১
প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য কাজ ও কথায় নিয়্যত করা এবং ইখলাছ অবলম্বন করা
লেখকঃ আবু যাকারিয়া মুহিউদ্দীন ইয়াহইয়া বিন শরফ আন-নববী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩
এ আয়াতসমূহ থেকে আমরা যা শিখতে পারি :
১- আল্লাহ রাববুল আলামীন সকল মানুষকে ইখলাছের সাথে সর্ব প্রকার ইবাদত বন্দেগী করার নির্দেশ দিয়েছেন। ইখলাছ হল, ইবাদত-বন্দেগীর সকল কিছু করতে হবে শুধুমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে। এতে অন্য কোন উদ্দেশ্য থাকতে পারবে না।
২- যে কোন ইবাদত-বন্দেগী করার শুরুতে আল্লাহ রাববুল আলামীনের সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়্যত করে নিতে হবে।
৩- আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে ইবাদত- বন্দেগী করা হল ধর্মের মূল, যাকে বলা হয়েছে দীনুল কায়্যিমাহ।
৪-নামায ও যাকাতের নির্দেশ পূর্ববর্তী আসমানী ধর্মেও ছিল।
৫-সকল ইবাদত-বন্দেগীর ব্যাপারে আল্লাহ মানুষের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও নিয়্যতের প্রতি দৃষ্টি দেন। নিয়্যত সঠিক থাকলে এগুলো আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।
৬-নিয়্যত অন্তরের বিষয়। মুখে প্রকাশ জরুরি নয়। তাই তা মুখে প্রকাশ না করলেও আল্লাহ বুঝে নেন। অন্তরে এক নিয়্যত লালন করে মুখে অন্য কিছু বললে বা প্রকাশ করলেও তিনি বুঝতে পারেন।
৭-অন্তরের নিয়্যত হল আসল ও গ্রহণযোগ্য নিয়্যত।
২- যে কোন ইবাদত-বন্দেগী করার শুরুতে আল্লাহ রাববুল আলামীনের সন্তুষ্টি অর্জনের নিয়্যত করে নিতে হবে।
৩- আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে ইবাদত- বন্দেগী করা হল ধর্মের মূল, যাকে বলা হয়েছে দীনুল কায়্যিমাহ।
৪-নামায ও যাকাতের নির্দেশ পূর্ববর্তী আসমানী ধর্মেও ছিল।
৫-সকল ইবাদত-বন্দেগীর ব্যাপারে আল্লাহ মানুষের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও নিয়্যতের প্রতি দৃষ্টি দেন। নিয়্যত সঠিক থাকলে এগুলো আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হয়।
৬-নিয়্যত অন্তরের বিষয়। মুখে প্রকাশ জরুরি নয়। তাই তা মুখে প্রকাশ না করলেও আল্লাহ বুঝে নেন। অন্তরে এক নিয়্যত লালন করে মুখে অন্য কিছু বললে বা প্রকাশ করলেও তিনি বুঝতে পারেন।
৭-অন্তরের নিয়্যত হল আসল ও গ্রহণযোগ্য নিয়্যত।