১
মুমিন নারীদের বিশেষ বিধান
লেখকঃ ড. সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৫
কার ওপর রমযান ওয়াজিব?
রমযান মাস প্রবেশ করলে সালাবক, সুস্থ ও নিবাসস্থলে অবস্থানকারী প্রত্যেক মুসলিম নারী ও পুরুষের ওপর সিয়াম রাখা ওয়াজিব হয়। কেউ যদি রমযানের মাঝে অসুস্থ হয় অথবা মুসাফির হয়, সে পানাহার করবে এবং তার সংখ্যা মোতাবেক অন্য সময় কাযা করবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ ٱلشَّهۡرَ فَلۡيَصُمۡهُۖ وَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوۡ عَلَىٰ سَفَرٖ فَعِدَّةٞ مِّنۡ أَيَّامٍ أُخَرَۗ﴾ [ البقرة : ١٨٥ ]
“সুতরাং তোমাদের মাঝে যে মাসটিতে উপস্থিত হবে সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে তবে অন্যান্য দিবসে সংখ্যা পূরণ করবে”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৮৫]
অনুরূপ যার নিকট রমযান উপস্থিত হয় এমন অবস্থায় যে, সে জরাগ্রস্ত, সিয়াম রাখতে সক্ষম নয় অথবা স্থায়ীভাবে অসুস্থ যা কোনো সময় সেরে উঠার কোনো সম্ভাবনা নেই, হোক সে নারী কিংবা পুরুষ পানাহার করবে এবং প্রত্যেক দিনের পরিবর্তে একজন মিসকীনকে আধা সা [এক সা‘ এর সঠিক পরিমাণ হচ্ছে, দুই মুদ্দ। এক মুদ্দ হচ্ছে, স্বাভাবিক মানুষের দু’ হাতের ক্রোশ পরিমান। সাধারণত গম হলে তা ২ কেজি ৪০ গ্রাম হয়। সে হিসেবে আধা সা‘ হচ্ছে, এক কেজি বিশ গ্রাম।] দেশীয় খাবার দিবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿وَعَلَى ٱلَّذِينَ يُطِيقُونَهُۥ فِدۡيَةٞ طَعَامُ مِسۡكِينٖۖ﴾ [ البقرة : ١٨٤ ]
“আর যাদের জন্য তা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য ফিদিয়া -একজন দরিদ্রকে খাবার প্রদান করা”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৮৪]
আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস বলেন, এ বিধান এমন বুড়োর জন্য যার সুস্থ হয়ে উঠার সম্ভাবনা নেই। এ কথা ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন। অনুরূপ যার রোগ থেকে সেরে উঠার সম্ভাবনা নেই সেও বুড়োর মত, তাদের ওপর কাযা নেই যেহেতু তাদের পক্ষে কাযা সম্ভবও নয়।
﴿فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ ٱلشَّهۡرَ فَلۡيَصُمۡهُۖ وَمَن كَانَ مَرِيضًا أَوۡ عَلَىٰ سَفَرٖ فَعِدَّةٞ مِّنۡ أَيَّامٍ أُخَرَۗ﴾ [ البقرة : ١٨٥ ]
“সুতরাং তোমাদের মাঝে যে মাসটিতে উপস্থিত হবে সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে অসুস্থ হবে অথবা সফরে থাকবে তবে অন্যান্য দিবসে সংখ্যা পূরণ করবে”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৮৫]
অনুরূপ যার নিকট রমযান উপস্থিত হয় এমন অবস্থায় যে, সে জরাগ্রস্ত, সিয়াম রাখতে সক্ষম নয় অথবা স্থায়ীভাবে অসুস্থ যা কোনো সময় সেরে উঠার কোনো সম্ভাবনা নেই, হোক সে নারী কিংবা পুরুষ পানাহার করবে এবং প্রত্যেক দিনের পরিবর্তে একজন মিসকীনকে আধা সা [এক সা‘ এর সঠিক পরিমাণ হচ্ছে, দুই মুদ্দ। এক মুদ্দ হচ্ছে, স্বাভাবিক মানুষের দু’ হাতের ক্রোশ পরিমান। সাধারণত গম হলে তা ২ কেজি ৪০ গ্রাম হয়। সে হিসেবে আধা সা‘ হচ্ছে, এক কেজি বিশ গ্রাম।] দেশীয় খাবার দিবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿وَعَلَى ٱلَّذِينَ يُطِيقُونَهُۥ فِدۡيَةٞ طَعَامُ مِسۡكِينٖۖ﴾ [ البقرة : ١٨٤ ]
“আর যাদের জন্য তা কষ্টকর হবে, তাদের কর্তব্য ফিদিয়া -একজন দরিদ্রকে খাবার প্রদান করা”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ১৮৪]
আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস বলেন, এ বিধান এমন বুড়োর জন্য যার সুস্থ হয়ে উঠার সম্ভাবনা নেই। এ কথা ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন। অনুরূপ যার রোগ থেকে সেরে উঠার সম্ভাবনা নেই সেও বুড়োর মত, তাদের ওপর কাযা নেই যেহেতু তাদের পক্ষে কাযা সম্ভবও নয়।