১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় আসক্তি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
নেককার মহিলা বা স্ত্রী অর্ধ দ্বীনের ব্যাপারে সাহায্যকারী:
আনাস ইবন মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« مَنْ رَزَقَه الله امْرَأَةً صَالحَة فَقَدْ أَعَانَهُ عَلَى شَطْرِ دِينِهِ، فَلْيَتَّقِ الله فِي الشَّطْرِ الثَّانِي »
“আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যাকে নেককার স্ত্রী লাভের তাওফীক দেন, তাকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অর্ধেক দ্বীনের বিষয়ে সাহায্য করল, বাকী অর্ধেকের বিষয়ে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে” [মুস্তাদরাকে হাকেম ২৬৮১ এবং হাকেম তা সহীহ বলেছেন, আর যাহাবী তার সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।]।
আল্লামা মুনাবি রহ. বলেন, দ্বীনের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতিকর ও মহা মুসিবত হল, দুটি জিনিষ। এক- পেটের চাহিদা, দুই-যৌন চাহিদা।
দ্বিতীয় চাহিদা মেটানোর জন্য তাকে বিবাহ করতে হবে। যদি কোন ব্যক্তি দ্বীনদার ও সৎ নারীকে বিবাহ করে, তাহলে সে ব্যভিচার থেকে মুক্ত থাকবে এবং সে অর্ধেক চাহিদা মেটাতে পারবে। তারপর তার অবশিষ্ট অর্ধেক চাহিদা বাকী থাকল। আর তা হল তার পেটের চাহিদা। এ চাহিদা মেটানোর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তাকওয়া অর্জন করার উপদেশ দেন। তাকওয়ার মাধ্যমে তার দ্বীনদারি পূর্ণতা লাভ করে এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের যে দ্বীন দিয়েছেন সে দ্বীনের উপর অটল অবিচল থাকার তাওফিক হাসিল হয়।
এখানে [হাদীসে] নেককার নারীর কথা বলার কারণ হল, নারী যদি দ্বীনদার ও নেককার না হয়, তার দ্বারা ব্যভিচার থেকে মুক্তি পেলেও লোকটি তার স্ত্রীর কারণে কোন অপকর্ম ও খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে এবং তার স্ত্রী তাকে হারাম উপার্জন ইত্যাদির প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে পারে; যা তার পরিণতির জন্য খুবই খারাপ। [ফায়যুল কাদীর ৬/১৭৭।]
আল্লামা কুরতবী রহ. বলেন, বর্তমানকালে কেউ অন্যায়-পাপ থেকে সবর করার ক্ষমতা না রাখে, তার জন্য ওয়াজিব হবে দ্বীনদার স্ত্রী তালাশ করা; যার মাধ্যমে সে তার দ্বীনদারি ঠিক রাখতে পারে। [কুরতুবী ৪/২৯।]
« مَنْ رَزَقَه الله امْرَأَةً صَالحَة فَقَدْ أَعَانَهُ عَلَى شَطْرِ دِينِهِ، فَلْيَتَّقِ الله فِي الشَّطْرِ الثَّانِي »
“আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যাকে নেককার স্ত্রী লাভের তাওফীক দেন, তাকে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অর্ধেক দ্বীনের বিষয়ে সাহায্য করল, বাকী অর্ধেকের বিষয়ে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে” [মুস্তাদরাকে হাকেম ২৬৮১ এবং হাকেম তা সহীহ বলেছেন, আর যাহাবী তার সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।]।
আল্লামা মুনাবি রহ. বলেন, দ্বীনের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতিকর ও মহা মুসিবত হল, দুটি জিনিষ। এক- পেটের চাহিদা, দুই-যৌন চাহিদা।
দ্বিতীয় চাহিদা মেটানোর জন্য তাকে বিবাহ করতে হবে। যদি কোন ব্যক্তি দ্বীনদার ও সৎ নারীকে বিবাহ করে, তাহলে সে ব্যভিচার থেকে মুক্ত থাকবে এবং সে অর্ধেক চাহিদা মেটাতে পারবে। তারপর তার অবশিষ্ট অর্ধেক চাহিদা বাকী থাকল। আর তা হল তার পেটের চাহিদা। এ চাহিদা মেটানোর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে তাকওয়া অর্জন করার উপদেশ দেন। তাকওয়ার মাধ্যমে তার দ্বীনদারি পূর্ণতা লাভ করে এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের যে দ্বীন দিয়েছেন সে দ্বীনের উপর অটল অবিচল থাকার তাওফিক হাসিল হয়।
এখানে [হাদীসে] নেককার নারীর কথা বলার কারণ হল, নারী যদি দ্বীনদার ও নেককার না হয়, তার দ্বারা ব্যভিচার থেকে মুক্তি পেলেও লোকটি তার স্ত্রীর কারণে কোন অপকর্ম ও খারাপ কাজে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে এবং তার স্ত্রী তাকে হারাম উপার্জন ইত্যাদির প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে পারে; যা তার পরিণতির জন্য খুবই খারাপ। [ফায়যুল কাদীর ৬/১৭৭।]
আল্লামা কুরতবী রহ. বলেন, বর্তমানকালে কেউ অন্যায়-পাপ থেকে সবর করার ক্ষমতা না রাখে, তার জন্য ওয়াজিব হবে দ্বীনদার স্ত্রী তালাশ করা; যার মাধ্যমে সে তার দ্বীনদারি ঠিক রাখতে পারে। [কুরতুবী ৪/২৯।]