১
প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য কাজ ও কথায় নিয়্যত করা এবং ইখলাছ অবলম্বন করা
লেখকঃ আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
হাদীস-৬.
৬ - عَنْ أَبِيْ إِسْحَاقَ سَعَدِ بْنِ أَبِي وَقَّاص رَضِيَ الله ُعَنْهُ ু أَحَدِ العَشَرَةِ اَلْمَشْهُوْدِ لَهُمْ بِاْلجَنَّةِ، قَالَ : جَاءَنِيْ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَعُوْدُنِيْ عَامَ حَجَّةِ الوِدَاعِ مِنْ وَجَعٍ اِشْتَدَّ بِيْ، فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ إِنِّيْ قَدْ بَلَغَ بِي مِنَ الوَجَعِ مَا تَرَى، وَأَنَا ذُوْ مَالٍ وَلَا يَرِثُنِي إِلَّا اِبْنَةٌ لِي، أَفَاَتَصَدَّقُ بِثُلُثَي مَالِي؟ قَالَ : لاَ، قُلْتُ فَالشَّطْرُ يَا رَسُوْلَ اللهِ؟ فَقَالَ : لاَ، قُلْتُ : فَالثٌّلُثُ يَا رَسُوْلَ اللهِ؟ قَالَ : الثُّلُثُ، وَالثُّلُثُ كَثِيْرٌ থ أو كَبِيْرٌ থ إنَّكَ أنْ تَذَرَ وَرَثَتَكَ أغْنِيَاءَ خَْيرٌ مِنْ أنْ تَذَرَهُمْ عَالَةً يَتَكَفَّفُوْنَ النَّاسَ، وَإنَّكَ لَنْ تُنْفِقَ نَفَقَةً تَبْتَغِي بِهَا وَجْهَ اللهِ إلاَّ وُجِرْتَ عَلَيْهَا حَتىَّ مَا تَجْعَلُ فِي فَمِ امْرأَتِكَ . قَالَ : فَقُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ أُخَلَّفُ بَعْدَ أَصْحَابِي؟ قَالَ : إنَّكَ لَنْ تُخَلّفَ فَتَعْمَلَ عَمَلاً تَبْتَغِي بِه وَجْهَ اللهِ إلاَّ ازْدَدْتَ بِه دَرَجَةً ورِفعةً وَلَعَلَّكَ أنْ تُخَلَّفَ حَتىَّ يَنْتَفِعَ بكَ أقْوَامٌ وَيُضَرَّبِكَ آخَرُوْنَ . أللَّهُمَّ أمْضِ لأصْحَابِي هِجْرَتَهُمْ وَلاَ تَرُدَّهُمْ عَلى أعْقَابِهِمْ، لَكَنَّ البَائِسُ سَعْدُ بْنِ خَوَلَةَ . يَرْثِي لَهُ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أنْ مَاتَ بِمَكَّةَ . متفق عليه
হাদীস-৬. আবু ইসহাক সাআদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা. থেকে বর্ণিত- তিনি জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশ জনের একজন- তিনি বলেন: আমি বিদায় হজের বছর রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়লাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে দেখতে আসেন। আমি তখন বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার রোগের অবস্থাতো আপনি দেখছেন। আর আমি একজন সম্পদশালী মানুষ। আমার এক কন্যা ব্যতীত আর কোন উত্তরাধিকারী নেই। আমি কি আমার সম্পদের দু তৃতীয়াংশ দান করে দেব? তিনি বললেন, ‘না।’ আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ তাহলে অর্ধেকটা দান করে দেই? তিনি বললেন, ‘না।’ আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাহলে এক তৃতীয়াংশ দান করি? তিনি বললেন, ‘হা, এক তৃতীয়াংশ। এক তৃতীয়াংশ অনেক বেশি বা অনেক বড়। তুমি সন্তানদের এমন নিঃস্ব অবস্থায় রেখে যাবে যে তারা মানুষের কাছে হাত পাতবে, এর চেয়ে তাদেরকে ধনবান করে রেখে যাওয়া উত্তম। তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা কিছু খরচ করবে তার প্রতিদান পাবেই। এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যা তুলে দেবে তার প্রতিদানও তোমাকে দেয়া হবে।’ আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কি আমার সাথীদের পর মক্কায় থেকে যাব? তিনি বললেন, ‘তুমি মক্কায় থেকে গিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য যে কাজই করবে তাতে তোমার সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। সম্ভবত তুমি মক্কায় থেকে যাবে। তখন তোমার দ্বারা অনেকে উপকৃত হবে আবার অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হে আল্লাহ আপনি আমার সাথীদের হিজরত পূর্ণ করুন, তাদেরকে পিছনে দিকে ফিরিয়ে দেবেন না।’ কিন্তু সাদ বিন খাওলার জন্য করুণা। মক্কায় তার মৃত্যুতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমবেদনা প্রকাশ করেন।
বর্ণনায় : বুখারী ও মুসলিম
হাদীস-৬. আবু ইসহাক সাআদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রা. থেকে বর্ণিত- তিনি জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত দশ জনের একজন- তিনি বলেন: আমি বিদায় হজের বছর রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়লাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে দেখতে আসেন। আমি তখন বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার রোগের অবস্থাতো আপনি দেখছেন। আর আমি একজন সম্পদশালী মানুষ। আমার এক কন্যা ব্যতীত আর কোন উত্তরাধিকারী নেই। আমি কি আমার সম্পদের দু তৃতীয়াংশ দান করে দেব? তিনি বললেন, ‘না।’ আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ তাহলে অর্ধেকটা দান করে দেই? তিনি বললেন, ‘না।’ আমি বললাম ইয়া রাসূলাল্লাহ! তাহলে এক তৃতীয়াংশ দান করি? তিনি বললেন, ‘হা, এক তৃতীয়াংশ। এক তৃতীয়াংশ অনেক বেশি বা অনেক বড়। তুমি সন্তানদের এমন নিঃস্ব অবস্থায় রেখে যাবে যে তারা মানুষের কাছে হাত পাতবে, এর চেয়ে তাদেরকে ধনবান করে রেখে যাওয়া উত্তম। তুমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যা কিছু খরচ করবে তার প্রতিদান পাবেই। এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যা তুলে দেবে তার প্রতিদানও তোমাকে দেয়া হবে।’ আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কি আমার সাথীদের পর মক্কায় থেকে যাব? তিনি বললেন, ‘তুমি মক্কায় থেকে গিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য যে কাজই করবে তাতে তোমার সম্মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। সম্ভবত তুমি মক্কায় থেকে যাবে। তখন তোমার দ্বারা অনেকে উপকৃত হবে আবার অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হে আল্লাহ আপনি আমার সাথীদের হিজরত পূর্ণ করুন, তাদেরকে পিছনে দিকে ফিরিয়ে দেবেন না।’ কিন্তু সাদ বিন খাওলার জন্য করুণা। মক্কায় তার মৃত্যুতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সমবেদনা প্রকাশ করেন।
বর্ণনায় : বুখারী ও মুসলিম