১
একগুচ্ছ মুক্তাদানা দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সা‘দী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১৪
দ্বাদশ দৃষ্টান্ত: মানুষের সম্পদ ব্যয়ের ক্ষেত্রে তার কর্মকাণ্ড যখন তার নিজের জন্য ক্ষতিকারক অথবা অন্যের জন্য ক্ষতিকারক হবে, তখন তার সম্পদে তার হস্তক্ষেপ তথা লেনদেনের অধিকার রহিতকরণের নির্দেশ প্রদানের ব্যাপারে শরী‘আত যা কিছু নিয়ে এসেছে, সেই প্রসঙ্গে।
আর তা হল যেমন, পাগল, অপ্রাপ্ত বয়স্ক, নির্বোধ ও তাদের অনুরূপ ব্যক্তিদের ধন-সম্পদ লেনদেনের অধিকার রহিতকরণ, অনুরূপভাবে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির প্রতিপক্ষ ঋণদাতাদের স্বার্থ রক্ষার্থে ঋণী ব্যক্তির ধন-সম্পদ লেনদেনের অধিকার রহিতকরণ।
আর এই সব কিছুই ইসলামী শরীয়তের সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত; কারণ, শরী‘আত মানুষকে তার এমন সম্পদে হস্তক্ষেপ করতে বারণ করেছে, যাতে মৌলিকভাবে তার হস্তক্ষেপ করার অবারিত সুযোগ ছিল; কিন্তু যখন তার সম্পদে তার হস্তক্ষেপ করাতে তার উপকারের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয় এবং তার কল্যাণের চেয়ে অকল্যাণের দিকটি বড় হয়, তখন শরী‘আত প্রবর্তক তার জন্য যাবতীয় কল্যাণকর খাতেও তার সকল প্রকার ব্যয়ের অধিকারকে নিষিদ্ধ করে; এই কথা বুঝানোর জন্য যে, যাতে জনগণ ক্ষতিকারক খাতকে বাদ দিয়ে প্রত্যেক উপকারী খাতে তাদের সম্পদ ব্যয়ের অধিকার প্রয়োগে সচেষ্ট হয়।
আর এই সব কিছুই ইসলামী শরীয়তের সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত; কারণ, শরী‘আত মানুষকে তার এমন সম্পদে হস্তক্ষেপ করতে বারণ করেছে, যাতে মৌলিকভাবে তার হস্তক্ষেপ করার অবারিত সুযোগ ছিল; কিন্তু যখন তার সম্পদে তার হস্তক্ষেপ করাতে তার উপকারের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয় এবং তার কল্যাণের চেয়ে অকল্যাণের দিকটি বড় হয়, তখন শরী‘আত প্রবর্তক তার জন্য যাবতীয় কল্যাণকর খাতেও তার সকল প্রকার ব্যয়ের অধিকারকে নিষিদ্ধ করে; এই কথা বুঝানোর জন্য যে, যাতে জনগণ ক্ষতিকারক খাতকে বাদ দিয়ে প্রত্যেক উপকারী খাতে তাদের সম্পদ ব্যয়ের অধিকার প্রয়োগে সচেষ্ট হয়।