১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় আসক্তি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৫
হারাম থেকে চক্ষুকে বিরত রাখার মধ্যে অনেক ফায়দা:
১. আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আদেশের আনুগত্য করা যাতে রয়েছে অনেক সৌভাগ্য ও কল্যাণ।
২. (চক্ষুর চাহনি নামীয়) বিষাক্ত তীরের আঘাত থেকে অন্তর নিরাপদ থাকে।
৩. অন্তরে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাথে সখ্যতা ও তার উপর ঐক্য গড়ে উঠে। যারা তাদের অন্তরকে হারামের মধ্যে ছেড়ে দেয়, তাদের অন্তর মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের এ সখ্যতা থেকে বঞ্চিত হয়। কারণ, অন্তর বিক্ষিপ্ত থাকার কারণে তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্যই বিশেষভাবে নির্ধারিত হয়না এবং তাঁর জন্যই মহব্বতপূর্ণ হতে পারে না।
৪. চোখের হেফাজত না করলে আত্মা যেমন দুর্বল ও হতাশাগ্রস্ত হয় অনুরূপভাবে চোখের হেফাজতের কারণে মানবাত্মা শক্তিশালী ও প্রশান্তি লাভে ধন্য হয়।
৫. অন্তর নুরের আলো দ্বারা আলোকিত হয়, পক্ষান্তরে চোখের হেফাজত না করলে অন্তর অন্ধকারে ছেয়ে যায়।
৬. চক্ষুর হেফাজত দ্বারা একজন বান্দার মধ্যে হক ও বাতিল এবং সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করার মত সত্যিকার যোগ্যতা ও দূরদর্শিতা সৃষ্টি হয়। আর তা সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে ও উন্নত অবস্থানে পৌছতে সাহায্য করে। আর মানুষের সাথে সব ধরনের লেন-দেনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সহায়ক হয়।
৭. অন্তরে সাহসিকতা ও অবিচলতা সৃষ্টি করে। ফলে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার জন্য আধ্যাত্মিক শক্তি যথা, দূরদর্শিতা, প্রমাণ এবং বাহ্যিক শক্তি যথা, ক্ষমতা ও শক্তি উভয়কে একত্র করে দেন।
৮.শয়তানের প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেয়। কারণ, দৃষ্টি হল শয়তানের জন্য সবচেয়ে বড় দরজা।
৯. অন্তর ভালো চিন্তার জন্য খালি হয় এবং ভালো কাজেই ব্যস্ত থাকে।
কারণ, যখন কোন অন্তর নারী ও সুন্দর ছেলেদের ছবি তাদের চিন্তা ও প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে ব্যস্ত থাকে, তখন সে কীভাবে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আয়াত সম্পর্কে চিন্তা করবে? হাদিস থেকে একটি মাসআলা শিখবে? ফিকাহ-বিদদের কথা কীভাবে সে বুঝবে? এবং আসমান ও জমিনের বিষয়ে কীভাবে চিন্তা করবে?
১০. চোখের হেফাজতের দ্বারা অন্তর নিরাপদ থাকে। কারণ, অন্তর ও চক্ষু উভয়ের মাঝে নিবিড় সম্পর্ক ও সংযোগ রয়েছে, উভয়ের একটি অপরটি দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং একটি কর্ম অপরটিকে প্রাণচাঞ্চল্যটা দান করে। ফলে একটি সংশোধন হলে অপরটির সংশোধন হয়, আর একটি নষ্ট হলে অপরটি নষ্ট হয়। যখন বান্দার দৃষ্টি নিরাপদ থাকে তখন তার আত্মাও নিরাপদ ও ঠিক থাকে, আর যখন মানুষের দৃষ্টি সঠিক না থাকে এবং খারাপ বস্তুর দিক দেখার কারণে নষ্ট হয়ে যায়, তখন তার অন্তর বা আত্মাও খারাপ ও নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« اضمَنُوا لِي سِتّاً مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَضمَنُ لَكُمُ الجَنَّةَ : اصْدُقُوا إذَِا حَدَّثْتُمْ، وَأَوْفُوا إذَِا وَعَدتُمْ، وَأَدُّوا إذَِا اؤتمُنِتْمُْ، وَاحْفَظوُا فُرُوجَكُمْ، وَغُضُّوا أَبْصَارَكُمْ، وَكُفُّوا أَيْدِيَكُمْ »
“তোমরা আমার জন্য ছয়টি জিনিসের দায়িত্ব নাও আমি তোমাদের জান্নাতের দায়িত্ব নেব। যখন কথা বল, সত্য বল। আর যখন ওয়াদা কর, তখন তা পুরা কর, আর যখন তোমার নিকট আমানত রাখা হয় তা তুমি হকদারদের নিকট পৌছে দাও। তোমরা তোমাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত কর। তোমাদের চক্ষুকে অবনত রাখ আর তোমাদের হাতদ্বয় হারাম থেকে গুটিয়ে রাখ” [ইমাম আহমদ ২২২৫১ আলবানী রহ হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।]।
