১
একগুচ্ছ মুক্তাদানা দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সা‘দী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১১
নবম দৃষ্টান্ত: আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল মানবজাতির জন্য পরস্পরের মধ্যে সততা, কল্যাণ, অনুগ্রহ, ন্যায়পরায়ণতা, ন্যায়বিচার এবং যুলুম বর্জিত যেসব অধিকারকে বিধিবদ্ধ করেছেন, সেই প্রসঙ্গে।
যেমন ঐ অধিকারসমূহ, যা তিনি বাধ্যতামূলক ও বিধিবদ্ধ করেছেন পিতা-মাতা, সন্তান-সন্তুতি, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী, সঙ্গী-সাথী, লেনদেনকারীগণ ও প্রত্যেক স্বামী-স্ত্রীর জন্য।
আর তার প্রত্যেকটিই অত্যাবশ্যকীয় ও পূর্ণতাদানকারী অধিকার, যেগুলোকে স্বভাব-প্রকৃতি ও সুস্থ বিবেক উত্তম বলে বিবেচনা করে; আর এর মাধ্যমেই পরস্পরের মেলামেশা পূর্ণতা লাভ করে। আর হকদারের অবস্থা ও মর্যাদার আলোকে সকল প্রকার কল্যাণ ও উপকার পরস্পর আদান-প্রদান করা হয়।
আর যখনই আপনি তার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করবেন, তখন তাতে দেখতে পাবেন কল্যাণের উপস্থিতি এবং মন্দ বা অকল্যাণের অনুপস্থিতি; আর তাতে পাবেন সাধারণ ও বিশেষ উপকারিতা, বন্ধুত্ব ও পরিপূর্ণ ঘনিষ্ঠতা; যা আপনাকে সাক্ষী করে যে, এই শরী‘আত উভয় জগতের সৌভাগ্যের জিম্মাদার।
আপনি তাতে আরও লক্ষ্য করবেন যে, এই অধিকারসমূহ স্থান, কাল, পরিবেশ-পরিস্থিতি ও সামাজিক প্রথার সাথে তাল মিলেয়ে চলছে এবং তাকে দেখতে পাবেন সকল প্রকার কল্যাণের নিয়ামক শক্তি হিসেবে, তাতে অর্জিত হবে ধর্মীয় ও পার্থিব কার্যক্রমের ব্যাপারে পরিপূর্ণভাবে পারস্পরিক সহযোগিতা, নিয়ে আসবে মান-মর্যাদা এবং দূর করবে সকল প্রকার শত্রুতা ও হিংসা-বিদ্বেষ।
আর এসব বিষয় কেবল শরী‘আতের মৌলিক উৎস ও মূলে সার্বিক পর্যালোচনা ও পুঙ্খানুপুঙ্খ অধ্যয়ন করার মাধ্যমেই বুঝা যাবে।
আর তার প্রত্যেকটিই অত্যাবশ্যকীয় ও পূর্ণতাদানকারী অধিকার, যেগুলোকে স্বভাব-প্রকৃতি ও সুস্থ বিবেক উত্তম বলে বিবেচনা করে; আর এর মাধ্যমেই পরস্পরের মেলামেশা পূর্ণতা লাভ করে। আর হকদারের অবস্থা ও মর্যাদার আলোকে সকল প্রকার কল্যাণ ও উপকার পরস্পর আদান-প্রদান করা হয়।
আর যখনই আপনি তার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করবেন, তখন তাতে দেখতে পাবেন কল্যাণের উপস্থিতি এবং মন্দ বা অকল্যাণের অনুপস্থিতি; আর তাতে পাবেন সাধারণ ও বিশেষ উপকারিতা, বন্ধুত্ব ও পরিপূর্ণ ঘনিষ্ঠতা; যা আপনাকে সাক্ষী করে যে, এই শরী‘আত উভয় জগতের সৌভাগ্যের জিম্মাদার।
আপনি তাতে আরও লক্ষ্য করবেন যে, এই অধিকারসমূহ স্থান, কাল, পরিবেশ-পরিস্থিতি ও সামাজিক প্রথার সাথে তাল মিলেয়ে চলছে এবং তাকে দেখতে পাবেন সকল প্রকার কল্যাণের নিয়ামক শক্তি হিসেবে, তাতে অর্জিত হবে ধর্মীয় ও পার্থিব কার্যক্রমের ব্যাপারে পরিপূর্ণভাবে পারস্পরিক সহযোগিতা, নিয়ে আসবে মান-মর্যাদা এবং দূর করবে সকল প্রকার শত্রুতা ও হিংসা-বিদ্বেষ।
আর এসব বিষয় কেবল শরী‘আতের মৌলিক উৎস ও মূলে সার্বিক পর্যালোচনা ও পুঙ্খানুপুঙ্খ অধ্যয়ন করার মাধ্যমেই বুঝা যাবে।