেমন হাদীসটিতে বলা হয়েছে ‘নামাজ ব্যতীত অন্য কোন কিছুর নিয়্যত তাকে উদ্বুদ্ধ করেনি।’
৩- নামাজ আদায়ে অপেক্ষমাণদের ফজিলত ও তাদের জন্য ফেরেশতাদের দুআ।
৪- নামাজ আদায়ের পর নামাজের স্থানে অবস্থান একটি সওয়াবের কাজ।
৫-মসজিদে অজু ভঙ্গ করে বা অন্যকে কষ্ট দেয় এমন কিছু না করার প্রতি গুরুত্ব প্রদান।
৬- নামাজের দিকে আসার পদক্ষেপগুলির বিনিময়ে সওয়াব ও মর্যাদা লাভ।
৭- ফেরেশতাগন আল্লাহর ইচ্ছায় মুমিনদের জন্য দুআ করে। যেমন আল্লাহ রাববুল আলামীন বলেন :
الَّذِينَ يَحْمِلُونَ الْعَرْشَ وَمَنْ حَوْلَهُ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيُؤْمِنُونَ بِهِ وَيَسْتَغْفِرُونَ لِلَّذِينَ آَمَنُوا رَبَّنَا وَسِعْتَ كُلَّ شَيْءٍ رَحْمَةً وَعِلْمًا فَاغْفِرْ لِلَّذِينَ تَابُوا وَاتَّبَعُوا سَبِيلَكَ وَقِهِمْ عَذَابَ الْجَحِيمِ . ( الغافر : 7)
‘‘যারা আরশ ধারণ করে আছে এবং যারা এর চতুস্পার্শে ঘিরে আছে, তারা তাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে প্রশংসার সাথে এবং তাতে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং মুমিনদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে বলে: ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আপনার দয়া ও জ্ঞান সর্বব্যাপী, অতএব যারা তাওবা করে ও আপনার পথ অবলম্বন করে আপনি তাদের ক্ষমা করুন এবং তাদের জাহান্নামের শাস্তি হতে রক্ষা করুন।’’
(সূরা আল-মুমিন : ৭)