২. (চক্ষুর চাহনি নামীয়) বিষাক্ত তীরের আঘাত থেকে অন্তর নিরাপদ থাকে।
৩. অন্তরে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাথে সখ্যতা ও তার উপর ঐক্য গড়ে উঠে। যারা তাদের অন্তরকে হারামের মধ্যে ছেড়ে দেয়, তাদের অন্তর মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের এ সখ্যতা থেকে বঞ্চিত হয়। কারণ, অন্তর বিক্ষিপ্ত থাকার কারণে তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্যই বিশেষভাবে নির্ধারিত হয়না এবং তাঁর জন্যই মহব্বতপূর্ণ হতে পারে না।
৪. চোখের হেফাজত না করলে আত্মা যেমন দুর্বল ও হতাশাগ্রস্ত হয় অনুরূপভাবে চোখের হেফাজতের কারণে মানবাত্মা শক্তিশালী ও প্রশান্তি লাভে ধন্য হয়।
৫. অন্তর নুরের আলো দ্বারা আলোকিত হয়, পক্ষান্তরে চোখের হেফাজত না করলে অন্তর অন্ধকারে ছেয়ে যায়।
৬. চক্ষুর হেফাজত দ্বারা একজন বান্দার মধ্যে হক ও বাতিল এবং সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করার মত সত্যিকার যোগ্যতা ও দূরদর্শিতা সৃষ্টি হয়। আর তা সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে ও উন্নত অবস্থানে পৌছতে সাহায্য করে। আর মানুষের সাথে সব ধরনের লেন-দেনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সহায়ক হয়।
৭. অন্তরে সাহসিকতা ও অবিচলতা সৃষ্টি করে। ফলে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তার জন্য আধ্যাত্মিক শক্তি যথা, দূরদর্শিতা, প্রমাণ এবং বাহ্যিক শক্তি যথা, ক্ষমতা ও শক্তি উভয়কে একত্র করে দেন।
৮.শয়তানের প্রবেশদ্বার বন্ধ করে দেয়। কারণ, দৃষ্টি হল শয়তানের জন্য সবচেয়ে বড় দরজা।
৯. অন্তর ভালো চিন্তার জন্য খালি হয় এবং ভালো কাজেই ব্যস্ত থাকে।
কারণ, যখন কোন অন্তর নারী ও সুন্দর ছেলেদের ছবি তাদের চিন্তা ও প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে ব্যস্ত থাকে, তখন সে কীভাবে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আয়াত সম্পর্কে চিন্তা করবে? হাদিস থেকে একটি মাসআলা শিখবে? ফিকাহ-বিদদের কথা কীভাবে সে বুঝবে? এবং আসমান ও জমিনের বিষয়ে কীভাবে চিন্তা করবে?
১০. চোখের হেফাজতের দ্বারা অন্তর নিরাপদ থাকে। কারণ, অন্তর ও চক্ষু উভয়ের মাঝে নিবিড় সম্পর্ক ও সংযোগ রয়েছে, উভয়ের একটি অপরটি দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং একটি কর্ম অপরটিকে প্রাণচাঞ্চল্যটা দান করে। ফলে একটি সংশোধন হলে অপরটির সংশোধন হয়, আর একটি নষ্ট হলে অপরটি নষ্ট হয়। যখন বান্দার দৃষ্টি নিরাপদ থাকে তখন তার আত্মাও নিরাপদ ও ঠিক থাকে, আর যখন মানুষের দৃষ্টি সঠিক না থাকে এবং খারাপ বস্তুর দিক দেখার কারণে নষ্ট হয়ে যায়, তখন তার অন্তর বা আত্মাও খারাপ ও নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« اضمَنُوا لِي سِتّاً مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَضمَنُ لَكُمُ الجَنَّةَ : اصْدُقُوا إذَِا حَدَّثْتُمْ، وَأَوْفُوا إذَِا وَعَدتُمْ، وَأَدُّوا إذَِا اؤتمُنِتْمُْ، وَاحْفَظوُا فُرُوجَكُمْ، وَغُضُّوا أَبْصَارَكُمْ، وَكُفُّوا أَيْدِيَكُمْ »
“তোমরা আমার জন্য ছয়টি জিনিসের দায়িত্ব নাও আমি তোমাদের জান্নাতের দায়িত্ব নেব। যখন কথা বল, সত্য বল। আর যখন ওয়াদা কর, তখন তা পুরা কর, আর যখন তোমার নিকট আমানত রাখা হয় তা তুমি হকদারদের নিকট পৌছে দাও। তোমরা তোমাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত কর। তোমাদের চক্ষুকে অবনত রাখ আর তোমাদের হাতদ্বয় হারাম থেকে গুটিয়ে রাখ” [ইমাম আহমদ ২২২৫১ আলবানী রহ হাসান বলে মন্তব্য করেছেন।]।