১
একগুচ্ছ মুক্তাদানা দ্বীনে ইসলামীর সৌন্দর্য
লেখকঃ শাইখ আবদুর রহমান ইবন নাসের ইবন সা‘দী রহ. • পরিচ্ছেদ সংখাঃ ১
পরিচ্ছেদঃ ১২
দশম দৃষ্টান্ত: মৃত্যুর পর ধন-সম্পদ ও উত্তরাধিকারসত্ব স্থানান্তর এবং উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ধন-সম্পদ বণ্টনের পদ্ধতি নিয়ে শরী‘আত যা কিছু নিয়ে এসেছে, সেই প্রসঙ্গে।
আর আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বাণীর মাধ্যমে এর তাৎপর্যের দিকে ইঙ্গিত দিয়েছেন; তিনি বলেছেন:
﴿لَا تَدۡرُونَ أَيُّهُمۡ أَقۡرَبُ لَكُمۡ نَفۡعٗاۚ﴾ [ سورة النساء : 11]
“উপকারে কে তোমাদের নিকটতর, তা তোমরা অবগত নও।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১১] সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং নিজেই সম্পদের বণ্টন-পদ্ধতি প্রণয়ন করেছেন, কার উপকার বান্দার অধিক নিকটতর, বান্দা স্বভাবত: তার সম্পদ কার কাছে পৌঁছাতে পছন্দ করে, আর কে তার সদ্ব্যবহার ও অনুগ্রহ পাওয়ার বেশি উপযুক্ত, সেটার উপর ভিত্তি করেই তিনি তার বিন্যাস করেছেন। আর এই ধারাবাহিক বিন্যাসকে সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ বলে প্রতিটি সুস্থ বিবেকই সাক্ষ্য প্রদান করে। আর তিনি যদি এই কাজের দায়িত্ব জনগণের মতামত, তাদের খেয়াল-খুশি ও ইচ্ছার উপর ন্যস্ত করতেন, তবে এর কারণে অর্জিত হত ত্রুটি-বিচ্যুতি, বিশৃঙ্খলা, অব্যবস্থাপনা এবং এমন অপছন্দনীয় মনোনয়ন, যা বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্যের নামান্তর।
আর শরী‘আত প্রবর্তক বান্দার জন্য নিয়ম করে দিয়েছেন যে, সে চাইলে সৎকর্ম ও তাকওয়ার (আল্লাহ ভীতির) দৃষ্টিকোণ থেকে তার সম্পদ থেকে কিছু অংশ এমন খাতে অসীয়ত করবে, যা তার আখেরাতের জীবনে তার উপকার করেবে। আর তিনি এই ক্ষেত্রে শর্তারোপ করেছেন যে, ওসিয়তকারী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ অথবা তার চেয়ে কম অংশ, উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তির জন্য ওসিয়ত করবে; যাতে করে সম্পদ, যা আল্লাহ মানুষের জন্য জীবন-যাপনের মাধ্যম নির্ধারণ করেছেন, তা একটা খেল-তামাশার বস্তুতে পরিণত না হয়, স্বল্প বুদ্ধি ও অল্প ধর্মীয় চেতনাবোধসম্পন্ন লোকজন দুনিয়া থেকে তাদের প্রস্থানের সময় যে ধরনের ছিনিমিনি খেলে থাকে। তবে তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ অবস্থায় তারা যেহেতু অভাব-অনটনের আশঙ্কা করে থাকে, এমতাবস্থায় তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্ষতিকর কোন খাতে সম্পদ ব্যয় করে না।
﴿لَا تَدۡرُونَ أَيُّهُمۡ أَقۡرَبُ لَكُمۡ نَفۡعٗاۚ﴾ [ سورة النساء : 11]
“উপকারে কে তোমাদের নিকটতর, তা তোমরা অবগত নও।” [সূরা আন-নিসা, আয়াত: ১১] সুতরাং আল্লাহ তা‘আলা স্বয়ং নিজেই সম্পদের বণ্টন-পদ্ধতি প্রণয়ন করেছেন, কার উপকার বান্দার অধিক নিকটতর, বান্দা স্বভাবত: তার সম্পদ কার কাছে পৌঁছাতে পছন্দ করে, আর কে তার সদ্ব্যবহার ও অনুগ্রহ পাওয়ার বেশি উপযুক্ত, সেটার উপর ভিত্তি করেই তিনি তার বিন্যাস করেছেন। আর এই ধারাবাহিক বিন্যাসকে সৌন্দর্যের বহিঃপ্রকাশ বলে প্রতিটি সুস্থ বিবেকই সাক্ষ্য প্রদান করে। আর তিনি যদি এই কাজের দায়িত্ব জনগণের মতামত, তাদের খেয়াল-খুশি ও ইচ্ছার উপর ন্যস্ত করতেন, তবে এর কারণে অর্জিত হত ত্রুটি-বিচ্যুতি, বিশৃঙ্খলা, অব্যবস্থাপনা এবং এমন অপছন্দনীয় মনোনয়ন, যা বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্যের নামান্তর।
আর শরী‘আত প্রবর্তক বান্দার জন্য নিয়ম করে দিয়েছেন যে, সে চাইলে সৎকর্ম ও তাকওয়ার (আল্লাহ ভীতির) দৃষ্টিকোণ থেকে তার সম্পদ থেকে কিছু অংশ এমন খাতে অসীয়ত করবে, যা তার আখেরাতের জীবনে তার উপকার করেবে। আর তিনি এই ক্ষেত্রে শর্তারোপ করেছেন যে, ওসিয়তকারী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ অথবা তার চেয়ে কম অংশ, উত্তরাধিকারী নয় এমন ব্যক্তির জন্য ওসিয়ত করবে; যাতে করে সম্পদ, যা আল্লাহ মানুষের জন্য জীবন-যাপনের মাধ্যম নির্ধারণ করেছেন, তা একটা খেল-তামাশার বস্তুতে পরিণত না হয়, স্বল্প বুদ্ধি ও অল্প ধর্মীয় চেতনাবোধসম্পন্ন লোকজন দুনিয়া থেকে তাদের প্রস্থানের সময় যে ধরনের ছিনিমিনি খেলে থাকে। তবে তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ অবস্থায় তারা যেহেতু অভাব-অনটনের আশঙ্কা করে থাকে, এমতাবস্থায় তারা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্ষতিকর কোন খাতে সম্পদ ব্যয় করে না।