১
অন্তর বিধ্বংসী বিষয় আসক্তি
লেখকঃ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জেদ • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ৩৪
বিশিষ্ট আবেদ জুরাইজের ঘটনা:
আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
« كَانَ جُرَيْجٌ فِي صَوْمَعَتِهِ، فَقَالَتِ امْرَأَةٌ : لَأَفْتِنَنَّ جُرَيْجاً . فَتَعَرَّضتْ لَهُ فَكَلَّمَتْهُ، فَأَبَى، فَأَتَتْ رَاعِيا فَأمَكَنتَهُْ مِنْ نَفْسِهَا، فَوَلدََتْ غُلَاما،ً فَقَالتَْ : هُوَ مِنْ جُرَيْجٍ . فَأتَوْهُ وَكَسَرُوا صَوْمَعَتهَُ، فَأنْزَلوُهُ وَسَبوُّهُ، فَتوََضأ وَصَلَّى، ثُمَّ أَتَى الغُلَامَ فَقَالَ : مَنْ أَبُوكَ يَا غُلَامُ؟ قَالَ الرَّاعِي »
“যুরাইয তার স্বীয় গির্জায় সর্বদা আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন ছিল। তখন একজন মহিলা বলল, আমি যুরাইযকে ফিতনায় ফেলব। তারপর সে তার সাথে গিয়ে কথা বলতে চাইলে সে তার সাথে কথা বলতে অস্বীকার করে। তারপর সে একজন রাখালের নিকট গেলে মহিলাটি তাকে তার সাথে অপকর্ম করার সুযোগ দেয়। তারপর মহিলাটি একটি পুত্র সন্তান প্রসব করে বলল, এ জুরাইজের সন্তান। এ কথা শোনে লোকেরা তার উপর চড়াও হল এবং তার গির্জাকে ভেঙে চুরমার করে ফেলল। তারা তাকে তার ইবাদত-গাহ হতে বের করে দিল এবং গালি-গালাজ করল। নিরুপায় হয়ে জুরাইজ ওযু করল এবং সালাত আদায় করল। তারপর সে বাচ্চাটিকে জিজ্ঞাসা করল তোমার পিতা কে? উত্তরে সে বলল, রাখাল”।
এখানে লক্ষ্য করে দেখ, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জুরাইজের সম্মান ও মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে কিভাবে গোলামটিকে কথা বলার শক্তি দান করেন! কারণ সব ধরনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কেবল আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ভয়ে সে ঐ মহিলাকে ছেড়ে দেয়।
« كَانَ جُرَيْجٌ فِي صَوْمَعَتِهِ، فَقَالَتِ امْرَأَةٌ : لَأَفْتِنَنَّ جُرَيْجاً . فَتَعَرَّضتْ لَهُ فَكَلَّمَتْهُ، فَأَبَى، فَأَتَتْ رَاعِيا فَأمَكَنتَهُْ مِنْ نَفْسِهَا، فَوَلدََتْ غُلَاما،ً فَقَالتَْ : هُوَ مِنْ جُرَيْجٍ . فَأتَوْهُ وَكَسَرُوا صَوْمَعَتهَُ، فَأنْزَلوُهُ وَسَبوُّهُ، فَتوََضأ وَصَلَّى، ثُمَّ أَتَى الغُلَامَ فَقَالَ : مَنْ أَبُوكَ يَا غُلَامُ؟ قَالَ الرَّاعِي »
“যুরাইয তার স্বীয় গির্জায় সর্বদা আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন ছিল। তখন একজন মহিলা বলল, আমি যুরাইযকে ফিতনায় ফেলব। তারপর সে তার সাথে গিয়ে কথা বলতে চাইলে সে তার সাথে কথা বলতে অস্বীকার করে। তারপর সে একজন রাখালের নিকট গেলে মহিলাটি তাকে তার সাথে অপকর্ম করার সুযোগ দেয়। তারপর মহিলাটি একটি পুত্র সন্তান প্রসব করে বলল, এ জুরাইজের সন্তান। এ কথা শোনে লোকেরা তার উপর চড়াও হল এবং তার গির্জাকে ভেঙে চুরমার করে ফেলল। তারা তাকে তার ইবাদত-গাহ হতে বের করে দিল এবং গালি-গালাজ করল। নিরুপায় হয়ে জুরাইজ ওযু করল এবং সালাত আদায় করল। তারপর সে বাচ্চাটিকে জিজ্ঞাসা করল তোমার পিতা কে? উত্তরে সে বলল, রাখাল”।
এখানে লক্ষ্য করে দেখ, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন জুরাইজের সম্মান ও মর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে কিভাবে গোলামটিকে কথা বলার শক্তি দান করেন! কারণ সব ধরনের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও কেবল আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ভয়ে সে ঐ মহিলাকে ছেড়ে দেয়।