১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় আসক্তি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৩
ইউসূফ আ. এর ধৈর্য ধারণ করার কারণ :
প্রথমত: আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ভয়। ইউসূফ আ. এর অন্তরে ছিল আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ভয়। তাই তিনি নফসের পূজা থেকে বেঁচে যান।
দ্বিতীয়ত: তার প্রতি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাহায্য ও তাওফীক। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
﴿وَلَقَدۡ هَمَّتۡ بِهِۦۖ وَهَمَّ بِهَا لَوۡلَآ أَن رَّءَا بُرۡهَٰنَ رَبِّهِۦۚ كَذَٰلِكَ لِنَصۡرِفَ عَنۡهُ ٱلسُّوٓءَ وَٱلۡفَحۡشَآءَۚ إِنَّهُۥ مِنۡ عِبَادِنَا ٱلۡمُخۡلَصِينَ ٢٤ ﴾ [ سورة يوسف : 24[.
আর সে মহিলা তার প্রতি আসক্ত হল, আর সেও তার প্রতি আসক্ত হত, যদি না তার রবের স্পষ্ট প্রমাণ প্রত্যক্ষ করত। এভাবেই, যাতে আমি তার থেকে অনিষ্ট ও অশ্লীলতা দূর করে দেই। নিশ্চয় সে আমার খালেস বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ২৪]
তৃতীয়ত: আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নাফরমানির কারণ হতে পলায়ন করা।
ইউছফ আ. বলেন, ‘আমি আল্লাহকে ভয় করি’ এ কথা বলে ঘরে বসে থাকেন নি। বরং তিনি এ কথা বলে সাথে সাথে দৌড় দিয়ে পালাতে এবং ঘর থেকে বের হতে চেষ্টা করেন।
গুনাহের স্থান ত্যাগ করা মানুষকে গুনাহ হতে নাজাত দেয় এবং কু-আসক্তি থেকে হেফাজত করে। আর গুনাহের স্থানে অবস্থান করা মানুষকে গুনাহের প্রতি আকৃষ্ট করে এবং গুনাহের উৎসাহ প্রধান করে। সুতরাং তোমরা যদি নাজাত পেতে চাও তবে তোমরা গুনাহের স্থান ত্যাগ কর।
চতুর্থত: আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা: মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
﴿قَالَ رَبِّ ٱلسِّجۡنُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِمَّا يَدۡعُونَنِيٓ إِلَيۡهِۖ وَإِلَّا تَصۡرِفۡ عَنِّي كَيۡدَهُنَّ أَصۡبُ إِلَيۡهِنَّ وَأَكُن مِّنَ ٱلۡجَٰهِلِينَ ٣٣ ﴾ [ سورة يوسف : 33[.
সে (ইউসুফ) বলল, ‘হে আমার রব, তারা আমাকে যে কাজের প্রতি আহ্বান করছে তা থেকে কারাগারই আমার নিকট অধিক প্রিয়। আর যদি আপনি আমার থেকে তাদের চক্রান্ত প্রতিহত না করেন তবে আমি তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ব এবং আমি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হব’। [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৩৩]
পঞ্চমত: ইউসুফ আ. দ্বীনদার ও মুত্তাকী হওয়া:
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
﴿إِنَّهُۥ مِنۡ عِبَادِنَا ٱلۡمُخۡلَصِينَ ﴾ [ سورة يوسف : 24[.
“নিশ্চয় সে আমার খালেস বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।” [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ২৪]
ষষ্ঠ: কু-প্রবৃত্তি ও খারাপ কামনার উপর দুনিয়ার শাস্তিকে প্রাধান্য দেয়া:
﴿ قَالَ رَبِّ ٱلسِّجۡنُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِمَّا يَدۡعُونَنِيٓ إِلَيۡهِۖ ﴾ [ يوسف : ٣٣ ]
“তিনি বলেছিলেন, হে আমার রব! তারা যে দিকে আমাকে আহ্বান করছে তা থেকে জেল আমার কাছে অধিক প্রিয়”। [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৩৩]
এ ঘটনার মধ্যে বিভিন্ন উপদেশ ও নসিহত রয়েছে যেগুলো একজন মুসলিমের জন্য পালন করা খুবই জরুরি। বিশেষ করে যুবকদের জন্য এ ঘটনা থেকে উপদেশ গ্রহণ করা ও এ ঘটনার শিক্ষণীয় বিষয়গুলো হতে উপকৃত হওয়া অত্যন্ত জরুরী। একজন যুবক যখন এ ঘটনাটি পড়বে তখন যেন শুধু তা জানা ও আবিষ্কার করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষালাভ ও উপকৃত হওয়ার মানসিকতা নিয়ে পাঠ করে।
দ্বিতীয়ত: তার প্রতি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাহায্য ও তাওফীক। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
﴿وَلَقَدۡ هَمَّتۡ بِهِۦۖ وَهَمَّ بِهَا لَوۡلَآ أَن رَّءَا بُرۡهَٰنَ رَبِّهِۦۚ كَذَٰلِكَ لِنَصۡرِفَ عَنۡهُ ٱلسُّوٓءَ وَٱلۡفَحۡشَآءَۚ إِنَّهُۥ مِنۡ عِبَادِنَا ٱلۡمُخۡلَصِينَ ٢٤ ﴾ [ سورة يوسف : 24[.
