১
একগুচ্ছ মুক্তাদানা দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সা‘দী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ২০
অষ্টাদশ দৃষ্টান্ত: নিশ্চয় শরী‘আত, ইলম (জ্ঞান), দ্বীন, প্রশাসন ও বিধিবিধানকে একটি অপরটির শক্তিবর্ধক ও সাহায্য সহযোগিতাকারীরূপে নির্ধারণ করেছে।
সুতরাং ইলম (জ্ঞান) ও দ্বীন প্রশাসনকে শক্তিশালী করে; আর তার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে ক্ষমতা ও বিধিবিধান।
আর প্রশাসন সামগ্রিকভাবে জ্ঞান ও দ্বীনের সাথে শর্তযুক্ত, যা হল হিকমত বা কলাকৌশল তথা প্রজ্ঞা। আর তা-ই হচ্ছে, সঠিক পথ এবং কল্যাণ, সফলতা ও মুক্তি।
সুতরাং দ্বীন ও ক্ষমতা বা রাজত্ব যখন একটি অপরটির পরিপূরক ও সহায়ক শক্তি হয়, তখন কর্মকাণ্ডসমূহ পরিশুদ্ধ হয়, যেমনিভাবে পারিপার্শ্বিক পরিবেশ-পরিস্থিতি হয় সুসংহত।
আর যখনই একটি থেকে অপরটিকে পৃথক করা হয়, তখন শাসনব্যবস্থা দুর্বল ও অকেজো হয়ে যায়, তার যথার্থতা ও সংস্কারমূলক মানসিকতার বিলুপ্তি ঘটে, পার্থক্য ও দলাদলি সৃষ্টি হয়, আন্তরিক দূরত্ব বৃদ্ধি পায় এবং মানুষের কর্মকাণ্ড অবক্ষয় ও অবনতির দিকে ধাবিত হয়।
এর সমর্থনপুষ্ট কথা হল: জ্ঞান বিজ্ঞান যতই সম্প্রসারিত হউক, জানাশুনা যতই বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত হউক এবং আবিষ্কারসমূহ যতই বড় ও সংখ্যায় অধিক হউক, তা থেকে এমন কিছুর আগমন হয় না, যা আল-কুরআনের নির্দেশনার বিপরীত এবং শরী‘আত যা নিয়ে এসেছে, তার বিরোধী।
শরী‘আত এমন কিছু নিয়ে আসে না, যাকে বিবেক-বুদ্ধি অসম্ভব মনে করে; বরং শরী‘আত যা নিয়ে আসে, সুস্থ বিবেক-বুদ্ধি তার সৌন্দর্যকে যথাযথ সমর্থন করে; অথবা শরী‘আত এমন কিছু নিয়ে আসে, যা মৌলিক বা বিস্তারিতভাবে জানার ব্যাপারে বিবেক সঠিক পথ পায় না। আর এর জন্য আরও একটি দৃষ্টান্ত পেশ করা প্রয়োজন; আর তা হল:
আর প্রশাসন সামগ্রিকভাবে জ্ঞান ও দ্বীনের সাথে শর্তযুক্ত, যা হল হিকমত বা কলাকৌশল তথা প্রজ্ঞা। আর তা-ই হচ্ছে, সঠিক পথ এবং কল্যাণ, সফলতা ও মুক্তি।
সুতরাং দ্বীন ও ক্ষমতা বা রাজত্ব যখন একটি অপরটির পরিপূরক ও সহায়ক শক্তি হয়, তখন কর্মকাণ্ডসমূহ পরিশুদ্ধ হয়, যেমনিভাবে পারিপার্শ্বিক পরিবেশ-পরিস্থিতি হয় সুসংহত।
আর যখনই একটি থেকে অপরটিকে পৃথক করা হয়, তখন শাসনব্যবস্থা দুর্বল ও অকেজো হয়ে যায়, তার যথার্থতা ও সংস্কারমূলক মানসিকতার বিলুপ্তি ঘটে, পার্থক্য ও দলাদলি সৃষ্টি হয়, আন্তরিক দূরত্ব বৃদ্ধি পায় এবং মানুষের কর্মকাণ্ড অবক্ষয় ও অবনতির দিকে ধাবিত হয়।
এর সমর্থনপুষ্ট কথা হল: জ্ঞান বিজ্ঞান যতই সম্প্রসারিত হউক, জানাশুনা যতই বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত হউক এবং আবিষ্কারসমূহ যতই বড় ও সংখ্যায় অধিক হউক, তা থেকে এমন কিছুর আগমন হয় না, যা আল-কুরআনের নির্দেশনার বিপরীত এবং শরী‘আত যা নিয়ে এসেছে, তার বিরোধী।
শরী‘আত এমন কিছু নিয়ে আসে না, যাকে বিবেক-বুদ্ধি অসম্ভব মনে করে; বরং শরী‘আত যা নিয়ে আসে, সুস্থ বিবেক-বুদ্ধি তার সৌন্দর্যকে যথাযথ সমর্থন করে; অথবা শরী‘আত এমন কিছু নিয়ে আসে, যা মৌলিক বা বিস্তারিতভাবে জানার ব্যাপারে বিবেক সঠিক পথ পায় না। আর এর জন্য আরও একটি দৃষ্টান্ত পেশ করা প্রয়োজন; আর তা হল: