১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় আসক্তি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২৩
দুই- রোজা রাখা:
রোজা যুবকদের অপকর্ম, যিনা, ব্যভিচার ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হওয়া থেকে হেফাজত করে। এ কারণেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবকদের রোজার চিকিৎসা গ্রহণ করার প্রতি উপদেশ দেন।
আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। তখন তিনি আমাদের হাদিস বর্ণনা করে বলেন,
«مَنِ اسْتَطَاعَ البَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ؛ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ، وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ، وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ »
“তোমাদের মধ্যে যাদের ক্ষমতা আছে তারা যেন বিবাহ করে। কারণ, বিবাহ তোমাদের চোখের জন্য অধিক হেফাজতকারী এবং তোমাদের লজ্জাস্থানের সংরক্ষক। আর যে ব্যক্তি বিবাহ করার সামর্থ্য রাখে না তাকে অবশ্যই রোজা রাখতে হবে। কারণ, রোজা তার জন্য প্রতিষেধক” [বুখারি ১৯০৫, মুসলিম ১৪০০]।
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবকদের প্রথমে শেফাদানকারি চিকিৎসা অর্থাৎ বিবাহের দিকে পথ দেখান। কিন্তু তাতে যদি কেউ অক্ষম হয় তাকে তার পরিবর্তে কি করতে হবে তার প্রতি দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। আর তা হল, রোজা রাখা। কারণ, রোজা মানুষের আসক্তির চাহিদাকে দুর্বল করে এবং আসক্তির উৎপাতকে দমিয়ে ও সংকোচিত করে দেয়। মানুষের আসক্তি সাধারণত খাদ্যের আধিক্য ও বিভিন্নতার কারণে শক্তিশালী হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের খাদ্য গ্রহণ ও অধিক খাদ্য একজন মানুষের আসক্তির চাহিদাকে বাড়িয়ে দেয়। আর রোজা রাখা দ্বারা তা অনেকটা কমে যায়। যখন একজন মানুষ রোজা রাখতে থাকে, তখন সে খাসিকৃত জন্তুর মত হয়ে যায়। যে ব্যক্তি সব সময় রোজা রাখে তার যৌন চাহিদা ও আসক্তি দুর্বল হবে না এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়।’ [ইবনুল কাইয়্যেম, রাওদাতুল মুহিব্বীন ২১৯।]
তাছাড়া আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন -হাদিসে কুদসীতে- মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
«والصَّوْمُ جُنَّةٌ ... »
“রোজা মুমিনের জন্য ডাল স্বরূপ”। [বুখারী: ৭৪৯২।]
ডাল স্বরূপ এ কথার অর্থ হল, রোজা রক্ষাকারী ও গোপনকারী। রোজা মানবাত্মাকে আসক্তির চাহিদা ও তার উত্তেজনা থেকে হেফাজত করে এবং মানুষকে হারামে লিপ্ত হওয়া হতে বাঁচায়। কারণ, খাদ্য মানুষের যৌন চাহিদা বাড়িয়ে দেয়। আর রোজার মানেই হল খাদ্য-পানীয় থেকে বিরত থাকা।
আল্লামা কুরতবি রহ. বলেন, ‘খাদ্য যত কম হবে, আসক্তি ততই দুর্বল হবে। আর আসক্তি যত দুর্বল হবে তার গুনাহ কম হবে’। [তাফসীরুল কুরতুবী: ২/২৭৫।]
আব্দুল্লাহ ইব্ন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। তখন তিনি আমাদের হাদিস বর্ণনা করে বলেন,
«مَنِ اسْتَطَاعَ البَاءَةَ فَلْيَتَزَوَّجْ؛ فَإِنَّهُ أَغَضُّ لِلْبَصَرِ، وَأَحْصَنُ لِلْفَرْجِ، وَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَعَلَيْهِ بِالصَّوْمِ فَإِنَّهُ لَهُ وِجَاءٌ »
“তোমাদের মধ্যে যাদের ক্ষমতা আছে তারা যেন বিবাহ করে। কারণ, বিবাহ তোমাদের চোখের জন্য অধিক হেফাজতকারী এবং তোমাদের লজ্জাস্থানের সংরক্ষক। আর যে ব্যক্তি বিবাহ করার সামর্থ্য রাখে না তাকে অবশ্যই রোজা রাখতে হবে। কারণ, রোজা তার জন্য প্রতিষেধক” [বুখারি ১৯০৫, মুসলিম ১৪০০]।
আল্লামা ইবনুল কাইয়্যেম রহ. বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবকদের প্রথমে শেফাদানকারি চিকিৎসা অর্থাৎ বিবাহের দিকে পথ দেখান। কিন্তু তাতে যদি কেউ অক্ষম হয় তাকে তার পরিবর্তে কি করতে হবে তার প্রতি দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। আর তা হল, রোজা রাখা। কারণ, রোজা মানুষের আসক্তির চাহিদাকে দুর্বল করে এবং আসক্তির উৎপাতকে দমিয়ে ও সংকোচিত করে দেয়। মানুষের আসক্তি সাধারণত খাদ্যের আধিক্য ও বিভিন্নতার কারণে শক্তিশালী হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের খাদ্য গ্রহণ ও অধিক খাদ্য একজন মানুষের আসক্তির চাহিদাকে বাড়িয়ে দেয়। আর রোজা রাখা দ্বারা তা অনেকটা কমে যায়। যখন একজন মানুষ রোজা রাখতে থাকে, তখন সে খাসিকৃত জন্তুর মত হয়ে যায়। যে ব্যক্তি সব সময় রোজা রাখে তার যৌন চাহিদা ও আসক্তি দুর্বল হবে না এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যায়।’ [ইবনুল কাইয়্যেম, রাওদাতুল মুহিব্বীন ২১৯।]
তাছাড়া আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন -হাদিসে কুদসীতে- মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
«والصَّوْمُ جُنَّةٌ ... »
“রোজা মুমিনের জন্য ডাল স্বরূপ”। [বুখারী: ৭৪৯২।]
ডাল স্বরূপ এ কথার অর্থ হল, রোজা রক্ষাকারী ও গোপনকারী। রোজা মানবাত্মাকে আসক্তির চাহিদা ও তার উত্তেজনা থেকে হেফাজত করে এবং মানুষকে হারামে লিপ্ত হওয়া হতে বাঁচায়। কারণ, খাদ্য মানুষের যৌন চাহিদা বাড়িয়ে দেয়। আর রোজার মানেই হল খাদ্য-পানীয় থেকে বিরত থাকা।
আল্লামা কুরতবি রহ. বলেন, ‘খাদ্য যত কম হবে, আসক্তি ততই দুর্বল হবে। আর আসক্তি যত দুর্বল হবে তার গুনাহ কম হবে’। [তাফসীরুল কুরতুবী: ২/২৭৫।]