১
মুমিন নারীদের বিশেষ বিধান
লেখকঃ ড. সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৭০
দু’টি জ্ঞাতব্য:
এক. যে নারীকে বিয়ের পর সহবাসের পূর্বে তালাক দেওয়া হয় তার ওপর কোনো ইদ্দত নেই। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا نَكَحۡتُمُ ٱلۡمُؤۡمِنَٰتِ ثُمَّ طَلَّقۡتُمُوهُنَّ مِن قَبۡلِ أَن تَمَسُّوهُنَّ فَمَا لَكُمۡ عَلَيۡهِنَّ مِنۡ عِدَّةٖ تَعۡتَدُّونَهَاۖ﴾ [ الاحزاب : ٤٩ ]
“হে মুমিনগণ, যখন তোমরা মুমিন নারীদেরকে বিবাহ করবে অতঃপর তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বেই তালাক দিয়ে দেবে, তাহলে তোমাদের জন্য তাদের কোনো ইদ্দত নেই যা তোমরা গণনা করবে”। [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৪৯]
ইবন কাসির রহ. তার তাফসীর: (৫/৪৭৯) গ্রন্থে বলেন: এ মাস’আলার ক্ষেত্রে সকল আলেম একমত, অর্থাৎ নারীকে যদি সহবাসের পূর্বে তালাক দেওয়া হয়, তাহলে তার ওপর কোনো ইদ্দত নেই, সে তালাকের পর তৎক্ষণাৎ যার সাথে ইচ্ছা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে।
দুই. বিয়ের পর সহবাসের পূর্বে তালাক প্রাপ্তা নারীর জন্য যদি মাহর নির্ধারণ করা হয়, তাহলে তাকে অর্ধেক মাহর দিবে, আর যার মাহর নির্ধারণ করা হয় নি তাকে মুত‘আহ অর্থাৎ স্বামীর সাধ্য মোতাবেক পোশাক ইত্যাদি প্রদান করবে।
সহবাসের পর যাকে তালাক দেওয়া হয়, সে অবশ্যই মাহরের হকদার। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿لَّا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ إِن طَلَّقۡتُمُ ٱلنِّسَآءَ مَا لَمۡ تَمَسُّوهُنَّ أَوۡ تَفۡرِضُواْ لَهُنَّ فَرِيضَةٗۚ وَمَتِّعُوهُنَّ عَلَى ٱلۡمُوسِعِ قَدَرُهُۥ وَعَلَى ٱلۡمُقۡتِرِ قَدَرُهُۥ مَتَٰعَۢا بِٱلۡمَعۡرُوفِۖ حَقًّا عَلَى ٱلۡمُحۡسِنِينَ ٢٣٦ وَإِن طَلَّقۡتُمُوهُنَّ مِن قَبۡلِ أَن تَمَسُّوهُنَّ وَقَدۡ فَرَضۡتُمۡ لَهُنَّ فَرِيضَةٗ فَنِصۡفُ مَا فَرَضۡتُمۡ ﴾ [ البقرة : ٢٣٦، ٢٣٧ ]
“তোমাদের কোনো অপরাধ নেই যদি তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দাও এমন অবস্থায় যে, তোমরা তাদেরকে স্পর্শ কর নি কিংবা তাদের জন্য কোনো মাহর নির্ধারণ কর নি। আর উত্তমভাবে তাদেরকে ভোগ-উপকরণ দিয়ে দাও, ধনীর ওপর তার সাধ্যানুসারে এবং সংকটাপন্নের ওপর তার সাধ্যানুসারে। সু-কর্মশীলদের ওপর এটি আবশ্যক। আর যদি তোমরা তাদেরকে তালাক দাও, তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বে এবং তাদের জন্য কিছু মাহর নির্ধারণ করে থাক, তাহলে যা নির্ধারণ করেছে, তার অর্ধেক (দিয়ে দাও)”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৩৬-২৩৭]
অর্থাৎ স্বামীদের স্পর্শ ও মাহর নির্ধারণ করার পূর্বে তালাক দেওয়া কোনো সমস্যা নয়, এতে যদিও নারী মনক্ষুণ্য হয়, মুত‘আহ তার মনক্ষুণ্যতা লাঘব করবে। প্রত্যেক স্বামী স্বীয় স্বচ্ছলতা ও অস্বচ্ছলতার ভিত্তিতে সাধ্য ও সমাজে প্রচলন মোতাবেক মুত‘আহ দিবে। অতঃপর যার মাহর নির্ধারিত, তাকে অর্ধেক দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
