১
মুমিন নারীদের বিশেষ বিধান
লেখকঃ ড. সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৫৩
১৫. তাওয়াফে ইফাদার পর ঋতুমতী হলে বিদায়ী তাওয়াফ রহিত হয়:
নারী যদি তাওয়াফে ইফাদার পর ঋতুমতী হয়, তাহলে যখন ইচ্ছা সে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে সফর করবে, তার থেকে বিদায়ী তাওয়াফ রহিত। কারণ, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন:
» حاضت صفية بنت حيي بعدما أفاضت، قالت : فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال : أحابستنا هي ؟ قلت : يا رسول الله إنها قد أفاضت وطافت بالبيت، ثم حاضت بعد الإفاضة، قال : فلتنفر إذن «
“সাফিয়া বিনতে হুয়াই তাওয়াফে ইফাদার পর ঋতুমতী হলো, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিষয়টা জানালাম, তিনি শুনে বললেন: সে কি আমাদেরকে আটকে রাখবে? আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, সে তাওয়াফে ইফাদাহ করেছে তারপর ঋতুমতী হয়েছে, তিনি বলেন: তাহলে যাত্রা করুক”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৬৭০; আবু দাউদ, হাদীস নং ২০০৩; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৩০৭২; আহমদ: (৬/৮২); দারেমী, হাদীস নং ১৯১৭]
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
» أمر الناس أن يكون آخر عهدهم بالبيت إلا أنه خفف عن المرأة الحائض «
“মানুষদেরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো যেন তাদের সর্বশেষ কাজ হয় বিদায়ী তওয়াফ, তবে এটা তিনি ঋতুমতী নারী থেকে শিথিল করেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৬৬৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩২৮; আহমদ: (৬/৪৩১); দারেমী, হাদীস নং ১৯৩৪]
তার থেকে আরো বর্ণিত:
» أن النبي صلى الله عليه وسلم رخص للحائض أن تصدر قبل أن تطوف بالبيت إذا كانت قد طافت في الإفاضة «
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋতুমতী নারীকে ছাড় দিয়েছেন বিদায়ী তাওয়াফ ছাড়াই সে বাড়ি ফিরবে, যদি তাওয়াফে ইফাদাহ সম্পন্ন করে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩২৮; আহমদ: (১/৩৭০)]
ইমাম নাওয়াওয়ী রহ. ‘আল-মাজমু’: (৮/২৮১) গ্রন্থে বলেন: ইবনুল মুনযির বলেন: সাধারণ আহলে ইলমগণ এ কথাই বলেছেন, যেমন মালিক, আওযা‘ঈ, সাউরি, আহমদ, ইসহাক, আবু সাউর ও আবু হানিফা প্রমুখ। সমাপ্ত।
ইবন কুদামাহ ‘আল-মুগনি’: (৩/৪৬১) গ্রন্থে বলেন: এটা সমকালীন সকল ফকিহর অভিমত। তিনি আরো বলেন: নিফাসের নারীদের বিধান ঋতুমতী নারীদের মতো। কারণ, কোনো বিধান রহিত ও ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে হায়েযের নারী নিফাসের নারীর মতো। সমাপ্ত।
» حاضت صفية بنت حيي بعدما أفاضت، قالت : فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم، فقال : أحابستنا هي ؟ قلت : يا رسول الله إنها قد أفاضت وطافت بالبيت، ثم حاضت بعد الإفاضة، قال : فلتنفر إذن «
“সাফিয়া বিনতে হুয়াই তাওয়াফে ইফাদার পর ঋতুমতী হলো, তিনি বলেন: আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিষয়টা জানালাম, তিনি শুনে বললেন: সে কি আমাদেরকে আটকে রাখবে? আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, সে তাওয়াফে ইফাদাহ করেছে তারপর ঋতুমতী হয়েছে, তিনি বলেন: তাহলে যাত্রা করুক”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৬৭০; আবু দাউদ, হাদীস নং ২০০৩; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৩০৭২; আহমদ: (৬/৮২); দারেমী, হাদীস নং ১৯১৭]
ইবন আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন:
» أمر الناس أن يكون آخر عهدهم بالبيت إلا أنه خفف عن المرأة الحائض «
“মানুষদেরকে নির্দেশ প্রদান করা হলো যেন তাদের সর্বশেষ কাজ হয় বিদায়ী তওয়াফ, তবে এটা তিনি ঋতুমতী নারী থেকে শিথিল করেন”। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ১৬৬৮; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩২৮; আহমদ: (৬/৪৩১); দারেমী, হাদীস নং ১৯৩৪]
তার থেকে আরো বর্ণিত:
» أن النبي صلى الله عليه وسلم رخص للحائض أن تصدر قبل أن تطوف بالبيت إذا كانت قد طافت في الإفاضة «
“নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋতুমতী নারীকে ছাড় দিয়েছেন বিদায়ী তাওয়াফ ছাড়াই সে বাড়ি ফিরবে, যদি তাওয়াফে ইফাদাহ সম্পন্ন করে”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১৩২৮; আহমদ: (১/৩৭০)]
ইমাম নাওয়াওয়ী রহ. ‘আল-মাজমু’: (৮/২৮১) গ্রন্থে বলেন: ইবনুল মুনযির বলেন: সাধারণ আহলে ইলমগণ এ কথাই বলেছেন, যেমন মালিক, আওযা‘ঈ, সাউরি, আহমদ, ইসহাক, আবু সাউর ও আবু হানিফা প্রমুখ। সমাপ্ত।
ইবন কুদামাহ ‘আল-মুগনি’: (৩/৪৬১) গ্রন্থে বলেন: এটা সমকালীন সকল ফকিহর অভিমত। তিনি আরো বলেন: নিফাসের নারীদের বিধান ঋতুমতী নারীদের মতো। কারণ, কোনো বিধান রহিত ও ওয়াজিব হওয়ার ক্ষেত্রে হায়েযের নারী নিফাসের নারীর মতো। সমাপ্ত।