আর সে মহিলা তার প্রতি আসক্ত হল, আর সেও তার প্রতি আসক্ত হত, যদি না তার রবের স্পষ্ট প্রমাণ প্রত্যক্ষ করত। এভাবেই, যাতে আমি তার থেকে অনিষ্ট ও অশ্লীলতা দূর করে দেই। নিশ্চয় সে আমার খালেস বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত। [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ২৪]
তৃতীয়ত: আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নাফরমানির কারণ হতে পলায়ন করা।
ইউছফ আ. বলেন, ‘আমি আল্লাহকে ভয় করি’ এ কথা বলে ঘরে বসে থাকেন নি। বরং তিনি এ কথা বলে সাথে সাথে দৌড় দিয়ে পালাতে এবং ঘর থেকে বের হতে চেষ্টা করেন।
গুনাহের স্থান ত্যাগ করা মানুষকে গুনাহ হতে নাজাত দেয় এবং কু-আসক্তি থেকে হেফাজত করে। আর গুনাহের স্থানে অবস্থান করা মানুষকে গুনাহের প্রতি আকৃষ্ট করে এবং গুনাহের উৎসাহ প্রধান করে। সুতরাং তোমরা যদি নাজাত পেতে চাও তবে তোমরা গুনাহের স্থান ত্যাগ কর।
চতুর্থত: আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা: মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
﴿قَالَ رَبِّ ٱلسِّجۡنُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِمَّا يَدۡعُونَنِيٓ إِلَيۡهِۖ وَإِلَّا تَصۡرِفۡ عَنِّي كَيۡدَهُنَّ أَصۡبُ إِلَيۡهِنَّ وَأَكُن مِّنَ ٱلۡجَٰهِلِينَ ٣٣ ﴾ [ سورة يوسف : 33[.
সে (ইউসুফ) বলল, ‘হে আমার রব, তারা আমাকে যে কাজের প্রতি আহ্বান করছে তা থেকে কারাগারই আমার নিকট অধিক প্রিয়। আর যদি আপনি আমার থেকে তাদের চক্রান্ত প্রতিহত না করেন তবে আমি তাদের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ব এবং আমি মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হব’। [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৩৩]
পঞ্চমত: ইউসুফ আ. দ্বীনদার ও মুত্তাকী হওয়া:
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন,
﴿إِنَّهُۥ مِنۡ عِبَادِنَا ٱلۡمُخۡلَصِينَ ﴾ [ سورة يوسف : 24[.
“নিশ্চয় সে আমার খালেস বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত।” [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ২৪]
ষষ্ঠ: কু-প্রবৃত্তি ও খারাপ কামনার উপর দুনিয়ার শাস্তিকে প্রাধান্য দেয়া:
﴿ قَالَ رَبِّ ٱلسِّجۡنُ أَحَبُّ إِلَيَّ مِمَّا يَدۡعُونَنِيٓ إِلَيۡهِۖ ﴾ [ يوسف : ٣٣ ]
“তিনি বলেছিলেন, হে আমার রব! তারা যে দিকে আমাকে আহ্বান করছে তা থেকে জেল আমার কাছে অধিক প্রিয়”। [সূরা ইউসুফ, আয়াত: ৩৩]
এ ঘটনার মধ্যে বিভিন্ন উপদেশ ও নসিহত রয়েছে যেগুলো একজন মুসলিমের জন্য পালন করা খুবই জরুরি। বিশেষ করে যুবকদের জন্য এ ঘটনা থেকে উপদেশ গ্রহণ করা ও এ ঘটনার শিক্ষণীয় বিষয়গুলো হতে উপকৃত হওয়া অত্যন্ত জরুরী। একজন যুবক যখন এ ঘটনাটি পড়বে তখন যেন শুধু তা জানা ও আবিষ্কার করার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে শিক্ষালাভ ও উপকৃত হওয়ার মানসিকতা নিয়ে পাঠ করে।