হাফেয ইবন কাসির রহ. স্বীয় ‘তাফসীর’: (১/৫১২) গ্রন্থে বলেন: “এ জাতীয় নারীকে অর্ধেক মাহর প্রদান করা সর্বসম্মত মত। এতে কোনো আলেম দ্বিমত পোষণ করেন নি”। সমাপ্ত।
﴿يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ إِذَا نَكَحۡتُمُ ٱلۡمُؤۡمِنَٰتِ ثُمَّ طَلَّقۡتُمُوهُنَّ مِن قَبۡلِ أَن تَمَسُّوهُنَّ فَمَا لَكُمۡ عَلَيۡهِنَّ مِنۡ عِدَّةٖ تَعۡتَدُّونَهَاۖ﴾ [ الاحزاب : ٤٩ ]
“হে মুমিনগণ, যখন তোমরা মুমিন নারীদেরকে বিবাহ করবে অতঃপর তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বেই তালাক দিয়ে দেবে, তাহলে তোমাদের জন্য তাদের কোনো ইদ্দত নেই যা তোমরা গণনা করবে”। [সূরা আল-আহযাব, আয়াত: ৪৯]
ইবন কাসির রহ. তার তাফসীর: (৫/৪৭৯) গ্রন্থে বলেন: এ মাস’আলার ক্ষেত্রে সকল আলেম একমত, অর্থাৎ নারীকে যদি সহবাসের পূর্বে তালাক দেওয়া হয়, তাহলে তার ওপর কোনো ইদ্দত নেই, সে তালাকের পর তৎক্ষণাৎ যার সাথে ইচ্ছা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে।
দুই. বিয়ের পর সহবাসের পূর্বে তালাক প্রাপ্তা নারীর জন্য যদি মাহর নির্ধারণ করা হয়, তাহলে তাকে অর্ধেক মাহর দিবে, আর যার মাহর নির্ধারণ করা হয় নি তাকে মুত‘আহ অর্থাৎ স্বামীর সাধ্য মোতাবেক পোশাক ইত্যাদি প্রদান করবে।
সহবাসের পর যাকে তালাক দেওয়া হয়, সে অবশ্যই মাহরের হকদার। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:
﴿لَّا جُنَاحَ عَلَيۡكُمۡ إِن طَلَّقۡتُمُ ٱلنِّسَآءَ مَا لَمۡ تَمَسُّوهُنَّ أَوۡ تَفۡرِضُواْ لَهُنَّ فَرِيضَةٗۚ وَمَتِّعُوهُنَّ عَلَى ٱلۡمُوسِعِ قَدَرُهُۥ وَعَلَى ٱلۡمُقۡتِرِ قَدَرُهُۥ مَتَٰعَۢا بِٱلۡمَعۡرُوفِۖ حَقًّا عَلَى ٱلۡمُحۡسِنِينَ ٢٣٦ وَإِن طَلَّقۡتُمُوهُنَّ مِن قَبۡلِ أَن تَمَسُّوهُنَّ وَقَدۡ فَرَضۡتُمۡ لَهُنَّ فَرِيضَةٗ فَنِصۡفُ مَا فَرَضۡتُمۡ ﴾ [ البقرة : ٢٣٦، ٢٣٧ ]
“তোমাদের কোনো অপরাধ নেই যদি তোমরা স্ত্রীদেরকে তালাক দাও এমন অবস্থায় যে, তোমরা তাদেরকে স্পর্শ কর নি কিংবা তাদের জন্য কোনো মাহর নির্ধারণ কর নি। আর উত্তমভাবে তাদেরকে ভোগ-উপকরণ দিয়ে দাও, ধনীর ওপর তার সাধ্যানুসারে এবং সংকটাপন্নের ওপর তার সাধ্যানুসারে। সু-কর্মশীলদের ওপর এটি আবশ্যক। আর যদি তোমরা তাদেরকে তালাক দাও, তাদেরকে স্পর্শ করার পূর্বে এবং তাদের জন্য কিছু মাহর নির্ধারণ করে থাক, তাহলে যা নির্ধারণ করেছে, তার অর্ধেক (দিয়ে দাও)”। [সূরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৩৬-২৩৭]
অর্থাৎ স্বামীদের স্পর্শ ও মাহর নির্ধারণ করার পূর্বে তালাক দেওয়া কোনো সমস্যা নয়, এতে যদিও নারী মনক্ষুণ্য হয়, মুত‘আহ তার মনক্ষুণ্যতা লাঘব করবে। প্রত্যেক স্বামী স্বীয় স্বচ্ছলতা ও অস্বচ্ছলতার ভিত্তিতে সাধ্য ও সমাজে প্রচলন মোতাবেক মুত‘আহ দিবে। অতঃপর যার মাহর নির্ধারিত, তাকে অর্ধেক দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
হাফেয ইবন কাসির রহ. স্বীয় ‘তাফসীর’: (১/৫১২) গ্রন্থে বলেন: “এ জাতীয় নারীকে অর্ধেক মাহর প্রদান করা সর্বসম্মত মত। এতে কোনো আলেম দ্বিমত পোষণ করেন নি”। সমাপ্ত।